| ঢাকা, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

দুবাইয়ের বিকল্প হতে পারে ইয়েমেন; রয়েছে যে সম্ভাবনা

বিশ্ব ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৬ নভেম্বর ০৮ ১৫:৫১:১৩
দুবাইয়ের বিকল্প হতে পারে ইয়েমেন; রয়েছে যে সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: মরুভূমির বুকে আধুনিক নগরী, বিলাসবহুল হোটেল, কৃত্রিম দ্বীপ ও বিশ্বমানের বিমানবন্দর গড়ে তুলে দুবাই আজ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন ও ব্যবসাকেন্দ্র। অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মানবিক সংকটে বিপর্যস্ত ইয়েমেন। অথচ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক ঐতিহ্য এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটির রয়েছে বড় অর্থনৈতিক সম্ভাবনা।

বিশেষ করে ইয়েমেনের সোকোত্রা দ্বীপ এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালী দেশটিকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। প্রশ্ন উঠছে, ভবিষ্যতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরলে ইয়েমেন কি মধ্যপ্রাচ্যের পর্যটন ও বাণিজ্যে নতুন শক্তি হয়ে উঠতে পারবে? আর সেই সম্ভাবনা কি দুবাইয়ের মতো প্রতিষ্ঠিত অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলোর জন্য প্রতিযোগিতা তৈরি করবে?

তবে ২০৩০ সালে দুবাইয়ের পতন হবে কিংবা ইয়েমেন তার জায়গা দখল করবে, এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। বরং ইয়েমেনের সম্ভাবনা ও বাস্তব বাধাগুলো বিশ্লেষণ করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়।

২০২৪ সালে রেকর্ড পর্যটক পেয়েছে দুবাই

দুবাইয়ের পর্যটন খাতের শক্ত অবস্থান বোঝা যায় সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানেই। দুবাইয়ের অর্থনীতি ও পর্যটন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে শহরটিতে ১ কোটি ৮৭ লাখ ২০ হাজার আন্তর্জাতিক পর্যটক রাত কাটিয়েছেন। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ৯ শতাংশ বেশি।

পর্যটন, বিমান পরিবহন, আবাসন, বন্দর ও আন্তর্জাতিক ব্যবসার সমন্বয়ে দুবাই একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ফলে ইয়েমেনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে হলে দুবাইয়ের পতনের পূর্বাভাস দেওয়ার চেয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও সক্ষমতার পার্থক্য বোঝা বেশি জরুরি।

সোকোত্রা: ইয়েমেনের অনন্য প্রাকৃতিক সম্পদ

ইয়েমেনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক সম্পদগুলোর একটি হলো সোকোত্রা দ্বীপপুঞ্জ। আরব সাগর ও ভারত মহাসাগরের সংযোগস্থলের কাছে অবস্থিত এই দ্বীপপুঞ্জ জীববৈচিত্র্যের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

২০০৮ সালে ইউনেসকো সোকোত্রা দ্বীপপুঞ্জকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এখানে থাকা ৮২৫ প্রজাতির উদ্ভিদের ৩৭ শতাংশ পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সরীসৃপের প্রায় ৯০ শতাংশ এবং স্থলজ শামুকের ৯৫ শতাংশ প্রজাতিও এই দ্বীপপুঞ্জের নিজস্ব।

সোকোত্রার সবচেয়ে পরিচিত উদ্ভিদগুলোর একটি ড্রাগন ব্লাড ট্রি। গাছটির ছাতার মতো আকৃতি এবং লাল রঙের রজন দ্বীপটিকে দিয়েছে স্বতন্ত্র পরিচিতি।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বিরল উদ্ভিদ, সমুদ্রসৈকত ও জীববৈচিত্র্যের কারণে সোকোত্রায় পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। তবে এর জন্য প্রয়োজন নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা, পর্যটকদের সুরক্ষা, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ। দ্বীপটির সংবেদনশীল প্রকৃতি রক্ষা না করে পর্যটন বাড়ালে উল্টো জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হতে পারে।

