ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে আসলে কী হয়েছিল, জানালেন তাহের
ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে আসন ভাগাভাগিতে যা ঘটেছিল, জানালেন মোহাম্মদ তাহের
নির্বাচনী জোট ও আসন সমঝোতা নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার নেপথ্য ঘটনা প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ তাহের। তার মতে, পরিস্থিতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালেও শেষ মুহূর্তে আসন সংখ্যার দাবিতে মতপার্থক্যের কারণে বিষয়টি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।
আসন বণ্টনের দুটি মূল নীতিমালা
জোটের শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে দুটি প্রধান নীতির কথা জানান তিনি:
১. দলের আকার যাই হোক, প্রতিটি শরিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে মনোনয়নের জন্য বিবেচনা করা।
২. যে আসনে যে দলের জনভিত্তি বা অবস্থান সবচেয়ে শক্তিশালী, সেই আসনটি তাদের ছেড়ে দেওয়া।
অধ্যাপক পরওয়ার জানান, জনভিত্তির বিচারে অধিকাংশ আসনেই জামায়াত এক নম্বর অবস্থানে থাকলেও জোটের বৃহত্তর স্বার্থে তারা কিছুটা নমনীয় ছিলেন। এমনকি শরিক দলের প্রার্থীরা কোনো আসনে দ্বিতীয় বা তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও জামায়াতের পূর্ণ সহযোগিতায় তাদের বিজয়ী করে আনার বিষয়েও মূলনীতি গ্রহণ করা হয়েছিল।
ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে দূরত্ব কেন
তিনি জানান, ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে আলোচনার পরিবেশ শুরু থেকেই ইতিবাচক ছিল। তবে তারা যে সংখ্যক আসন দাবি করেছিলেন, তা জামায়াতের কাছে বাস্তবসম্মত মনে হয়নি। জামায়াত একটি সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দিলেও এবং নির্দিষ্ট কিছু আসন চূড়ান্ত করার পরেও শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলন ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয়।
জুলাই পরবর্তী পরিবর্তন ও নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ
বক্তব্যে তিনি ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ‘নিউ বাংলাদেশ’-এর মানুষের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করেন। তার মতে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ভোটারদের চিন্তাচেতনায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। তিনি নিজের অতীত অভিজ্ঞতার উদাহরণ দিয়ে বলেন, আগে ছাত্র শিবিরের প্রার্থীদের প্রতি মানুষের যে দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, এখন তা অনেক বেশি ইতিবাচক।
জোটের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ
ইসলামী আন্দোলন জোটে না থাকলেও একে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন জামায়াত নেতা। তিনি মনে করেন, এতে জামায়াতের জন্য বেশি সংখ্যক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, ইসলামী ধারার প্রায় সব দলই বর্তমানে ঐক্যবদ্ধ আছে, শুধুমাত্র একটি দল বাদে। বর্তমানে জোটের পক্ষ থেকে আসনভিত্তিক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হচ্ছে এবং বিদ্রোহী বা অতিরিক্ত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, যেহেতু একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশ যাচ্ছে, তাই ভোটের মাঠে এই পরিবর্তনের প্রতিফলন দেখা যাবে।
সোহাগ/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- জানুয়ারিতেই নতুন পে-স্কেল: সর্বনিম্ন বেতন হচ্ছে দ্বিগুণ
- নতুন বেতন কাঠামোতে কার বেতন কত বাড়ছে
- আজকের সোনার বাজারদর: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
- পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত
- নবম পে স্কেল; চিকিৎসা ভাতা বাড়ল যত
- নতুন পে-স্কেল: সর্বনিম্ন বেতন ১৮ হাজার টাকা করার প্রস্তাব
- রেকর্ড ভেঙে সোনার দামে নতুন ইতিহাস
- নতুন পে-স্কেল ২০২৬: জানুয়ারি থেকেই বেতন বাড়ছে সরকারিদের
- দেশের বাজারে আজকের স্বর্ণের দাম
- নতুন পে-স্কেলে বড় সুখবরের অপেক্ষায় সরকারি চাকরিজীবীরা
- শবে বরাত কবে, যা জানা গেল
- ২১ জানুয়ারি জমা পড়ছে পে-কমিশনের রিপোর্ট
- দিন হবে রাতের মতো অন্ধকার: আসছে শতাব্দীর দীর্ঘতম সূর্যগ্রহণ
- আজ চাঁদ দেখা যায়নি, শবেবরাত কবে
- ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: ধসে পড়ল ঘরবাড়ি
