| ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

১০ মাসে ৭৫৪ টাকা বেড়েছে এলপিজির দাম, কারণ কী

জাতীয় ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৬ নভেম্বর ০৩ ১৮:১৮:৩৫
১০ মাসে ৭৫৪ টাকা বেড়েছে এলপিজির দাম, কারণ কী

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৩০৬ টাকা। নভেম্বর মাসে সেই দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬০ টাকা। অর্থাৎ মাত্র ১০ মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারে দাম বেড়েছে ৭৫৪ টাকা, যা প্রায় ৫৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

এলপিজির এই মূল্যবৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন বাসাবাড়ির পাশাপাশি ছোট ব্যবসার গ্রাহকেরাও। বিশেষ করে যেসব এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস নেই, সেখানে রান্নার প্রধান জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ওপর নির্ভর করতে হয়। ভোক্তাদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামেও অনেক সময় সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে ২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে।

প্রশ্ন উঠেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি, আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ নাকি ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা, কোন কারণে বাড়ছে এলপিজির দাম? বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), ব্যবসায়ী ও ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর বক্তব্যে উঠে এসেছে মূল্যবৃদ্ধির একাধিক কারণ।

১০ মাসে ৭৫৪ টাকা বেড়েছে ১২ কেজির সিলিন্ডারে

বিইআরসির নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৩০৬ টাকা। নভেম্বর মাসে তা বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৬০ টাকা ১৬ পয়সা। অর্থাৎ প্রতি সিলিন্ডারে দাম বেড়েছে ৭৫৪ টাকা ১৬ পয়সা।

নভেম্বর মাসে দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির প্রধান দুই উপাদান প্রোপেন ও বিউটেনের মূল্য বিবেচনা করেছে বিইআরসি। সংস্থাটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সৌদি আরামকোর নভেম্বর মাসের কন্ট্রাক্ট প্রাইস বা সিপি ধরে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নভেম্বরে প্রতি মেট্রিক টন প্রোপেনের দাম ৭২০ মার্কিন ডলার এবং বিউটেনের দাম ৭৮০ মার্কিন ডলার ধরা হয়েছে। এলপিজিতে প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণের অনুপাত ৩৫:৬৫ বিবেচনায় গড় কন্ট্রাক্ট প্রাইস দাঁড়িয়েছে প্রতি মেট্রিক টন ৭৫৯ মার্কিন ডলার।

আন্তর্জাতিক বাজারে কেন বাড়ছে এলপিজির দাম?

এলপিজির প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন। আন্তর্জাতিক বাজারে এই দুই উপাদানের দাম নির্ভর করে চাহিদা, সরবরাহ, উৎপাদন, জ্বালানি তেলের মূল্য এবং মৌসুমি ব্যবহারের ওপর।

এশিয়ার বাজারে এলপিজির মূল্য নির্ধারণে সৌদি আরামকোর মাসিক কন্ট্রাক্ট প্রাইস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতি মাসে প্রোপেন ও বিউটেনের জন্য আলাদা দাম ঘোষণা করে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা এলপিজির ক্ষেত্রে টেক্সাসের মন্ট বেলভিউ বাজারের মূল্যসূচকও গুরুত্বপূর্ণ।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটের দাম, উৎপাদনকারী দেশগুলোর সরবরাহ, জাহাজের প্রাপ্যতা এবং পরিবহন ব্যয় আমদানি খরচকে প্রভাবিত করে। প্রোপেন ও বিউটেনের দাম আলাদা হওয়ায় এলপিজিতে এই দুই উপাদানের মিশ্রণের অনুপাত অনুযায়ী আমদানি ব্যয় হিসাব করা হয়।

বিইআরসির তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের তুলনায় নভেম্বরে সৌদি আরামকোর কন্ট্রাক্ট প্রাইস প্রতি মেট্রিক টনে গড়ে ৪৬ দশমিক ৫০ ডলার বেড়েছে। এর প্রভাবে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম প্রায় ৭৪ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আমদানির উৎস পরিবর্তনের প্রভাব