বাব আল-মান্দেব: বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ

ইয়েমেনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব শুধু পর্যটনে সীমাবদ্ধ নয়। দেশটির উপকূলের কাছে অবস্থিত বাব আল-মান্দেব প্রণালী লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করেছে। এ পথ দিয়ে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে চলাচলকারী বহু বাণিজ্যিক জাহাজ যাতায়াত করে।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন বা ইআইএর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে এ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৯৩ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য পরিবহন করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তা সংকটের কারণে ২০২৪ সালে এই প্রবাহ কমে দৈনিক প্রায় ৪১ লাখ ব্যারেলে নেমে আসে।

২০২৩ সালের শেষ দিকে হুতিদের জাহাজে হামলার পর অনেক আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানি লোহিত সাগরের পথ এড়িয়ে আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্তের উত্তমাশা অন্তরীপ ঘুরে চলাচল শুরু করে। এতে যাত্রার সময়, জ্বালানি ব্যয়, বিমা খরচ ও পণ্য পরিবহনের খরচ বেড়ে যায়।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এশিয়া থেকে ইউরোপে পণ্যবাহী জাহাজের ক্ষেত্রে সুয়েজ খাল ও বাব আল-মান্দেবের পথের তুলনায় আফ্রিকা ঘুরে যেতে প্রায় ১০ দিন বেশি সময় লাগতে পারে।

অর্থাৎ এ জলপথের নিরাপত্তা শুধু ইয়েমেনের জন্য নয়, বাংলাদেশের মতো রপ্তানিনির্ভর দেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

ইয়েমেন কি জাহাজ থেকে টোল আদায় করে ধনী হতে পারবে?

ইয়েমেনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনায় বাব আল-মান্দেব প্রণালী থেকে টোল আদায়ের বিষয়টি প্রায়ই উঠে আসে। তবে আন্তর্জাতিক নৌ আইনের কারণে এ ধরনের সরল ধারণা বাস্তবসম্মত নয়।

জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশনে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের প্রণালী দিয়ে জাহাজের চলাচলের অধিকার স্বীকৃত। শুধু প্রণালী অতিক্রম করার কারণে বিদেশি জাহাজের কাছ থেকে ইচ্ছামতো টোল আদায়ের সুযোগ নেই।

তাই ইয়েমেনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বাস্তব সুযোগ খুঁজতে হলে বন্দর, লজিস্টিকস, জাহাজ মেরামত, পর্যটন, মৎস্যসম্পদ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের দিকে নজর দিতে হবে। এসব খাতে বিনিয়োগ ও স্থিতিশীলতা তৈরি হলে দেশটি আঞ্চলিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ ও ইয়েমেনের সম্ভাবনা

সৌদি আরবও তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে পর্যটন, প্রযুক্তি, বিনোদন ও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। দেশটির ভিশন ২০৩০ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পর্যটন অবকাঠামো, নতুন শহর এবং বিলাসবহুল রিসোর্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে আলোচিত প্রকল্প নিওম। সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পরিকল্পিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন অর্থনৈতিক ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।

অন্যদিকে, ইয়েমেনের রয়েছে প্রাকৃতিক সৈকত, পাহাড়, দ্বীপ এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা। শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে এসব সম্পদকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন খাত গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে ইয়েমেনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থাকলেই সৌদি আরব বা দুবাইয়ের পর্যটন বাজারে বড় ধাক্কা লাগবে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে নিরাপত্তা, পরিবহন, হোটেল, স্বাস্থ্যসেবা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মতো বিষয়ও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ইয়েমেনের যুদ্ধ কি শুধু অর্থনৈতিক আধিপত্যের লড়াই?

ইয়েমেনের সংঘাতকে ঘিরে সৌদি আরব, ইরান, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তির স্বার্থ রয়েছে। দেশটির গৃহযুদ্ধ ২০১৪ সালে হুতিদের রাজধানী সানা দখলের পর নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করে। ২০১৫ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইয়েমেনের সংঘাতের পেছনে রয়েছে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, ব্যর্থ রাজনৈতিক রূপান্তর, আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ।

ইয়েমেনের ভৌগোলিক অবস্থান ও বাব আল-মান্দেব প্রণালীর গুরুত্বের কারণে দেশটির সংঘাত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নিরাপত্তার ওপরও প্রভাব ফেলে। তবে ইয়েমেনকে দুবাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী হতে না দেওয়ার জন্যই পরিকল্পিতভাবে যুদ্ধ চালানো হচ্ছে, এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায় না।

একইভাবে, চীন ইয়েমেনকে ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক তেল বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের বদলে ইউয়ান চালু করবে, এমন দাবিও প্রতিষ্ঠিত তথ্য নয়।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে?

ইয়েমেনে স্থিতিশীলতা ফিরলে বাংলাদেশের জন্যও কিছু ইতিবাচক সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ইউরোপমুখী পণ্য পরিবহনে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালের নিরাপদ নৌপথ গুরুত্বপূর্ণ।

বাব আল-মান্দেব প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পণ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে সময় ও পরিবহন ব্যয় কমার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এতে বাংলাদেশের রপ্তানি ব্যয় ঠিক কত শতাংশ কমবে, তা নির্দিষ্টভাবে বলা যায় না। কারণ, জাহাজের রুট, জ্বালানি মূল্য, বিমা, বন্দর খরচ ও আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির ওপর মোট ব্যয় নির্ভর করে।

এ ছাড়া ইয়েমেনের পুনর্গঠন শুরু হলে নির্মাণ, অবকাঠামো, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য খাতে বিদেশি শ্রমিকের চাহিদা তৈরি হতে পারে। বাংলাদেশি কর্মীদের জন্যও সেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তা নির্ভর করবে দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি, শ্রমবাজারের নীতি এবং দুই দেশের সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর।

দুবাইয়ের পতন নয়, ইয়েমেনের সামনে বড় সম্ভাবনা

ইয়েমেনকে শুধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ হিসেবে দেখলে এর প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক গুরুত্ব পুরোপুরি বোঝা যায় না। সোকোত্রার মতো অনন্য দ্বীপ, দীর্ঘ উপকূল, ঐতিহাসিক বন্দর এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দেশটিকে অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময় করে তুলেছে।

তবে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন রাজনৈতিক সমঝোতা, দীর্ঘস্থায়ী শান্তি, নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ।

২০৩০ সালে দুবাইয়ের পতন হবে, এমন পূর্বাভাসের চেয়ে ইয়েমেনের সামনে শান্তি ও উন্নয়নের সুযোগ কতটা তৈরি হয়, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধের অবসান ঘটলে দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের পর্যটন ও বাণিজ্যে নতুন পরিচিতি পেতে পারে।

সিদ্দিকা/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন সাদমান, বড় দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশ

স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন সাদমান, বড় দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনের সকালটা বাংলাদেশের জন্য একদিকে যেমন স্বস্তির, অন্যদিকে তেমনই দুশ্চিন্তার। ...

বিগ ব্যাশে প্রথমবার মুস্তাফিজ

বিগ ব্যাশে প্রথমবার মুস্তাফিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) প্রথমবারের মতো খেলতে যাচ্ছেন ...

ফুটবল

বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা: মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে কার আধিপত্য বেশি

বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা: মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে কার আধিপত্য বেশি

স্পোর্টস ডেস্ক: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মাঠে নামার আগে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে বাংলাদেশ ও ...

অবসর ভেঙে জাতীয় দলে ফিরেছিলেন মেসি-জিদান, আরও যারা

অবসর ভেঙে জাতীয় দলে ফিরেছিলেন মেসি-জিদান, আরও যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেই যে জাতীয় দলের দরজা চিরদিনের জন্য বন্ধ ...