Pixel 11 Pro-এর বিকল্প ৯ অ্যান্ড্রয়েড ফোন, কম দামে বেশি সুবিধা
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রিমিয়াম স্মার্টফোন কেনার সময় শুধু ব্র্যান্ড বা মডেলের নাম দেখলেই চলে না। দেখতে হবে প্রসেসরের ক্ষমতা, ক্যামেরা, ব্যাটারি, চার্জিং গতি, ডিসপ্লে এবং দামের তুলনায় কী কী সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের বাজারে ফ্ল্যাগশিপ ফোন কেনার আগে এসব বিষয় যাচাই করলে একই বাজেটে ভালো ডিভাইস বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
২০২৬ সালের আগস্টে বাজারে আসা Google Pixel 11 Pro-এর যুক্তরাষ্ট্রের শুরুর দাম ১ হাজার ৯৯ মার্কিন ডলার। ফোনটিতে রয়েছে উন্নত ক্যামেরা, এআই-ভিত্তিক ফিচার এবং প্রিমিয়াম ডিসপ্লে। তবে একই ধরনের অনেক সুবিধা অন্য অ্যান্ড্রয়েড ফোনেও পাওয়া যায়, যার কিছু মডেলের দাম তুলনামূলক কম।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট SlashGear-এর তালিকা অনুযায়ী, Pixel 11 Pro-এর বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে Samsung, OnePlus, Google এবং Nothing-এর কয়েকটি ফোন। তালিকায় রয়েছে নতুন ফ্ল্যাগশিপের পাশাপাশি আগের প্রজন্মের কিছু মডেলও।
বাংলাদেশি ক্রেতাদের জন্য মনে রাখা জরুরি, নিচে উল্লেখ করা ডলারের দাম যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের। বাংলাদেশের আমদানি খরচ, কর, ওয়ারেন্টি এবং বিক্রেতাভেদে স্থানীয় দাম আলাদা হতে পারে।
১. Samsung Galaxy S26
Samsung Galaxy S26 এমন ক্রেতাদের জন্য ভালো বিকল্প হতে পারে, যারা তুলনামূলক ছোট আকারের প্রিমিয়াম ফোন চান। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এর উল্লেখিত দাম ৮৯৯ ডলার।
ফোনটিতে রয়েছে ৬ দশমিক ৩ ইঞ্চির ডিসপ্লে এবং Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসর। প্রকাশিত Geekbench পরীক্ষার ফল অনুযায়ী, এর সিঙ্গেল-কোর স্কোর ৩,৬২৫ এবং মাল্টি-কোর স্কোর ১০,৭০৫। তুলনায় Pixel 11 Pro-এর স্কোর যথাক্রমে ২,৬৮৮ ও ৬,৮৭১ বলে মূল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
Galaxy S26-এ রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা এবং ৪,৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ারের ব্যাটারি। তারযুক্ত চার্জিং ২৫ ওয়াট এবং ওয়্যারলেস চার্জিং ১৫ ওয়াট। Pixel 11 Pro-এর তুলনায় ব্যাটারি ছোট এবং চার্জিং গতিও কম হলেও শক্তিশালী প্রসেসর ও Samsung-এর এআই ফিচার ফোনটিকে আকর্ষণীয় বিকল্প করে তুলেছে।
২. OnePlus 15
বড় ডিসপ্লে, শক্তিশালী পারফরম্যান্স এবং দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ যাঁদের অগ্রাধিকার, তাঁদের জন্য OnePlus 15 বিবেচনাযোগ্য।
মূল প্রতিবেদনে ফোনটির নতুন ইউনিটের দাম ১ হাজার ৪৫ ডলার এবং ব্যবহৃত বা রিফারবিশড ইউনিটের দাম ৮৪৯ ডলার উল্লেখ করা হয়েছে। এতে রয়েছে ৬ দশমিক ৭৮ ইঞ্চির ডিসপ্লে, Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসর এবং সর্বোচ্চ ১৬ জিবি র্যামের বিকল্প।
