| ঢাকা, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২

যে বক্তব্যের জন্য ভারতের টার্গেট হয় হাদি

জাতীয় ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৫ ডিসেম্বর ২০ ১১:১২:৫১
যে বক্তব্যের জন্য ভারতের টার্গেট হয় হাদি

শরীফ ওসমান হাদির সাহসী উচ্চারণ: যা ইতিহাস হয়ে থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিপ্লবী নেতা শরীফ ওসমান হাদি তার স্বল্পকালীন জীবনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের এক অনন্য নজির স্থাপন করে গেছেন। তার প্রতিটি বক্তব্য ছিল আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এক একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। তার প্রয়াণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সেই অবিস্মরণীয় বক্তব্যগুলো নতুন করে ভাইরাল হচ্ছে।

আধিপত্যবাদ ও ষড়যন্ত্র নিয়ে সতর্কতা:

হাদি তার এক বক্তব্যে বলেছিলেন, এ দেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদ সবচাইতে বেশি সক্রিয়। শেখ হাসিনার অনুসারী সচিব, পুলিশ এবং তাদের বিশাল ভাণ্ডার এখনো রয়ে গেছে। তারা বড় বড় হত্যাকাণ্ড বা গুপ্ত হত্যার পরিকল্পনা করতে পারে। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, বাংলার জমিনে আবার যদি কোনো আগ্রাসন নেমে আসে, তবে শত শত হাজার হাজার আবরার বুক পেতে দাঁড়িয়ে যাবে। সীমান্তে গুলি চললে এ দেশের মানুষ চুপ করে থাকবে না।

সেনাবাহিনী ও জনগণের শক্তি:

সেনা অভ্যুত্থান বা 'কু'-এর ভয় দেখানো প্রসঙ্গে তিনি সরাসরি বলেছিলেন, কোনো অশুভ শক্তি যদি জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে, তবে এ দেশের মানুষ ক্যান্টনমেন্টের ইট খুলে নিয়ে আসবে। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, গুন্ডা মুজিবের কবর পাহারা দিতে যখন চারপাশ ঘিরে রাখা হয়, তখন আমার গুলিবিদ্ধ ভাইগুলো কেন হাসপাতালে কাতরায়? কেন তাদের পাশে আপনাদের দেখা যায় না?

জীবন ও মৃত্যু নিয়ে দর্শন:

নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাদি ছিলেন একেবারেই নিরাসক্ত। তিনি বলতেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত বুকে বা মাথায় গুলি লাগবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কোনো লড়াইকে লড়াই মনে করি না। আমাদের বাড়তি কোনো নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। যদি কেউ আমাদের গুলি করে মেরে ফেলে, তবে শুধু তাকে ধরে যেন বিচার করা হয়—এটাই আমাদের চাওয়া।

সাফল্য ও দীর্ঘায়ু নিয়ে তার ভাবনা ছিল অত্যন্ত গভীর। তিনি বলেছিলেন, ১০০ বছর বেঁচে থেকেও যদি দেশের বা জাতির জন্য কোনো প্রভাব তৈরি করা না যায়, তবে সেই বেঁচে থাকার কোনো সার্থকতা নেই। তার চেয়ে পাঁচ বছর বেঁচে থেকে যদি আগামী ৫০ বছরের জন্য কোনো ইতিবাচক প্রভাব রেখে যাওয়া যায়, তবে সেটিই বড় সাফল্য।

শোকাতুর শেষ ইচ্ছা:

নিজের জীবনকে আল্লাহর পথে সঁপে দিয়ে তিনি এক আবেগঘন মুহূর্তে বলেছিলেন, যদি আল্লাহ আমাকে নিয়ে যান, তবে আমার বাচ্চাটার দিকে একটু খেয়াল রেখ। তার এই শেষ আকুতি আজ সারা দেশের মানুষকে অশ্রুসিক্ত করছে। হাদি চলে গেলেও তার এই নির্ভীক কণ্ঠস্বর বাংলাদেশের প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের হৃদয়ে চিরকাল অমর হয়ে থাকবে।

সোহাগ/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

পাকিস্তানকে হারিয়ে সুখবর পেল বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে হারিয়ে সুখবর পেল বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার পর দুর্দান্ত এক সাফল্য পেল বাংলাদেশ ক্রিকেট ...

দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে বড় সুসংবাদ

দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে বড় সুসংবাদ

জ্বালানি সংকটে স্বস্তির খবর: চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাল ডিজেলের বড় দুটি জাহাজ নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির ...

ফুটবল

নতুন দুই মুখ নিয়ে আর্জেন্টিনার শক্তিশালী দল ঘোষণা

নতুন দুই মুখ নিয়ে আর্জেন্টিনার শক্তিশালী দল ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামার জন্য স্কোয়াড ...

ফিনালিসিমা খেলতে নারাজ আর্জেন্টিনা

ফিনালিসিমা খেলতে নারাজ আর্জেন্টিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: কোপা আমেরিকা ও ইউরো চ্যাম্পিয়নদের মধ্যকার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই ‘ফিনালিসিমা’ নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন ...