| ঢাকা, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

ফেসবুকে বিক্রি হচ্ছে মমির মাথা, কিনলে কী বিপদ

বিশ্ব ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৬ নভেম্বর ০৮ ১৫:৩৯:৫২
ফেসবুকে বিক্রি হচ্ছে মমির মাথা, কিনলে কী বিপদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে পুরোনো আসবাব, মোবাইল ফোন কিংবা ব্যবহৃত সাইকেল বিক্রির বিজ্ঞাপন দেখা স্বাভাবিক। কিন্তু সেখানে যদি প্রাচীন মিসরের কোনো মমির মাথা বা শরীরের অংশ বিক্রির বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে, তাহলে অবাক হওয়ারই কথা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও গত কয়েক বছরে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মানুষের মমি ও প্রাচীন দেহাবশেষ বিক্রির এমন বিজ্ঞাপন পাওয়া গেছে।

শুধু ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন সংগ্রহের বিষয়ই নয়, এসব প্রাচীন দেহাবশেষ কেনাবেচার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি, নৈতিকতা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রশ্ন। কারণ, কয়েক শ বা কয়েক হাজার বছরের পুরোনো কোনো মমির গায়ে থাকতে পারে ক্ষতিকর ছত্রাক, জীবাণু কিংবা বিষাক্ত রাসায়নিক।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব স্ট্যাফোর্ডশায়ারের গবেষকদের একটি অনুসন্ধানে উঠে এসেছে অনলাইনে প্রাচীন দেহাবশেষের এই গোপন বাণিজ্যের চিত্র। তাঁদের গবেষণাপত্রের নাম ‘দ্য রিয়েল মমিজ কার্স’, যা প্রকাশিত হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব কালচারাল পোয়েট্রি সাময়িকীতে।

১০ বছরে অনলাইনে মমি বিক্রির ১২৮টি বিজ্ঞাপন

গবেষকেরা ২০১৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-কমার্স ওয়েবসাইট ও অনলাইন নিলাম প্ল্যাটফর্মে মমি এবং সংরক্ষিত দেহাবশেষ বিক্রির ১২৮টি বিজ্ঞাপন শনাক্ত করেছেন।

এসব বিজ্ঞাপনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিজ্ঞাপনে প্রাচীন মিসরের একটি মমির মাথার দাম চাওয়া হয়েছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ডলার। বিক্রেতা সেটিকে গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন মিসরীয় নিদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন।

তবে এসব বিজ্ঞাপনের সব পণ্য যে আসল বা প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে প্রমাণিত মমি, তা নিশ্চিত নয়। অনেক ক্ষেত্রে বিক্রেতারা পণ্যের পরিচয় ও ইতিহাস সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্যও দেন না।

গবেষণায় দেখা গেছে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মানুষের দেহাবশেষ কেনাবেচার নিষেধাজ্ঞা এড়াতে কোনো কোনো বিক্রেতা সরাসরি ‘মমি’ শব্দটি ব্যবহার করেন না। বরং সাংকেতিক শব্দ বা অস্পষ্ট বর্ণনা দিয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেন। পরে সাধারণ ডাকব্যবস্থা কিংবা আন্তর্জাতিক কুরিয়ারের মাধ্যমে এসব বস্তু এক দেশ থেকে অন্য দেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।

মমির গায়ে থাকতে পারে ক্ষতিকর ছত্রাক

মমি কয়েক শ বা হাজার বছর পুরোনো হলেই সেটি জীবাণুমুক্ত হয়ে যায়, এমন ধারণা ঠিক নয়। বরং দীর্ঘদিন সংরক্ষিত থাকা কিছু দেহাবশেষের গায়ে ছত্রাক বা অন্যান্য অণুজীবের উপস্থিতি থাকতে পারে।

গবেষণার প্রধান লেখক বায়োআর্কিওলজিস্ট কির্স্টি স্কোয়ার্সের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অনলাইনে বিক্রির জন্য দেওয়া কিছু মমির নমুনায় দৃশ্যমান ছত্রাক এবং তুলার মতো অণুজীবের বৃদ্ধি দেখা গেছে।

এসব ছত্রাকের মধ্যে Aspergillus গোত্রের কিছু প্রজাতি থাকতে পারে। এদের স্পোর পরিবেশের প্রতিকূল অবস্থায় দীর্ঘদিন টিকে থাকতে সক্ষম। পরে উপযুক্ত তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা পেলে ছত্রাকের বৃদ্ধি আবার শুরু হতে পারে।

কোনো মমি পরিবহন বা নাড়াচাড়া করার সময় এর গায়ে থাকা স্পোর বাতাসে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। সেগুলো শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে কিছু মানুষের অ্যালার্জি, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা বা অন্যান্য জটিলতা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল, তাঁদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি হতে পারে।