ফোনটির অন্যতম আকর্ষণ ৭,৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ারের ব্যাটারি। পাশাপাশি রয়েছে ১২০ ওয়াট তারযুক্ত ও ৫০ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা। প্রধান ক্যামেরাটি ৫০ মেগাপিক্সেলের এবং ৪কে ভিডিও ধারণে সক্ষম বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যাঁরা দীর্ঘ সময় গেম খেলেন, ভিডিও দেখেন বা একাধিক অ্যাপ ব্যবহার করেন, তাঁদের জন্য বড় ব্যাটারি ও দ্রুত চার্জিং বিশেষ সুবিধা দিতে পারে।
৩. Samsung Galaxy S26 FE
ফ্ল্যাগশিপের কিছু সুবিধা কম দামে পেতে চাইলে Samsung Galaxy S26 FE বিবেচনা করা যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এর উল্লেখিত দাম ৫৯৯ ডলার।
Samsung-এর FE বা Fan Edition সিরিজে সাধারণত মূল ফ্ল্যাগশিপের কিছু বৈশিষ্ট্য রেখে খরচ কমানোর চেষ্টা করা হয়। Galaxy S26 FE-তে রয়েছে ৬ দশমিক ৭ ইঞ্চির ডিসপ্লে, ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা এবং ৪,৯০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ারের ব্যাটারি।
ফোনটি ৪৫ ওয়াট তারযুক্ত ও ১৫ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জিং সমর্থন করে। এতে Exynos 2500 প্রসেসর এবং ৮ জিবি র্যাম রয়েছে বলে মূল প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
নিয়মিত Galaxy S26-এর তুলনায় এর ডিসপ্লের সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতা ও প্রসেসরের পারফরম্যান্স কম। তবে তুলনামূলক কম দামে বড় স্ক্রিন, ভালো ক্যামেরা এবং আধুনিক সফটওয়্যার ফিচার পাওয়ার কারণে এটি মূল্যসাশ্রয়ী বিকল্প হতে পারে।
৪. Google Pixel 11
Pixel 11 Pro-এর ক্যামেরা ও সফটওয়্যার অভিজ্ঞতা পছন্দ হলেও বেশি খরচ করতে না চাইলে সাধারণ Pixel 11 দেখা যেতে পারে। মূল প্রতিবেদনে ফোনটির যুক্তরাষ্ট্রের দাম ৭৯৯ ডলার উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে রয়েছে ৬ দশমিক ৩ ইঞ্চির OLED ডিসপ্লে, Tensor G6 প্রসেসর, ১২ জিবি র্যাম এবং কমপক্ষে ২৫৬ জিবি স্টোরেজ। ব্যাটারির ধারণক্ষমতা ৪,৯৮৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ার। তারযুক্ত চার্জিং ৩০ ওয়াট এবং ওয়্যারলেস চার্জিং ২৫ ওয়াট।
Pixel 11 Pro-এর তুলনায় সাধারণ মডেলটির ডিসপ্লেতে কিছু পার্থক্য রয়েছে। এতে LTPO প্রযুক্তির বদলে সাধারণ ৬০–১২০ হার্টজ OLED প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে একই সিরিজের ডিজাইন, সফটওয়্যার ও এআই-ভিত্তিক অভিজ্ঞতা পাওয়ার সুযোগ থাকায় এটি কম দামের বিকল্প হতে পারে।
৫. OnePlus 13
আগের প্রজন্মের ফ্ল্যাগশিপ ফোনও অনেক সময় ভালো মূল্য দিতে পারে। OnePlus 13 তার একটি উদাহরণ।
ফোনটিতে রয়েছে ৬ দশমিক ৮২ ইঞ্চির ডিসপ্লে, Snapdragon 8 Elite প্রসেসর এবং ১২ থেকে ২৪ জিবি পর্যন্ত র্যামের বিকল্প। ব্যাটারির ধারণক্ষমতা ৬,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ার। এটি ১০০ ওয়াট তারযুক্ত ও ৫০ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জিং সমর্থন করে।
OnePlus 13-এর প্রধান ক্যামেরা ৫০ মেগাপিক্সেলের এবং ক্যামেরা সিস্টেম তৈরিতে Hasselblad-এর সঙ্গে কাজ করা হয়েছে। ফলে পারফরম্যান্স, ডিসপ্লে ও ক্যামেরাকে গুরুত্ব দেওয়া ব্যবহারকারীদের জন্য ফোনটি এখনো বিবেচনাযোগ্য।
