মরিয়মের চিরকুটের হাতের লেখা নিয়ে যা বললেন গবেষক
নিজস্ব প্রতিবেদক: সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের নামে প্রকাশ্যে আসা কয়েকটি চিরকুটের হাতের লেখা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চিরকুটগুলোর লেখায় কিছু পার্থক্য দেখা গেলেও প্রাথমিকভাবে এগুলো অন্য কারও লেখা হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন হস্তাক্ষর বিশ্লেষক ও ফরেনসিক সাইকোলজিস্ট মো. মিরাজ হোসেন।
তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, শুধু প্রকাশ্যে আসা চিরকুট দেখে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। মরিয়ম খাতুনের আগের সময়ের নির্ভরযোগ্য হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করে তুলনামূলক ফরেনসিক পরীক্ষা করলেই এ বিষয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব।
চিরকুটে লেখার পার্থক্য কেন?
মিরাজ হোসেন জানান, তিনি প্রকাশ্যে আসা চিরকুটগুলো দেখেছেন। এর মধ্যে একটি পাতায় ১২ জুলাইয়ের তারিখ রয়েছে। চিঠিগুলোতে কালো ও লাল—দুই ধরনের কালি ব্যবহার করা হয়েছে এবং লেখার ধরনেও কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়।
তবে একই ব্যক্তির হাতের লেখায় সময়, পরিস্থিতি ও লেখার পরিবেশের কারণে পরিবর্তন আসতে পারে। তাই শুধু লেখার ধরনে পার্থক্য থাকলেই সেটি ভিন্ন ব্যক্তির লেখা—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।
কালো ও লাল কালির লেখায় অমিল
বিশেষজ্ঞের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কালো ও লাল কালিতে লেখা অংশের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। জুলাইয়ের লেখাগুলো তুলনামূলকভাবে সোজা এবং কোথাও কোথাও কাটাকাটি ও ওভাররাইটিংয়ের বৈশিষ্ট্য দেখা গেছে।
অন্য একটি চিরকুটে লম্বা দাগ টানা এবং লেখার শেষের দিকে অক্ষরের আকার কিছুটা বড় হওয়ার বিষয়ও লক্ষ্য করা হয়েছে। এসব পরিবর্তন লেখার সময়কার পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
হাতের লেখায় ‘আর্কেড কানেকশন’
মিরাজ হোসেনের পর্যবেক্ষণে কালো কালির লেখায় ‘আর্কেড কানেকশন’ বা অক্ষরের ওপরের দিকে সংযোগের একটি বৈশিষ্ট্য দেখা গেছে। একই সঙ্গে লেখার বাম পাশের মার্জিন বা শুরুর অবস্থানেও কিছুটা অসামঞ্জস্য রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
তবে এসব বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে লেখকের মানসিক অবস্থা বা আচরণ সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। হাতের লেখার পরিবর্তন নানা পরিস্থিতিতেই হতে পারে।
চূড়ান্তভাবে কীভাবে জানা যাবে?
চিরকুটগুলো মরিয়ম খাতুনেরই লেখা কি না, তা নিশ্চিত করতে তার আগের সময়ের হাতের লেখার নির্ভরযোগ্য নমুনা প্রয়োজন। স্বাভাবিক অবস্থায় লেখা পুরোনো নথি বা অন্যান্য গ্রহণযোগ্য নমুনার সঙ্গে চিরকুটের লেখা তুলনা করে বৈজ্ঞানিক ফরেনসিক পরীক্ষা করা যেতে পারে।
মিরাজ হোসেনের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ হলো, লেখাগুলোতে কিছু অমিল থাকলেও অন্য কারও লেখা হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য তুলনামূলক পরীক্ষা জরুরি।
এদিকে, মরিয়ম খাতুনের নামে প্রকাশিত চিরকুটগুলোতে সম্পর্কের টানাপোড়েন, বিশ্বাসভঙ্গ, আক্ষেপ ও আত্মসম্মান নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য রয়েছে। তবে এসব বক্তব্য চিঠির লেখকের ব্যক্তিগত অনুভূতি বা অভিযোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে; সেগুলোর সত্যতা আলাদাভাবে প্রমাণিত হয়েছে—এমন দাবি করা হয়নি।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন, জুলাই থেকেই বাড়তি বেতন
- ১ জুলাই থেকে কার্যকর নবম পে-স্কেল, বকেয়া বেতন কবে
- নবম পে-স্কেলে কোন ভাতা কত, দেখুন একনজরে
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- হিমালয়ের ঝুঁকি বাড়ছে, বাংলাদেশসহ ৮ দেশের জন্য সতর্কবার্তা
- একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ, আসন পেল যতজন
- দেশে ১৮, ২১, ২২ ক্যারেট সোনার দাম
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৩ সেপ্টেম্বর ছুটি!
- ৮ বছরেই উচ্চতর গ্রেড, নবম পে-স্কেলে যেসব সুবিধা মিলবে
- সোনার চেয়েও দামি আগরউড, ১ গ্রাম ১২ কোটি টাকা
- রূপপুরের প্রথম ইউনিট প্রস্তুত, পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশ
- সাগরে লঘুচাপ, ৮ নদীবন্দরে সতর্কসংকেত
- দেশজুড়ে ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও ভারী বর্ষণ
- নতুন কাঠামোয় সর্বনিম্ন বেতন ৩৩ হাজার, সর্বোচ্চ কত