অর্থাৎ মমি কিনে ঘরের শোকেসে সাজিয়ে রাখার শখ শুধু অস্বাভাবিক সংগ্রহের বিষয় নয়, এটি স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণও হতে পারে।

শুধু ছত্রাক নয়, থাকতে পারে বিষাক্ত রাসায়নিক

মমির সম্ভাব্য বিপদ কেবল জীবাণুতে সীমাবদ্ধ নয়। প্রাচীন মিসরে মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ধরনের পদার্থ ব্যবহার করা হতো। আবার পরবর্তী সময়ে কিছু দেহাবশেষ সংরক্ষণ বা প্রদর্শনের জন্যও রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয়েছে।

এসব নমুনায় সিসা, আর্সেনিক কিংবা পারদের মতো বিষাক্ত মৌলের উপস্থিতি থাকতে পারে। এসব পদার্থের সংস্পর্শে আসার মাত্রা ও সময়ের ওপর নির্ভর করে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সিসা স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে। আর্সেনিকের দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। পারদও স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

সমস্যা হলো, কোনো মমির গায়ে ছত্রাক দেখা না গেলেও সেটি নিরাপদ, এমন নিশ্চয়তা নেই। পরীক্ষা ছাড়া এর গায়ে কী ধরনের জীবাণু বা রাসায়নিক রয়েছে, তা বোঝা সম্ভব নয়।

গবেষকদের উদ্বেগের আরেকটি কারণ হলো, অনলাইনে বিক্রির বিজ্ঞাপনে অনেক বিক্রেতাকে কোনো ধরনের সুরক্ষাসামগ্রী ছাড়াই মমির অংশ হাতে নিতে দেখা গেছে। ফলে বিক্রেতা, ক্রেতা, প্যাকেটজাতকারী এবং পরিবহনকর্মী, সবারই ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

একসময় ইউরোপে মমি ছিল পর্যটকদের স্মারক

মমি কেনাবেচার ইতিহাস নতুন নয়। কয়েক শ বছর ধরে প্রাচীন মিসরের মমি নিয়ে ইউরোপের ধনী ও অভিজাত মানুষের মধ্যে অদ্ভুত আগ্রহ ছিল।

উনিশ শতকের শুরুতে ইউরোপে মিসরীয় সভ্যতা, পিরামিড ও ফারাওদের সমাধি নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়। মিসর ভ্রমণে গিয়ে মমি সংগ্রহ করাকে অনেক পর্যটক বিরল অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখতেন।

সে সময় কায়রো ও লুক্সরের বাজারে মমি বিক্রির দোকানও ছিল। কেউ পুরো মমি কিনতেন, আবার কেউ লাগেজে বহনের সুবিধার জন্য মাথা, হাত বা শরীরের অন্য অংশ কিনে নিতেন।

অর্থাৎ একসময় মানুষের মৃতদেহকেও পর্যটকদের সংগ্রহের বস্তুতে পরিণত করা হয়েছিল। বর্তমান সময়ে এ ধরনের বাণিজ্যকে ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি অসম্মানজনক হিসেবে দেখা হয়।

ভিক্টোরীয় যুগে হতো মমি খোলার অনুষ্ঠান

মমি নিয়ে ইউরোপের অভিজাত সমাজে একসময় আরও অদ্ভুত আয়োজন জনপ্রিয় হয়েছিল। ভিক্টোরীয় যুগে ধনী ব্যক্তিরা অতিথিদের সামনে প্রাচীন মমির কাপড় খুলে দেখানোর অনুষ্ঠান আয়োজন করতেন। ইংরেজিতে এসব আয়োজন পরিচিত ছিল ‘মমি আনর‍্যাপিং পার্টি’ নামে।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের সামনে মমির শরীর থেকে একের পর এক কাপড়ের স্তর সরানো হতো। এতে প্রাচীন দেহাবশেষের ভেতরের অবস্থা দেখার সুযোগ তৈরি হতো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিদের মমির ছোট অংশ উপহার দেওয়ার ঘটনাও ঘটত।

বর্তমান দৃষ্টিতে এমন আয়োজন মৃত মানুষের মর্যাদা ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের প্রতি চরম অসম্মানজনক। কারণ, একটি মমি কেবল পুরোনো কোনো বস্তু নয়। এটি একসময় জীবিত একজন মানুষের দেহ এবং একটি সভ্যতার ইতিহাসের অংশ।

মমির অভিশাপের গল্পের পেছনে কতটা সত্য?