মূল প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ১২/২৫৬ জিবি সংস্করণের দাম ৮৯৯ ডলার এবং ১৬/৫১২ জিবি সংস্করণের দাম ৯৯৯ ডলার উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশে এর বর্তমান দাম ও স্টক বিক্রেতার কাছ থেকে যাচাই করা উচিত।
৬. Samsung Galaxy S25 ও Galaxy S25+
নতুন মডেল বাজারে এলে আগের প্রজন্মের ফোনের দাম কমতে পারে। তাই Samsung Galaxy S25 ও S25+ এখনো ভালো বিকল্প হতে পারে।
Galaxy S25-এ রয়েছে ৬ দশমিক ২ ইঞ্চির ডিসপ্লে, Snapdragon 8 Elite প্রসেসর, ১২ জিবি র্যাম এবং ৪,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ারের ব্যাটারি। অন্যদিকে Galaxy S25+ মডেলে রয়েছে বড় ৬ দশমিক ৭ ইঞ্চির ডিসপ্লে এবং ৪,৯০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ারের ব্যাটারি।
দুটি ফোনেই রয়েছে শক্তিশালী প্রসেসর এবং প্রিমিয়াম নির্মাণশৈলী। বড় স্ক্রিন ও বেশি ব্যাটারি চাইলে S25+ সুবিধাজনক হতে পারে। আর তুলনামূলক ছোট ফোন পছন্দ করলে সাধারণ S25 বিবেচনা করা যায়।
বাংলাদেশে কেনার আগে নতুন ও রিফারবিশড ফোনের দামের পার্থক্য, ওয়ারেন্টি এবং ফোনের প্রকৃত অবস্থা যাচাই করা জরুরি।
৭. Fairphone 6+
সব ক্রেতার কাছে সর্বোচ্চ প্রসেসর পারফরম্যান্সই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয়। কেউ কেউ এমন ফোন চান, যেটি নষ্ট হলে সহজে মেরামত করা যায় এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করা সম্ভব। Fairphone 6+ সেই ধরনের ব্যবহারকারীদের জন্য একটি বিকল্প।
মূল প্রতিবেদনে ফোনটিতে Snapdragon 7s Gen 4 প্রসেসর, ১২ জিবি র্যাম, ৬ দশমিক ৩১ ইঞ্চির ডিসপ্লে এবং ৪,৪১৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ারের ব্যাটারির কথা বলা হয়েছে। তারযুক্ত চার্জিং ৩০ ওয়াট; ওয়্যারলেস চার্জিং নেই।
এই ফোনের বিশেষ দিক হলো মেরামতযোগ্যতা। ডিসপ্লে ও ব্যাটারির মতো কিছু যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করা তুলনামূলক সহজ বলে নির্মাতা ও মেরামতযোগ্যতা-সংক্রান্ত পর্যালোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে Fairphone সিরিজ।
তবে বাংলাদেশের বাজারে ফোনটির সহজলভ্যতা, যন্ত্রাংশ এবং মেরামত-সেবা নিশ্চিত না করে কেনা ঠিক হবে না। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার ও পরিবেশবান্ধব পণ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া ক্রেতাদের জন্যই এটি বেশি উপযোগী।
৮. Nothing Phone 3
ভিন্নধর্মী ডিজাইন ও পরিচ্ছন্ন সফটওয়্যার অভিজ্ঞতা পছন্দ করলে Nothing Phone 3 দেখা যেতে পারে। মূল প্রতিবেদনে ফোনটির যুক্তরাষ্ট্রের দাম ৬৯৯ ডলার উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে রয়েছে Snapdragon 8s Gen 4 প্রসেসর, ১২ জিবি র্যাম, কমপক্ষে ২৫৬ জিবি স্টোরেজ এবং ৬ দশমিক ৬৭ ইঞ্চির ডিসপ্লে। ব্যাটারির ধারণক্ষমতা ৫,১৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ার। ফোনটি ৬৫ ওয়াট তারযুক্ত ও ১৫ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জিং সমর্থন করে।
ফোনটির পেছনের Glyph-ধাঁচের আলোকব্যবস্থা নোটিফিকেশন ও নির্দিষ্ট অ্যাপের কার্যক্রম জানানোর জন্য ব্যবহার করা যায়। প্রচলিত স্মার্টফোনের ডিজাইনের বাইরে কিছু চান, তাঁদের কাছে এটি আকর্ষণীয় হতে পারে।
