| ঢাকা, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩

২০৩০ সালের মধ্যে চরম জলবায়ু ঝুঁকির কেন্দ্রে বাংলাদেশ

জাতীয় ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৫ নভেম্বর ২৪ ২১:১৪:৪২
২০৩০ সালের মধ্যে চরম জলবায়ু ঝুঁকির কেন্দ্রে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যেই বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলো বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হবে। বিশেষত বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানকে এর ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলা করতে হবে বলে এক নতুন প্রতিবেদনে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ঝুঁকি থেকে স্থিতিস্থাপকতা: দক্ষিণ এশিয়ায় মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের অভিযোজনে সহায়তা’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

৯০ শতাংশ মানুষ চরম ঝুঁকিতে:

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ মানুষ চরম জলবায়ু ঝুঁকির মুখে পড়বে। উচ্চ তাপমাত্রা, ভয়াবহ বন্যা এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধির সম্মিলিত প্রভাবে গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

দক্ষিণ এশিয়ার তিন-চতুর্থাংশ পরিবার ও প্রতিষ্ঠান আগামী ১০ বছরে আবহাওয়াজনিত দুর্যোগের আশঙ্কা করছে। জরিপে দেখা গেছে, আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে বেশিরভাগ পরিবার উন্নত প্রযুক্তির বদলে কম খরচের সাধারণ অভিযোজনমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে।

উপকূলে প্রধান চ্যালেঞ্জ অবকাঠামো ও অর্থায়ন:

বাংলাদেশের উপকূলের ২৫০টি গ্রামে পরিচালিত জরিপ থেকে জানা যায়, পর্যাপ্ত জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামোই এখন সবচেয়ে বড় অপূর্ণ চাহিদা।

* দীর্ঘমেয়াদে ৫৭ শতাংশ পরিবার পর্যাপ্ত দুর্যোগ-সুরক্ষা অবকাঠামোর অভাবকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

* ৫৬ শতাংশ পরিবার আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে প্রয়োজনীয় অভিযোজন করতে পারছে না।

সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত নীতি-প্যাকেজ:

বিশ্বব্যাংক মনে করে, বাংলাদেশের বাঁধ ও সাইক্লোন শেল্টারের মতো সরকারি বিনিয়োগ বহু প্রাণ বাঁচালেও, ঝুঁকির দ্রুত বৃদ্ধি মোকাবিলায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। আর্থিক সংকটের কারণে সরকারি উদ্যোগের পরিধি সীমিত হওয়ায় জলবায়ু অভিযোজনে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করে একটি সমন্বিত নীতি-প্যাকেজ তৈরি করা জরুরি।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে বলেন, "বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা বারবার পরীক্ষিত হচ্ছে, কিন্তু ঝুঁকিও দ্রুত বাড়ছে। দেশের সহনশীলতা গড়ে তুলতে আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি এবং ঝুঁকিভিত্তিক অর্থায়ন বাড়াতে হবে।"

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, বীমা এবং আনুষ্ঠানিক ঋণপ্রাপ্তি সহজ করা গেলে জলবায়ুজনিত ক্ষতির প্রায় এক-তৃতীয়াংশই এড়ানো সম্ভব। বেসরকারি খাতের দ্রুত বিনিয়োগ ও সম্পদ স্থানান্তর নিশ্চিত করা গেলে অভিযোজনের গতি আরও বাড়বে।

আয়শা/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

যেভাবে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন শাপুর জাদরান

যেভাবে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন শাপুর জাদরান

স্পোর্টস ডেস্ক: আফগানিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম পথিকৃৎ ও সাবেক তারকা পেসার শাপুর জাদরান আর নেই। দীর্ঘদিন ...

১৫ ওভারের খেলা শেষ; জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ; লাইভ দেখুন এখানে

১৫ ওভারের খেলা শেষ; জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ; লাইভ দেখুন এখানে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের বিপক্ষে চলমান ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করছে জিম্বাবুয়ে। ১৫.৬ ওভার শেষে ...

ফুটবল

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ

স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ...

স্পেন বনাম বেলজিয়াম; পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক ফর্মে কার পাল্লা ভারী

স্পেন বনাম বেলজিয়াম; পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক ফর্মে কার পাল্লা ভারী

স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে আজ এক মহাকর্ষীয় লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ...