| ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

যে বক্তব্যের জন্য ভারতের টার্গেট হয় হাদি

জাতীয় ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৫ ডিসেম্বর ২০ ১১:১২:৫১
যে বক্তব্যের জন্য ভারতের টার্গেট হয় হাদি

শরীফ ওসমান হাদির সাহসী উচ্চারণ: যা ইতিহাস হয়ে থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিপ্লবী নেতা শরীফ ওসমান হাদি তার স্বল্পকালীন জীবনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের এক অনন্য নজির স্থাপন করে গেছেন। তার প্রতিটি বক্তব্য ছিল আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এক একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। তার প্রয়াণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সেই অবিস্মরণীয় বক্তব্যগুলো নতুন করে ভাইরাল হচ্ছে।

আধিপত্যবাদ ও ষড়যন্ত্র নিয়ে সতর্কতা:

হাদি তার এক বক্তব্যে বলেছিলেন, এ দেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদ সবচাইতে বেশি সক্রিয়। শেখ হাসিনার অনুসারী সচিব, পুলিশ এবং তাদের বিশাল ভাণ্ডার এখনো রয়ে গেছে। তারা বড় বড় হত্যাকাণ্ড বা গুপ্ত হত্যার পরিকল্পনা করতে পারে। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, বাংলার জমিনে আবার যদি কোনো আগ্রাসন নেমে আসে, তবে শত শত হাজার হাজার আবরার বুক পেতে দাঁড়িয়ে যাবে। সীমান্তে গুলি চললে এ দেশের মানুষ চুপ করে থাকবে না।

সেনাবাহিনী ও জনগণের শক্তি:

সেনা অভ্যুত্থান বা 'কু'-এর ভয় দেখানো প্রসঙ্গে তিনি সরাসরি বলেছিলেন, কোনো অশুভ শক্তি যদি জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে, তবে এ দেশের মানুষ ক্যান্টনমেন্টের ইট খুলে নিয়ে আসবে। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, গুন্ডা মুজিবের কবর পাহারা দিতে যখন চারপাশ ঘিরে রাখা হয়, তখন আমার গুলিবিদ্ধ ভাইগুলো কেন হাসপাতালে কাতরায়? কেন তাদের পাশে আপনাদের দেখা যায় না?

জীবন ও মৃত্যু নিয়ে দর্শন:

নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাদি ছিলেন একেবারেই নিরাসক্ত। তিনি বলতেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত বুকে বা মাথায় গুলি লাগবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কোনো লড়াইকে লড়াই মনে করি না। আমাদের বাড়তি কোনো নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। যদি কেউ আমাদের গুলি করে মেরে ফেলে, তবে শুধু তাকে ধরে যেন বিচার করা হয়—এটাই আমাদের চাওয়া।

সাফল্য ও দীর্ঘায়ু নিয়ে তার ভাবনা ছিল অত্যন্ত গভীর। তিনি বলেছিলেন, ১০০ বছর বেঁচে থেকেও যদি দেশের বা জাতির জন্য কোনো প্রভাব তৈরি করা না যায়, তবে সেই বেঁচে থাকার কোনো সার্থকতা নেই। তার চেয়ে পাঁচ বছর বেঁচে থেকে যদি আগামী ৫০ বছরের জন্য কোনো ইতিবাচক প্রভাব রেখে যাওয়া যায়, তবে সেটিই বড় সাফল্য।

শোকাতুর শেষ ইচ্ছা:

নিজের জীবনকে আল্লাহর পথে সঁপে দিয়ে তিনি এক আবেগঘন মুহূর্তে বলেছিলেন, যদি আল্লাহ আমাকে নিয়ে যান, তবে আমার বাচ্চাটার দিকে একটু খেয়াল রেখ। তার এই শেষ আকুতি আজ সারা দেশের মানুষকে অশ্রুসিক্ত করছে। হাদি চলে গেলেও তার এই নির্ভীক কণ্ঠস্বর বাংলাদেশের প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের হৃদয়ে চিরকাল অমর হয়ে থাকবে।

সোহাগ/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

যেভাবে আইসিসিকে দুই হাজার কোটি টাকার ক্ষতি থেকে বাঁচালো বাংলাদেশ

যেভাবে আইসিসিকে দুই হাজার কোটি টাকার ক্ষতি থেকে বাঁচালো বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান মহারণ ঘিরে তৈরি হওয়া দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার মেঘ অবশেষে কেটেছে। ...

অবসরের গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

অবসরের গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বয়স কেবলই একটা সংখ্যা—এটি যেন আবারও প্রমাণ করতে চান বাংলাদেশের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ ...

ফুটবল

বিশ্বকাপে জায়গা না পেলে কি অবসরে যাচ্ছেন নেইমার

বিশ্বকাপে জায়গা না পেলে কি অবসরে যাচ্ছেন নেইমার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারের আন্তর্জাতিক ফুটবলের ভবিষ্যৎ এখন ঝুলে আছে কোচ কার্লো আনচেলত্তির সিদ্ধান্তের ...

ভিলারিয়াল বনাম বার্সেলোনা: (Live) দেখুন এখানে

ভিলারিয়াল বনাম বার্সেলোনা: (Live) দেখুন এখানে

নিজস্ব প্রতিবেদক: লা লিগার শিরোপা লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি হয়েছে টেবিলের শীর্ষ দুই দল ভিলারিয়াল ও ...