বাংলাদেশের এলপিজি আমদানির বড় অংশই বেসরকারি অপারেটরদের মাধ্যমে আসে। একসময় মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় দেশগুলো ছিল আমদানির গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এর মধ্যে ওমান, ইরাক, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলপিজি আমদানি করা হতো।

তবে বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় পরিবর্তনের কারণে আমদানির উৎসেও পরিবর্তন এসেছে বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও আর্জেন্টিনার মতো দূরবর্তী অঞ্চল থেকে এলপিজি আনতে হচ্ছে। এতে জাহাজভাড়া, পরিবহন ব্যয় এবং আমদানির প্রিমিয়াম বেড়ে যাচ্ছে।

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সিনিয়র সহসভাপতি হুমায়ুন রশীদের বক্তব্য অনুযায়ী, সৌদি কন্ট্রাক্ট প্রাইসের বাইরে কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রতি মেট্রিক টনে ৪০০ থেকে ৫০০ ডলার পর্যন্ত প্রিমিয়াম দিয়ে এলপিজি আমদানি করতে হচ্ছে। তার দাবি, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাড়তি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে আমদানিকারকদের।

কীভাবে ১২ কেজি এলপিজির দাম ২ হাজার ৬০ টাকা হলো?

বিইআরসি আন্তর্জাতিক বাজারের কন্ট্রাক্ট প্রাইসের সঙ্গে আমদানি, পরিবহন, মজুত, বোতলজাতকরণ এবং বিক্রির বিভিন্ন খরচ যোগ করে এলপিজির খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে।

নভেম্বরের মূল্য নির্ধারণের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি কেজি এলপিজির জন্য বিভিন্ন খাতে ব্যয় যুক্ত হয়েছে এভাবে:

খরচের খাতপ্রতি কেজিতে ব্যয়
সৌদি কন্ট্রাক্ট প্রাইস অনুযায়ী খরচ ৯৩.৭১ টাকা
জাহাজভাড়া ও ট্রেডার প্রিমিয়াম ৩০.৮৭ টাকা
মূসক ৯.৩৪ টাকা
অন্যান্য আমদানি চার্জ ১.৩৭ টাকা
মজুত ও বোতলজাতকরণ চার্জ ২৩.৪৮ টাকা
ডিস্ট্রিবিউটর চার্জ ৭.০৮ টাকা
রিটেইলার চার্জ ৫.৮৩ টাকা
মোট প্রতি কেজি ১৭১.৬৮ টাকা

এই হিসাবে প্রতি কেজি এলপিজির খুচরা মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৭১ টাকা ৬৮ পয়সা। ১২ কেজির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে হিসাবটি হলো:

১৭১.৬৮ × ১২ = ২ হাজার ৬০ টাকা ১৬ পয়সা।

অর্থাৎ আমদানি মূল্য ছাড়াও জাহাজভাড়া, প্রিমিয়াম, কর, বন্দর ও অন্যান্য চার্জ, মজুত, বোতলজাতকরণ এবং পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতার কমিশন চূড়ান্ত দামের মধ্যে যুক্ত হচ্ছে।

সিলিন্ডার হাতবদলে বাড়তি খরচের অভিযোগ

এলপিজি আমদানির পর তা সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ, পরিবেশকের কাছে সরবরাহ এবং খুচরা বিক্রির মাধ্যমে ভোক্তার হাতে পৌঁছায়। প্রতিটি ধাপে পরিবহন ও পরিচালন ব্যয় রয়েছে। তবে এসব খাতে প্রকৃত ব্যয় কত এবং নির্ধারিত মূল্যের মধ্যে কোন খাতে কত টাকা যুক্ত হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

ক্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের অভিযোগ, নভেম্বর মাসে এক ধাপে ২২৩ টাকা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ীদের দাবিকে গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত দেয়। তার মতে, গণশুনানিতে কারিগরি কমিটির সুপারিশের সঙ্গে চূড়ান্ত মূল্যবৃদ্ধির পার্থক্য নিয়ে ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলমও মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গণশুনানিতে পাওয়া মতামত যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

তবে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর দাবি, পরিবহন, জাহাজভাড়া, শ্রমিকের মজুরি এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয় বেড়েছে। এসব ব্যয় বিবেচনায় নিয়েই দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ

এলপিজির দাম বাড়ার পাশাপাশি ভোক্তাদের আরেকটি বড় অভিযোগ হলো, অনেক জায়গায় বিইআরসির নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।

একজন ক্রেতার অভিযোগ, তাঁকে ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে ২ হাজার ৪০০ টাকা দিতে হয়েছে। অন্যদিকে খুচরা বিক্রেতাদের কেউ কেউ বলছেন, ডিলারদের কাছ থেকেই বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। সরবরাহে অনিয়ম এবং চালান বা মেমো না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

তবে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির দায় খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের ওপর চাপিয়েছে লোয়াব। সংগঠনটির সিনিয়র সহসভাপতি হুমায়ুন রশীদের দাবি, অপারেটররা বিইআরসির নির্ধারিত দামেই এলপিজি সরবরাহ করছেন। কিন্তু কিছু খুচরা বিক্রেতা নিজেদের পরিচালন ব্যয়ের কথা বলে অতিরিক্ত দাম দাবি করছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়।

লোয়াবের দাবি, দেশে এলপিজির মোট সরবরাহ চাহিদার তুলনায় বেশি। সংগঠনটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যেখানে মাসিক চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার টন, সেখানে সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার টন। তবে শ্রমিক আন্দোলনসহ কিছু কারণে নির্দিষ্ট এলাকায় সাময়িক সরবরাহ সমস্যা হতে পারে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

এলপিজির বাজার নিয়ন্ত্রণে কী করা প্রয়োজন?

বাংলাদেশে ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। বর্তমানে দেশে এলপিজি আমদানির অনুমোদনপ্রাপ্ত কোম্পানি রয়েছে ৩৫টি। তবে আমদানির অবকাঠামোগত সক্ষমতা রয়েছে ২৩টি প্রতিষ্ঠানের। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরে এলপিজি আমদানি করেছে মাত্র ১০টি প্রতিষ্ঠান।

অর্থনীতিবিদ মাজেদুল হকের মতে, বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানো জরুরি। তাঁর পরামর্শ, আমদানিকারকের সংখ্যা বাড়াতে পারলে বাজারে প্রতিযোগিতা তৈরি হবে এবং অল্প কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা কমবে।

এ ছাড়া বাজারে নিয়মিত নজরদারি, সরবরাহ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভোক্তাদের স্বার্থে শুধু দাম নির্ধারণ করলেই হবে না, সেই দামে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আমদানি থেকে খুচরা বিক্রি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের ব্যয় ও কমিশনের হিসাব স্বচ্ছ করা প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে এলপিজির দাম বাড়ার পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য, ডলারের বিনিময় হার, জাহাজভাড়া, আমদানি প্রিমিয়াম এবং দেশের ভেতরের সরবরাহ ও বিপণন ব্যয় ভূমিকা রাখছে। তবে এসব ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও বাজারে নির্ধারিত দামের বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত না হলে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়বে সাধারণ ভোক্তার ওপর।

সোহাগ/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

বিগ ব্যাশে দল পাচ্ছেন মুস্তাফিজ, খেলবেন যে দলে

বিগ ব্যাশে দল পাচ্ছেন মুস্তাফিজ, খেলবেন যে দলে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে অস্ট্রেলিয়ার ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নতুন খবর সামনে এসেছে। ...

লিটন-মিরাজের শতরানের জুটিতে লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের লিড ৪৪৩

লিটন-মিরাজের শতরানের জুটিতে লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের লিড ৪৪৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন বাংলাদেশের লিটন দাস। ...

ফুটবল

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর সূচি প্রকাশ, ৫ নভেম্বর শুরু

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর সূচি প্রকাশ, ৫ নভেম্বর শুরু

ক্রীড়া প্রতিবেদক: ফুটবলপ্রেমীদের বহুল প্রতীক্ষিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ এর গ্রুপ পর্বের ম্যাচের আনুষ্ঠানিক সূচি প্রকাশিত হয়েছে। ...

ব্যালন ডি’অর জিতে কত টাকা পান হ্যারি কেইন

ব্যালন ডি’অর জিতে কত টাকা পান হ্যারি কেইন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যালন ডি’অর ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার। এই ট্রফি জেতা মানে শুধু মাঠের ...