টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যেভাবে
নিজস্ব প্রতিবেদক: আয়কর আইনে নতুন পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার ফলে এখন থেকে করদাতারা কিছু নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে তাদের টিআইএন (ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার) সার্টিফিকেট বাতিল করতে পারবেন। এতদিন এই সুযোগ ছিল না, ফলে অনেককেই ভোগান্তিতে পড়তে হতো। তবে, টিআইএন বাতিল করার জন্য করদাতাকে যথাযথ কারণ দেখিয়ে আবেদন করতে হবে এবং তা যাচাই-বাছাই করা হবে।
যেসব শর্তে টিআইএন বাতিলের আবেদন করা যাবে
নতুন আইন অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ছয়টি শর্তে একজন করদাতা টিআইএন বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারবেন:
১. যদি করদাতার রিটার্ন দাখিলের কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকে।
২. করদাতা যদি মারা যান, বা কোনো প্রতিষ্ঠান অবলুপ্ত হয়ে যায়।
৩. যদি কোনো ব্যক্তি স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান এবং তার বাংলাদেশে আর কোনো আয়ের উৎস না থাকে।
৪. যদি কোনো ভুল বা ডুপ্লিকেট টিআইএন নিবন্ধন হয়ে থাকে।
৫. যদি আইনি মর্যাদা পরিবর্তন হয়।
৬. অন্য কোনো যৌক্তিক কারণে যদি টিআইএন বাতিল করা প্রয়োজন হয়।
কারা টিআইএন বাতিলের আবেদন করতে পারেন?
* আয় করযোগ্য সীমার নিচে: যাদের বার্ষিক আয় ন্যূনতম করযোগ্য সীমার নিচে, তারা টিআইএন বাতিলের আবেদন করতে পারবেন। যেমন: সাধারণ করদাতার জন্য বার্ষিক আয় ৩,৫০,০০০ টাকার নিচে হলে।
* মৃত্যু: কোনো করদাতার মৃত্যু হলে তার উত্তরাধিকারীরা টিআইএন বাতিলের আবেদন করতে পারেন। তবে, যদি মৃতের কোনো ব্যবসা থাকে, তবে সেই টিআইএন বাতিল করা যাবে না।
* বিদেশ গমন: যদি কোনো বাংলাদেশি বিদেশে চলে যান এবং বাংলাদেশে তার কোনো করযোগ্য আয় না থাকে, তবে তিনি টিআইএন বাতিলের আবেদন করতে পারেন।
* তথ্য ভুল: যদি নিবন্ধনের সময় কোনো ভুল তথ্য দেওয়া হয়ে থাকে, তবে সেটি সংশোধনের জন্য টিআইএন বাতিলের প্রয়োজন হতে পারে।
টিআইএন বাতিলের আবেদন প্রক্রিয়া
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
* বর্তমান টিআইএন সার্টিফিকেটের কপি।
* জাতীয় পরিচয়পত্র ও তার ফটোকপি।
* বিগত কমপক্ষে তিন বছরের শূন্য কর রিটার্ন দাখিলের প্রাপ্তি স্বীকার পত্রের ফটোকপি।
আবেদনের পদ্ধতি:
আবেদনকারীকে পরপর তিন বছর ধরে শূন্য কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। এরপর তৃতীয় বছরের শূন্য রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় পূর্ববর্তী দুই বছরের রিটার্ন প্রাপ্তি স্বীকার পত্রসহ একটি লিখিত আবেদনপত্র উপ-কর কমিশনার বরাবর জমা দিতে হবে। এই আবেদনে টিআইএন বাতিলের কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। টিআইএন মালিক নিজে উপস্থিত না হলেও তার একজন প্রতিনিধি আবেদন জমা দিতে পারবেন।
খরচ: টিআইএন বাতিলের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ফি নির্ধারণ করা হয়নি। এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সম্পন্ন করা যাবে।
আরও পড়ুন- ঘরে বসে অতিরিক্ত সিমের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করুন সহজে
আবেদন জমা দেওয়ার পর কর কর্মকর্তারা সব তথ্য যাচাই-বাছাই করে যদি আবেদনটি যৌক্তিক মনে করেন, তবে টিআইএন সার্টিফিকেটটি বাতিল করে দেবেন।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- বিএনপির ৪০ আসনে প্রার্থী পরিবর্তন? হাইকমান্ডের জরুরি নির্দেশনা ও তালিকা প্রকাশ!
- আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে শক্তিশালী ভূমিকম্পের মুখে বাংলাদেশ
- পে স্কেল: সুপারিশ ৩০ নভেম্বর, গেজেট ১৫ ডিসেম্বর
- নবম পে-স্কেল আসছে তিন ধাপে! সরকারি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
- পে-স্কেল নিয়ে মিলল নতুন সুখবর
- চলছে বাংলাদেশ বনাম আয়ারল্যান্ড প্রথম টি-২০: দেখুন Live এখানে
- বিএনপির জোটে যুক্ত হচ্ছে এনসিপি; আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত
- আজকের সোনার বাজারদর: ২৮ নভেম্বর ২০২৫
- দুষ্টুবায়ু আটকে রেখে নামাজ পড়া কি জায়েজ
- আজ এক ভরি ১৮, ২১, ২২ ক্যারেট সোনার দাম
- আজকের সোনার বাজারদর: ২৭ নভেম্বর ২০২৫
- ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে ঢাকাসহ দেশে তিনবার ভূমিকম্প
- নতুন পে-স্কেলের সুপারিশ আসছে ডিসেম্বরেই
- আজকের সকল টাকার রেট: ২৮ নভেম্বর ২০২৫
- আবারও স্বর্ণের বড় পতন
