| ঢাকা, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

নন-গেজেটেড কর্মচারীদের পদোন্নতি, কোন দপ্তরে কত বছর লাগে

জাতীয় ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ১৯:৫৪:৩৬
নন-গেজেটেড কর্মচারীদের পদোন্নতি, কোন দপ্তরে কত বছর লাগে

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর কর্মচারীদের অন্যতম প্রত্যাশা থাকে পদোন্নতি। তবে বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে নন-গেজেটেড কর্মচারীদের পদোন্নতির সুযোগ এক রকম নয়। কোনো দপ্তরে নির্দিষ্ট পদ থেকে উচ্চতর পদে যেতে পাঁচ বছরের চাকরিকালের শর্ত রয়েছে, আবার কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজন হতে পারে সাত বছর বা তার বেশি অভিজ্ঞতা।

বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিধিমালা নিয়ে তৈরি একটি তথ্যভান্ডারে এসব পদোন্নতির শর্ত, পদের গ্রেড, প্রয়োজনীয় চাকরিকাল ও পরবর্তী পদ সম্পর্কে তথ্য সংকলন করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, একই ধরনের পদে কর্মরত হলেও প্রতিষ্ঠানভেদে কর্মচারীদের পদোন্নতির সুযোগ ও যোগ্যতায় পার্থক্য রয়েছে।

তবে কোন প্রতিষ্ঠানে পদোন্নতির সুযোগ সবচেয়ে বেশি, তা নির্ধারণ করতে শুধু চাকরিকালের তুলনা যথেষ্ট নয়। পদোন্নতির কোটা, অনুমোদিত পদ, শূন্যপদ, জ্যেষ্ঠতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতাও বিবেচনায় নিতে হয়।

বিভিন্ন দপ্তরের নিয়োগ বিধিমালায় কী তথ্য পাওয়া যাচ্ছে?

সরকারি চাকরিতে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদভিত্তিক যোগ্যতা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিধিমালা বা চাকরি প্রবিধানমালায় নির্ধারিত থাকে। এসব বিধিমালায় কোন পদ থেকে কোন পদে পদোন্নতি দেওয়া যাবে, কত বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা লাগবে এবং কী ধরনের যোগ্যতা প্রয়োজন, তা উল্লেখ থাকে।

সংকলিত তথ্যভান্ডারে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কার্যালয়, বাহিনী, সংস্থা এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নিয়োগ বিধিমালা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সচিবালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, নির্বাচন কমিশন, খাদ্য অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য বিভাগ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ডাক অধিদপ্তর, বাংলাদেশ রেলওয়ে, গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর।

এ ছাড়া বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, সোনালী ব্যাংক, রাজউক, সাধারণ বীমা করপোরেশন, খুলনা ও চট্টগ্রাম ওয়াসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরি প্রবিধানমালার তথ্যও রয়েছে।

তথ্যভান্ডারে সংশ্লিষ্ট বিধিমালার পিডিএফ বা ডাউনলোড লিংক যুক্ত করা হয়েছে। ফলে কর্মচারীরা সংকলিত তথ্যের পাশাপাশি মূল নথি দেখেও প্রয়োজনীয় শর্ত যাচাই করতে পারবেন।

অফিস সহায়ক থেকে পদোন্নতির সুযোগ কোথায়?

সরকারি দপ্তরগুলোতে অফিস সহায়ক একটি পরিচিত নন-গেজেটেড পদ। সাধারণত ২০তম গ্রেডের এই পদ থেকে উচ্চতর পদে যাওয়ার সুযোগ কর্মচারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যভান্ডারে বাংলাদেশ সচিবালয়ের ২০১৪ সালের নিয়োগ বিধিমালা এবং ২০২০ সালের সংশোধনীসংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে অফিস সহায়ক থেকে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে পদোন্নতির একটি উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের চাকরিকাল এবং কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষতার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তবে সংকলিত তথ্যে পাঁচ ও ছয় বছরের ভিন্ন উল্লেখ থাকায় মূল বিধিমালার তফসিল যাচাই করা জরুরি।

অর্থাৎ, পাঁচ বছর চাকরি করলেই প্রত্যেক অফিস সহকারীর পদোন্নতি নিশ্চিত হবে, এমন নয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যকর নিয়োগ বিধিমালা, পদোন্নতির কোটা, শূন্যপদ ও অন্যান্য যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরে কোন পদ থেকে কত বছরে পদোন্নতির সুযোগ?

তথ্যভান্ডারে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কয়েকটি পদের পদোন্নতির উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন পদ থেকে সহকারী সমাজসেবা অফিসার পদে যাওয়ার জন্য পাঁচ বা সাত বছরের চাকরিকালের তথ্য উল্লেখ রয়েছে।

বর্তমান পদসম্ভাব্য পদোন্নতির পদউল্লেখিত চাকরিকাল
অডিটর সহকারী সমাজসেবা অফিসার ৫ বছর
সাঁটলিপিকার সহকারী সমাজসেবা অফিসার ৫ বছর
কম্পিউটার অপারেটর সহকারী সমাজসেবা অফিসার ৫ বছর
প্রধান সহকারী সহকারী সমাজসেবা অফিসার ৭ বছর
উচ্চমান সহকারী সহকারী সমাজসেবা অফিসার ৭ বছর
হিসাবরক্ষক সহকারী সমাজসেবা অফিসার ৭ বছর
ফিল্ড সুপারভাইজার সহকারী সমাজসেবা অফিসার ৭ বছর

এ ছাড়া সমাজকর্মী পদ থেকে ফিল্ড সুপারভাইজার পদে পদোন্নতির একটি উদাহরণ রয়েছে। সেখানে পাঁচ বছরের চাকরিকালের ভিত্তিতে মোট পদের ৭০ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্যভান্ডারে এ ক্ষেত্রে ২০১৩ সালের সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিয়োগ বিধিমালার তফসিলের ৩৪ পৃষ্ঠার উল্লেখ রয়েছে।

তবে এসব তথ্যের ভিত্তিতে পদোন্নতি নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট বিধিমালার সর্বশেষ সংশোধনী, পদোন্নতির কোটা, শূন্যপদ ও অন্যান্য শর্ত মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অফিস সহকারী থেকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হওয়ার সুযোগ

অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদ থেকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে পদোন্নতির একটি উদাহরণও তথ্যভান্ডারে তুলে ধরা হয়েছে।

এতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ ধরনের পদোন্নতির নজির থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২০ সালের সংশোধনী অনুযায়ী ১৩তম থেকে ১৬তম গ্রেডের পদ থেকে ১০ম থেকে ১২তম গ্রেডের পদে পদোন্নতির সুযোগের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

তবে এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় চাকরিকাল, পদোন্নতির কোটা ও অন্যান্য শর্ত যাচাই করা প্রয়োজন।

একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো পদ থেকে পদোন্নতির সুযোগ থাকলেই অন্য প্রতিষ্ঠানের একই পদে কর্মরত কর্মচারী সেই সুবিধা পাবেন, এমন নয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়োগ বিধিমালাই এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

কোন পদে কত গ্রেড ও মূল বেতন?

তথ্যভান্ডারে বিভিন্ন সরকারি পদের গ্রেড, প্রাথমিক মূল বেতন ও শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্যও সংকলন করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে কয়েকটি পদের তথ্য নিচে দেওয়া হলো।

পদের নামউল্লেখিত গ্রেডপ্রাথমিক মূল বেতন
অফিস সহায়ক ২০তম ৮,২৫০ টাকা
অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ১৬তম ৯,৩০০ টাকা
হিসাব সহকারী ১৬তম ৯,৩০০ টাকা
উচ্চমান সহকারী ১৪তম ১০,২০০ টাকা
হিসাবরক্ষক ১৩তম ১১,০০০ টাকা
অডিটর ১১তম ১২,৫০০ টাকা
প্রশাসনিক কর্মকর্তা ১০ম ১৬,০০০ টাকা
কম্পিউটার অপারেটর ১৪তম ১০,২০০ টাকা

এগুলো তথ্যভান্ডারে সংকলিত বেতন কাঠামোর উদাহরণ। কোনো প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অনুমোদিত পদবিন্যাস বা কার্যকর বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশ ও বিধিমালা যাচাই করতে হবে।

একই পদের পদোন্নতির নিয়ম আলাদা কেন?

সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজের ধরন, জনবল কাঠামো ও প্রশাসনিক প্রয়োজন আলাদা। এ কারণে নিয়োগ বিধিমালাও প্রতিষ্ঠানভেদে ভিন্ন হতে পারে।

অফিস সহায়ক, অফিস সহকারী, উচ্চমান সহকারী, হিসাবরক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটরের মতো পদ অনেক প্রতিষ্ঠানে থাকলেও এসব পদ থেকে পদোন্নতির সুযোগ এক নয়।

কোনো প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট পদ থেকে উচ্চতর পদে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও অন্য প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের পদ থেকে সেই সুযোগ নাও থাকতে পারে। কোথাও পদোন্নতির জন্য পাঁচ বছরের চাকরিকাল প্রয়োজন, আবার কোথাও সাত বছর বা অন্য কোনো শর্ত থাকতে পারে।

তাই অন্য প্রতিষ্ঠানের পদোন্নতির উদাহরণ দেখে নিজের প্রতিষ্ঠানে একই সুবিধা পাওয়া যাবে বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

পুরোনো নিয়োগ বিধিমালা নয়, সর্বশেষ সংশোধনী যাচাই জরুরি

বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিধিমালা সময়ের সঙ্গে সংশোধন করা হয়। তথ্যভান্ডারে একই প্রতিষ্ঠানের পুরোনো ও নতুন বিধিমালা পাশাপাশি রাখার তথ্য রয়েছে।

যেমন, বাংলাদেশ সচিবালয়ের ২০০৬ ও ২০১৪ সালের নিয়োগ বিধিমালা এবং ২০২০ সালের সংশোধনীসংক্রান্ত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৯৮৫ সালের বিধিমালার পাশাপাশি ২০২০ সালের বিধিমালার তথ্যও রয়েছে।

এ কারণে পদোন্নতি বা চাকরিসংক্রান্ত সুবিধা জানতে শুধু পুরোনো বিধিমালার ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। সর্বশেষ কার্যকর বিধিমালা, সংশোধনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশ যাচাই করা প্রয়োজন।

নিজের পদ অনুযায়ী পদোন্নতির তথ্য জানবেন যেভাবে

সংকলিত তথ্যভান্ডারের একটি সুবিধা হলো, ব্যবহারকারীরা নিজেদের পদের নাম ধরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিধিমালা ও পদোন্নতির তথ্য খুঁজতে পারবেন।

এতে রয়েছে:

  • বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিধিমালার তালিকা ও পিডিএফ লিংক।

  • পদের নাম অনুসারে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা খোঁজার সুবিধা।

  • বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের একই ধরনের পদের পদোন্নতির তথ্য তুলনা।

  • নতুন প্রতিষ্ঠানের পদোন্নতির তথ্য যুক্ত করার সুযোগ।

  • সাধারণ পদগুলোর জন্য অভিন্ন নিয়োগ বিধিমালার প্রস্তাব ও বিশ্লেষণ।

তবে তথ্যভান্ডারে কোনো পদের জন্য সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা পদোন্নতির পথ দেখানো হলে সেটিকে চূড়ান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। মূল নিয়োগ বিধিমালার তফসিল দেখে তথ্য নিশ্চিত করতে হবে।

অভিন্ন নিয়োগ বিধিমালা হলে কী পরিবর্তন আসতে পারে?

তথ্যভান্ডারে সরকারি নন-গেজেটেড কর্মচারীদের জন্য একটি অভিন্ন নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়নের প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামোতে সাধারণ পদগুলোর জন্য অভিন্ন নিয়ম এবং বিশেষায়িত পদের জন্য পৃথক তফসিল রাখার কথা বলা হয়েছে।

এ ধরনের কাঠামো করা হলে নিয়োগ, বয়স, পরীক্ষা, জ্যেষ্ঠতা, প্রশিক্ষণ ও পদোন্নতির সাধারণ নিয়ম একটি কাঠামোর আওতায় আনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

অন্যদিকে অফিস সহায়ক, অফিস সহকারী, উচ্চমান সহকারী, হিসাবরক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটরের মতো পদগুলোর জন্য পৃথক তফসিলে গ্রেড, যোগ্যতা, পদোন্নতির পদ, চাকরিকাল ও কোটা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

তবে এটি তথ্যভান্ডারে তুলে ধরা একটি প্রস্তাব। অভিন্ন নিয়োগ বিধিমালা কার্যকর হয়েছে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত হিসেবে একে উপস্থাপন করা যাবে না।

পদোন্নতির সুযোগ জানতে সরকারি কর্মচারীদের করণীয়

নিজের পদ থেকে পরবর্তী পদে যাওয়ার সুযোগ জানতে কর্মচারীদের প্রথমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ কার্যকর নিয়োগ বিধিমালা সংগ্রহ করতে হবে।

এরপর কয়েকটি বিষয় যাচাই করা জরুরি:

১. নিজের পদের জন্য কোন পদকে পদোন্নতির ফিডার পদ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

২. পদোন্নতির জন্য কত বছরের চাকরিকাল প্রয়োজন।

৩. শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণের শর্ত কী।

৪. পদোন্নতির জন্য কত শতাংশ কোটা নির্ধারিত রয়েছে।

৫. সংশ্লিষ্ট উচ্চতর পদে অনুমোদিত শূন্যপদ আছে কি না।

৬. বিধিমালার সর্বশেষ সংশোধনী বা সরকারি আদেশ কী বলছে।

মনে রাখতে হবে, প্রয়োজনীয় চাকরিকাল পূর্ণ হলেই পদোন্নতি নিশ্চিত হয় না। জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা, শূন্যপদ, পদোন্নতির কোটা ও বিধিমালায় নির্ধারিত অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হয়।

তাই সরকারি নন-গেজেটেড কর্মচারীদের পদোন্নতির সুযোগ তুলনা করতে হলে শুধু কত বছর চাকরি করতে হবে, তা নয়; সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ নিয়োগ বিধিমালা যাচাই করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

নন-গেজেটেড নিয়োগ বিধিমালা ডাটাবেইজ

সোহাগ/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

বিগ ব্যাশে দল পাচ্ছেন মুস্তাফিজ, খেলবেন যে দলে

বিগ ব্যাশে দল পাচ্ছেন মুস্তাফিজ, খেলবেন যে দলে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে অস্ট্রেলিয়ার ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নতুন খবর সামনে এসেছে। ...

বিগ ব্যাশে প্রথমবার মুস্তাফিজ

বিগ ব্যাশে প্রথমবার মুস্তাফিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) প্রথমবারের মতো খেলতে যাচ্ছেন ...

ফুটবল

ব্রাজিল বনাম জাপান ম্যাচ কবে, কখন ও কোথায়? দেখে নিন সময়

ব্রাজিল বনাম জাপান ম্যাচ কবে, কখন ও কোথায়? দেখে নিন সময়

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ব্রাজিল ও জাপান। আগামী ১৪ নভেম্বর ২০২৬, ...

ব্যালন ডি’অর জিতে কত টাকা পান হ্যারি কেইন

ব্যালন ডি’অর জিতে কত টাকা পান হ্যারি কেইন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যালন ডি’অর ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার। এই ট্রফি জেতা মানে শুধু মাঠের ...