সোহাগ আহমদে
সিনিয়র রিপোর্টার
সেভেন সিস্টার্সের পতনের কাজ কি শুরু!
সেভেন সিস্টার্স ও পরেশ বড়ুয়া ইস্যু: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ঘনীভূত হচ্ছে নতুন ভূ-রাজনৈতিক সংকট
নিজস্ব প্রতিবেদক: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য বা 'সেভেন সিস্টার্স' নিয়ে সম্প্রতি ছাত্রনেতা হাসনাত আবদুল্লাহর একটি হুঁশিয়ারি এবং ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলোর কিছু চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন দুই দেশের কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম 'এই সময়' ও 'আনন্দবাজার'-এর দাবি অনুযায়ী, উলফা-র সামরিক প্রধান পরেশ বড়ুয়া বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন, যা ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ভাবিয়ে তুলেছে।
পরেশ বড়ুয়া কি সত্যিই বাংলাদেশে
ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে 'এই সময়' পত্রিকা দাবি করেছে, বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই-এর সহায়তায় টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে পরেশ বড়ুয়াকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাকে ঢাকার বনানীতে একটি 'সেফ হাউসে' রাখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে উলফার সাবেক নেতা অনুপ চেটিয়া এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তার মতে, বাংলাদেশে পরেশ বড়ুয়ার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড থাকায় তিনি এমন ঝুঁকি নেবেন না।
হাসনাত আবদুল্লাহর হুংকার ও ভারতের প্রতিক্রিয়া
গত ১৫ ডিসেম্বর হাসনাত আবদুল্লাহ হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, ভারত যদি আওয়ামী লীগের নেতাদের ফেরত না দেয় বা বাংলাদেশের স্বার্থে আঘাত হানে, তবে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের বাংলাদেশে ডেকে এনে সেভেন সিস্টার্সকে অস্থিতিশীল করা হবে। এই বক্তব্যের পর থেকেই ভারতের সংবাদমাধ্যম এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে। ভারতের ধারণা, শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেন নেক’ বিচ্ছিন্ন করার কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই পরেশ বড়ুয়াকে সক্রিয় করা হতে পারে।
জুলকারনাইন শায়েরের আশঙ্কাজনক বিশ্লেষণ
এদিকে আলোচিত সাংবাদিক জুলকারনাইন শায়ের এক বিশ্লেষণে দাবি করেছেন, বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার প্রক্রিয়া চলছে। তার মতে, সিভিল ও মিলিটারি প্রশাসন বর্তমানে আন্তর্দেশীয় ভূ-রাজনীতির খেলায় এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর উত্থান এবং প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে তাদের অনুপ্রবেশ দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সার্বভৌমত্বের ওপর সম্ভাব্য হুমকি
বিশ্লেষকদের মতে, যদি কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলাদেশের যোগসূত্র ভারত বা আন্তর্জাতিক মহলে স্পষ্ট হয়, তবে ভারত নিরাপত্তার অজুহাতে 'সার্জিক্যাল স্ট্রাইক' বা সামরিক হস্তক্ষেপের মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ খুঁজতে পারে। পাকিস্তান বা মিয়ানমারে ভারতের অতীত কর্মকাণ্ড এমন আশঙ্কার জন্ম দিচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। উগ্রতা পরিহার করে কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও ধৈর্য্যের মাধ্যমেই এই ভূ-রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- পে-স্কেল: জানুয়ারিতেই সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণ
- নবম পে-স্কেল: ২০ গ্রেডই বহাল, বেতন কত বাড়ল
- নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত: বেতন সর্বোচ্চ ১ লাখ ২০ হাজার সর্বনিম্ন কত
- আবারও পে স্কেল নিয়ে কমিশনের নতুন সিদ্ধান্ত
- নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ল যত কোটি টাকা
- আজকের সোনার বাজারদর: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
- আজকের সোনার বাজারদর: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
- চলছে জামাতের আসন ঘোষণা, (Live) দেখুন এখানে
- চাকরিজীবীদের জন্য ৬ দিনের ছুটির সুযোগ
- কেজিতে ২৫ টাকা বাড়ল পেঁয়াজের দাম
- সরকারি চাকুরের জন্য সুখবর: দুই দফায় ৬ দিনের টানা ছুটি
- এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬; রুটিন দেখুন এক ক্লিকে
- ২৫৩ আসনে সমঝোতা ঘোষণা, জামায়াত-চরমোনাই কত
- লাফিয়ে বাড়ল সয়াবিন তেল ও চিনির দাম
- বেতন কমিশনের প্রতিবেদন জমা হবে ২১ জানুয়ারি: যা জানা গেলো