মমি নিয়ে মানুষের কৌতূহলের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অভিশাপের গল্পও। ধারণা প্রচলিত রয়েছে, ফারাওদের সমাধি খুললে কিংবা তাঁদের মমি স্পর্শ করলে ভয়ংকর বিপদ নেমে আসে।

১৯২২ সালে ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ হাওয়ার্ড কার্টার মিসরের রাজা তুতানখামেনের সমাধি আবিষ্কার করেন। এই অভিযানে অর্থায়ন করেছিলেন ব্রিটিশ ধনকুবের লর্ড কারনারভন। সমাধি আবিষ্কারের প্রায় পাঁচ মাস পর ১৯২৩ সালে কারনারভনের মৃত্যু হয়।

তাঁর মৃত্যু হয়েছিল নিউমোনিয়া ও রক্তে সংক্রমণের কারণে। মশার কামড়ে হওয়া একটি ক্ষত থেকে সংক্রমণের সূত্রপাত হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে তাঁর মৃত্যুর পর সংবাদমাধ্যমে ফারাওয়ের অভিশাপের গল্প ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

লেখক আর্থার কোনান ডয়েলও এ বিষয়ে অতিপ্রাকৃত শক্তির সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন। পরে হলিউডের বিভিন্ন চলচ্চিত্রে মমির অভিশাপের গল্প জনপ্রিয়তা পায়।

তবে মমির অভিশাপের পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। প্রাচীন সমাধিতে ছত্রাক বা ক্ষতিকর অণুজীবের উপস্থিতি মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, সেটিই বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিবেচনার বিষয়।

প্রাচীন সমাধির ছত্রাক নিয়ে কেন সতর্ক বিজ্ঞানীরা?

২০০৩ সালে চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী দ্য ল্যানসেট-এ প্রকাশিত একটি চিঠিতে দুই চিকিৎসক ধারণা দিয়েছিলেন, তুতানখামেনের সমাধিতে থাকা ছত্রাকের স্পোর লর্ড কারনারভনের অসুস্থতার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁরা বিশেষভাবে Aspergillus flavus নামের একটি ছত্রাকের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।

তবে এ ব্যাখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কারনারভনের মৃত্যুর সঙ্গে সমাধির ছত্রাকের সরাসরি সম্পর্ক নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি। মশার কামড়ের ক্ষত থেকে হওয়া ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণও তাঁর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

পোল্যান্ডেও প্রাচীন সমাধি খোলার পর কয়েকজন গবেষকের অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ছত্রাকের সম্ভাব্য ভূমিকা আলোচনা হয়েছে। ১৯৭৩ সালে রাজা চতুর্থ ক্যাসিমির জাগিয়েলনের সমাধি খোলার পর অভিযানে অংশ নেওয়া কয়েকজনের মৃত্যু ঘটে। তবে তাঁদের সবার মৃত্যুর কারণ একই জীবাণু ছিল, এমন সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়।

মমি কিনে ঘরে রাখা কি নিরাপদ?

গবেষকদের অনুসন্ধান বলছে, অনলাইনে মমি বা মানুষের প্রাচীন দেহাবশেষ কেনাবেচার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও ঐতিহাসিক মর্যাদার বিষয়টি প্রায়ই উপেক্ষিত হয়। কোনো নমুনায় কী ধরনের ছত্রাক, জীবাণু বা রাসায়নিক রয়েছে, তা পরীক্ষা ছাড়া জানা সম্ভব নয়।

তাই ফেসবুক বা অন্য কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মমির মাথা কিংবা শরীরের অংশ বিক্রির বিজ্ঞাপন দেখলেই সেটিকে সাধারণ সংগ্রহযোগ্য পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। এসব দেহাবশেষের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, নিরাপদ সংরক্ষণ এবং ঐতিহাসিক মূল্যায়নের জন্য বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজন।

মমির অভিশাপ হয়তো কল্পকাহিনি। কিন্তু প্রাচীন দেহাবশেষে থাকা ছত্রাক, জীবাণু ও বিষাক্ত রাসায়নিকের সম্ভাব্য ঝুঁকি বাস্তব। ইতিহাসের নিদর্শন সংগ্রহের শখ তাই যেন নিজের বা অন্যের স্বাস্থ্যের জন্য বিপদের কারণ না হয়ে দাঁড়ায়।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস এবং ইউনিভার্সিটি অব স্ট্যাফোর্ডশায়ারের গবেষণা

সোহাগ/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন সাদমান, বড় দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশ

স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন সাদমান, বড় দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনের সকালটা বাংলাদেশের জন্য একদিকে যেমন স্বস্তির, অন্যদিকে তেমনই দুশ্চিন্তার। ...

বিগ ব্যাশে প্রথমবার মুস্তাফিজ

বিগ ব্যাশে প্রথমবার মুস্তাফিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) প্রথমবারের মতো খেলতে যাচ্ছেন ...

ফুটবল

বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা: মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে কার আধিপত্য বেশি

বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা: মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে কার আধিপত্য বেশি

স্পোর্টস ডেস্ক: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মাঠে নামার আগে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে বাংলাদেশ ও ...

অবসর ভেঙে জাতীয় দলে ফিরেছিলেন মেসি-জিদান, আরও যারা

অবসর ভেঙে জাতীয় দলে ফিরেছিলেন মেসি-জিদান, আরও যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেই যে জাতীয় দলের দরজা চিরদিনের জন্য বন্ধ ...