| ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩

আশা ইসলাম

রিপোর্টার

মুমিন বান্দাদেরকে আল্লাহ ৫ কারনে বেশি বিপদ-আপদ দেন

ধর্ম ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৬ জানুয়ারি ১৪ ১২:০১:৪৯
মুমিন বান্দাদেরকে আল্লাহ ৫ কারনে বেশি বিপদ-আপদ দেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: পৃথিবীতে যাদের ঈমান যত বেশি দৃঢ়, তাদের ওপর পরীক্ষা বা বিপদ-আপদ যেন ততটাই বেশি আসে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—নবী-রাসূল এবং আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের জীবনেই সবচেয়ে কঠিন সব পরীক্ষা এসেছে। অনেকে মনে করেন, বিপদ মানেই হয়তো আল্লাহর অসন্তুষ্টি। কিন্তু ইসলামি দর্শনে এর পেছনে রয়েছে গভীর আধ্যাত্মিক উদ্দেশ্য ও মহৎ হিকমত।

বিপদ সবার জন্যই, তবে মুমিনের জন্য ভিন্ন

রোগ-শোক, অভাব বা প্রিয়জনকে হারানো—এসব জাগতিক নিয়ম। তবে মুমিনের জন্য এসব বিপদ অনেকটা সাবানের মতো, যা তার পাপরাশি ধুয়ে-মুছে তাকে পবিত্র করে দেয়। রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, সবচেয়ে বেশি বিপদগ্রস্ত কারা? তিনি উত্তরে বলেছিলেন, ‘নবীগণ, অতঃপর তাদের নিকটবর্তী নেককার বান্দাগণ। মানুষ তার দ্বীনের দৃঢ়তা অনুযায়ী পরীক্ষার সম্মুখীন হয়।’

মুমিনদের বিপদের সম্মুখীন হওয়ার প্রধান ৫টি কারণ

১. ঈমানের পরীক্ষা ও পরিশুদ্ধি

আল্লাহ দেখতে চান কারা মুখে ঈমানের দাবি করার পাশাপাশি বিপদে ধৈর্য ধরে সত্যবাদী প্রমাণ করেন। কোরআনে এরশাদ হয়েছে—‘মানুষ কি মনে করে যে, তারা ঈমান এনেছি বললেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে, আর তাদের পরীক্ষা করা হবে না?’ (সূরা আনকাবুত: ২-৩)।

২. গুনাহ মোচন

বিপদ-আপদ মুমিনের অতীতের ছোট-বড় অনেক গুনাহ মাফ করে দেয়। রাসূল (সা.) বলেছেন, একজন মুমিনের পায়ে যদি একটি কাঁটা ফোটে, তার বিনিময়েও আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।

৩. আল্লাহর পথে ফিরে আসা

দুনিয়ার মোহে পড়ে মানুষ যখন আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তখন ছোটখাটো বিপদ দিয়ে আল্লাহ তাকে আবার নিজের দিকে ফিরিয়ে আনেন। এটি মূলত বান্দার প্রতি আল্লাহর এক ধরনের করুণা।

৪. ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতার পরীক্ষা

ক্ষুধা, ভয় বা সম্পদের ক্ষতির মাধ্যমে আল্লাহ বান্দার ধৈর্যের পরীক্ষা নেন। যারা এই কঠিন সময়ে ‘ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়ে ধৈর্য ধরে, আল্লাহ তাদের জন্য জান্নাতে বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন।

৫. পরকালে উচ্চ মর্যাদা দান

কখনো কখনো জান্নাতে কোনো বান্দার জন্য আল্লাহ এমন উচ্চ মর্যাদা লিখে রাখেন, যা সে কেবল আমল দিয়ে অর্জন করতে পারে না। তখন আল্লাহ তাকে পার্থিব কষ্টের মাধ্যমে সেই উচ্চতর অবস্থানে পৌঁছে দেন।

বিপদ দেখে হতাশ হওয়া মুমিনের কাজ নয়। পবিত্র কোরআনের অভয়বাণী হলো—‘নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গেই রয়েছে স্বস্তি’ (সূরা আলাম নাশরাহ: ৫)। তাই মুমিনের উচিত যেকোনো বিপদে বিচলিত না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা এবং ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা।

আশা/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

কলকাতায় যোগ দিচ্ছেন পাথিরানা!

কলকাতায় যোগ দিচ্ছেন পাথিরানা!

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের (এসএলসি) বাধ্যতামূলক ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পেয়েছেন তরুণ ...

দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে বড় সুসংবাদ

দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে বড় সুসংবাদ

জ্বালানি সংকটে স্বস্তির খবর: চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাল ডিজেলের বড় দুটি জাহাজ নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির ...

ফুটবল

বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার শক্তিশালী দল ঘোষণা

বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার শক্তিশালী দল ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র দুই মাস। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে ...

বিশ্বকাপের অনিশ্চিত ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো

বিশ্বকাপের অনিশ্চিত ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র দুই মাস আগে বড় ধরনের দুঃসংবাদ পেল বর্তমান ...