এবাদতের ফিল্ডিং দুশ্চিন্তার অন্যতম কারণ
বছর খানেক আগেও দেশের লাল বলের ক্রিকেটে নিজের জায়গা নিয়ে শঙ্কায় থাকা ক্রিকেটারটি এখন প্রায় সব সংস্করণেই খেলছেন। মূলত বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত স্পেলটি বদলে দিয়েছে এবাদতের ভাগ্য। মাত্র ১২ বলের মধ্যে ৪ কিউই ব্যাটারকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান তিনি। এবাদতের গতি সুইং কোনো কিছুরই যেন জবাব ছিল না কিউই ব্যাটারদের কাছে।
এই পারফরমেন্সের পর থেকেই টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থা এই পেস বোলারের উপর বৃদ্ধি পেয়েছিল। পরবর্তীতে ওয়ানডে দলে সুযোগ পান এবাদত। তবে টেস্টের মতো ওয়ানডেতে পারফর্ম করতে এতটা সময় লাগাননি এই ক্রিকেটার। দেশের মাটিতে ভারতকে পেয়েই সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে যথাক্রমে চার এবং তিন উইকেট শিকার করে দলের জয়ে অবদান রাখেন। টেস্টও এখন নিয়মিতই উইকেট পাচ্ছেন এই গতি তারকা।
বর্তমানে দেশের সবচেয়ে গতিময় বোলার তিনিই। ঘন্টায় ১৪৭ কিলোমিটার গতিতেও বোলিং করার সক্ষমতা রয়েছে এই পেসারের। বোলিংয়ের হিসাব করা হলে এখন পর্যন্ত সবকিছু ঠিকই রয়েছে। তবে সমস্যা দেখা গিয়েছে এবাদতের ফিল্ডিংয়ে, জাতীয় দলে খেলা একটি ক্রিকেটারের ফিল্ডিং যেরকম হওয়া উচিত এবাদতের তার ধারে কাছেও নেই। টেস্ট ক্রিকেটে বেশ কয়েকবার সহজ ক্যাচ মিস করতে দেখা গিয়েছে এই পেসারকে।
ভারত সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতেও ক্যাচ মিস করেন তিনি, তবে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত জিততে পারায় এবাদতের ক্যাচ মিসটি ওভাবে আলোচনায় আসেনি। দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও একই ভুল করে বসেন এবাদত। ম্যাচে চাপের মুহুর্তে রোহিত শর্মার ক্যাচ ছাড়েন তিনি। এবাদতের ক্যাচ ছাড়ার ফলে ম্যাচটি প্রায় হেরেই গিয়েছিল টাইগাররা, মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে যদিও শেষ পর্যন্ত জয়ী হিসেবেই মাঠ ছেড়েছে টাইগাররা। নিজের ভুল থেকে শিক্ষা না নিয়ে চট্টগ্রামে ভারতের বিপক্ষে টেস্টে আবারও একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করেন এই পেস বোলার।
বাউন্ডারি লাইনে শ্রেয়াস আইয়ারের সহজ ক্যাচ ছাড়েন তিনি। ফলস্রুতিতে ম্যাচে বেশ পিছিয়ে পড়ে টাইগাররা। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই ফিল্ডিংয়ে কিছু না কিছু ভুল করছে এবাদত। মূলত জাতীয় দলে খেলা একটি ক্রিকেটারের যেভাবে বড় হওয়া উচিত সেভাবে বড় হয়নি এবাদত। খুব অল্প সময়ে ক্রিকেটে ব্যয় করে সাফল্য পেয়ে যান এবাদত, নিজের বিশেষ বোলিং প্রতিভার কারনে খুব একটা পরিশ্রম করা লাগেনি এই ক্রিকেটারের।
ক্রিকেট মাঠে তুলনামূলক কম সময় ব্যয় করার ফলেই ফিল্ডিং এবং অন্যান্য বেসিকে বেশ ঘাটতি রয়ে গিয়েছে এবাদতের। এবাদতের বর্তমান ফিল্ডিংয়ের বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, তার বডি মুভমেন্ট, ফ্লেক্সিবিলিটি এবং রিঅ্যাকশন স্কিলসে মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে। এ ধরনের ঘাটতি নিয়ে আর যা করাই সম্ভব হোক না কেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিল্ডিং করা সম্ভব নয়। শতকরা ৫০ শতাংশ সম্ভাবনা থাকবে এবাদতের কাছে ক্যাচ গেলে সেটি মিস হওয়ার।
নিশ্চয়ই এত বড় ঝুঁকি নেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয় টিম বাংলাদেশের জন্য। টেস্ট ক্রিকেটে একটি সুযোগ তৈরি করার জন্যই বলের পর বল করে যেতে হয় টাইগারদের, সেখানে এভাবে হেলায় সুযোগ হারানো কোনোভাবেই বোধগম্য নয়। অর্থাৎ নিজের ফিল্ডিংয়ের বিস্তরভাবে উন্নতি ঘটাতে হবে এবাদতের। নিজের অনুশীলনের অধিকাংশ সময় ফিল্ডিংয়ে ব্যয় করতে হবে এই পেসারের।
প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ ফিল্ডিং কোচের শরণাপন্ন ও হতে পারেন এই ক্রিকেটার। তবে যেভাবেই হোক নিজের ফিল্ডিংকে আরো অনেক উপরের পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে এবাদতের। তা না হলে অচিরেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ছিটকে পড়বেন এই গতি তারকা।
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ২৪ মে ২০২৬
- আজকের সোনার বাজারদর: ২৪ মে ২০২৬
- বিশ্বকাপে কোচদের দাপটে শীর্ষে আর্জেন্টিনা, দ্বিতীয় স্থানে ফ্রান্স
- সোমবার থেকে টানা ঈদের ছুটি শুরু, যারা পাবেন না ছুটি
- দুপুরের আগেই ৪ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা
- নতুন পে-স্কেল: কার কত বাড়ছে বেতন, কোন গ্রেডে কত সুবিধা
- দেশের বাজারে আজ একভরি সোনার
- আজকের সোনার বাজারদর: ২৫ মে ২০২৬
- হোয়াইট হাউসের কাছে গোলাগুলি, যা জানা গেল
- পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ২৪, আহত বহু
- চোটের ধাক্কায় বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় বদল আনছে আর্জেন্টিনা
- কোরবানির চামড়া নিয়ে বড় সুখবর
- সীমান্তে ভয়াবহ মাইন বিস্ফোরণ, প্রাণ গেল ৩ বাংলাদেশির
- বাজারে সরাসরি সয়াবিন তেল বিক্রি করবে টিসিবি, লিটারে মিলবে ১৪ টাকা কমে
- যেসব যাত্রীর জন্য ট্রেন ভাড়ায় ২৫% ছাড়!
