| ঢাকা, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কি আছে

জাতীয় ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৫ আগস্ট ৩০ ১৪:১৭:৪৪
তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কি আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তী সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং এর জন্য চীনের কাছে ৬,৭০০ কোটি টাকা ঋণ চেয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারকেরা আশা করছেন, এ বছরের মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে আর্থিক চুক্তি সই হতে পারে। প্রকল্পটি 'কম্প্রিহেন্সিভ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রেস্টোরেশন অফ তিস্তা রিভার প্রজেক্ট' নামেও পরিচিত।

প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ও গুরুত্ব

পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দ রিজোয়ানা হাসান জানিয়েছেন, তিস্তা একটি আন্তর্জাতিক নদী হলেও ভাটির দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ন্যায্য পানির হিস্যা পাচ্ছে না। ফলে প্রতি বছর নদী ভাঙন, বন্যা এবং সেচের পানির অভাবে তিস্তা অববাহিকার মানুষ ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এই মহাপরিকল্পনার উদ্দেশ্য হলো নদীর পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা, আকস্মিক বন্যা ও ভাঙন থেকে মানুষকে বাঁচানো এবং নদী তীরবর্তী জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।

প্রকল্পের আর্থিক দিক

প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯,১৫০ কোটি টাকা (৭৫ কোটি ডলার)। এর মধ্যে ৬,৭০০ কোটি টাকা (৫৫ কোটি ডলার) চীনের কাছ থেকে ঋণ হিসেবে চাওয়া হয়েছে, বাকি অর্থ সরকারি কোষাগার থেকে দেওয়া হবে। প্রকল্পটি ২০২৪ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় যা থাকছে

প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, তিস্তা মহাপরিকল্পনার আওতায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা হবে:

* নদী ব্যবস্থাপনা: নদীর ১০২ কিলোমিটার অংশ খনন করা হবে, যা নদীর গভীরতা প্রায় ১০ মিটার বাড়াবে এবং বন্যার প্রকোপ কমাবে।

* ভূমির উন্নয়ন: ১৭৫ বর্গ কিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন করা হবে।

* বাঁধ নির্মাণ: ২০৩ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

* শহর ও অবকাঠামো: নদীর দুই পাড়ে স্যাটেলাইট শহর, হোটেল, রেস্তোরাঁ ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

* নিরাপত্তা ব্যবস্থা: আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নদীর দুই পাড়ে থানা, কোস্টগার্ড এবং সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।

কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব

সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির মনে করেন, ২০১১ সালে ভারতের সঙ্গে তিস্তা চুক্তি না হওয়ায় বাংলাদেশের সামনে চীনের সাহায্য নেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মেজর জেনারেল এএনএম মনিরুজ্জামান এই মুহূর্তে চীনের ঋণে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন নিয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, শিলিগুড়ি করিডোর অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় ভারত ওই অঞ্চলে চীনের উপস্থিতি পছন্দ করবে না এবং এর ফলে ভারতের তরফ থেকে বিরোধিতা আসতে পারে। তিনি মনে করেন, এ ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বদলে নির্বাচিত সরকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

আপনি কি মনে করেন এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ?

আশা/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

ভারত পাকিস্তানের কাছে হারলে শেষ আটে কারা যাবে

ভারত পাকিস্তানের কাছে হারলে শেষ আটে কারা যাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বেশ কয়েক দিনের অনিশ্চয়তা ও নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আগামী রোববার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের ...

অবসরের গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

অবসরের গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বয়স কেবলই একটা সংখ্যা—এটি যেন আবারও প্রমাণ করতে চান বাংলাদেশের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ ...

ফুটবল

বিশ্বকাপে জায়গা না পেলে কি অবসরে যাচ্ছেন নেইমার

বিশ্বকাপে জায়গা না পেলে কি অবসরে যাচ্ছেন নেইমার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারের আন্তর্জাতিক ফুটবলের ভবিষ্যৎ এখন ঝুলে আছে কোচ কার্লো আনচেলত্তির সিদ্ধান্তের ...

ভিলারিয়াল বনাম বার্সেলোনা: (Live) দেখুন এখানে

ভিলারিয়াল বনাম বার্সেলোনা: (Live) দেখুন এখানে

নিজস্ব প্রতিবেদক: লা লিগার শিরোপা লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি হয়েছে টেবিলের শীর্ষ দুই দল ভিলারিয়াল ও ...