যদিও মূল প্রতিবেদনের Geekbench পরীক্ষায় ফোনটি Pixel 11 Pro-এর চেয়ে সামান্য পিছিয়ে ছিল, দৈনন্দিন কাজে পার্থক্য সব সময় স্পষ্ট নাও হতে পারে। তবে ক্যামেরা, সফটওয়্যার আপডেট ও বিক্রয়োত্তর সেবা কেনার আগে যাচাই করা উচিত।
৯. Samsung Galaxy S25 Ultra
প্রিমিয়াম ফিচার চান, কিন্তু নতুন প্রজন্মের সর্বোচ্চ দামের ফোন কিনতে চান না—এমন ক্রেতাদের জন্য Samsung Galaxy S25 Ultra বিবেচনার তালিকায় থাকতে পারে।
ফোনটিতে রয়েছে Snapdragon 8 Elite প্রসেসর, কমপক্ষে ১২ জিবি র্যাম, ৬ দশমিক ৯ ইঞ্চির LTPO AMOLED ডিসপ্লে এবং ৫,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ারের ব্যাটারি। এটি ৪৫ ওয়াট তারযুক্ত ও ১৫ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জিং সমর্থন করে।
এর অন্যতম সুবিধা হলো বিল্ট-ইন S Pen। নোট লেখা, ডকুমেন্টে কাজ করা, ছবি সম্পাদনা এবং নির্দিষ্ট কিছু কাজে স্টাইলাসটি সুবিধা দিতে পারে। বড় ডিসপ্লে ও উন্নত ক্যামেরা ব্যবস্থাও ফোনটির গুরুত্বপূর্ণ দিক।
মূল প্রতিবেদনে নতুন ও রিফারবিশড ইউনিটের দামের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্যের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশে কেনার সময় ফোনটি অফিসিয়াল নাকি আনঅফিশিয়াল, ওয়ারেন্টি আছে কি না এবং সেটের অবস্থা কেমন—এসব নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
বাংলাদেশের ক্রেতারা কোন ফোন বেছে নেবেন?
Google Pixel 11 Pro-এর বিকল্প বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবার জন্য একটিমাত্র ফোন সেরা নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।
পারফরম্যান্সের জন্য: Samsung Galaxy S26 বা OnePlus 15 বিবেচনা করা যায়।
কম খরচে ফ্ল্যাগশিপ অভিজ্ঞতার জন্য: Samsung Galaxy S26 FE, Google Pixel 11 বা আগের প্রজন্মের Galaxy S25 দেখা যেতে পারে।
বড় ব্যাটারি ও দ্রুত চার্জিংয়ের জন্য: OnePlus 15 বা OnePlus 13 আকর্ষণীয়।
S Pen ও বড় ডিসপ্লের জন্য: Galaxy S25 Ultra ভালো বিকল্প।
ভিন্নধর্মী ডিজাইনের জন্য: Nothing Phone 3 বিবেচনা করা যায়।
সহজে মেরামতযোগ্য ফোনের জন্য: Fairphone 6+ উপযোগী হতে পারে, তবে বাংলাদেশে সার্ভিস ও যন্ত্রাংশ পাওয়া যায় কি না যাচাই করতে হবে।
ফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন
বাংলাদেশে কোনো ফোন কেনার আগে শুধু বিদেশি বাজারের দাম দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। একই মডেলের অফিসিয়াল ও আনঅফিশিয়াল সংস্করণের দামে পার্থক্য থাকতে পারে। এ ছাড়া ওয়ারেন্টি, সফটওয়্যার আপডেট, নেটওয়ার্ক ব্যান্ড, সার্ভিস সেন্টার এবং যন্ত্রাংশের প্রাপ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ।
আরেকটি বিষয় হলো, Geekbench-এর মতো বেঞ্চমার্ক পরীক্ষার স্কোর ফোনের প্রসেসিং ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা দেয়; কিন্তু ক্যামেরার বাস্তব মান, ব্যাটারি ব্যাকআপ বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার-অভিজ্ঞতার পূর্ণ চিত্র দেয় না। তাই কেনার আগে নির্ভরযোগ্য পর্যালোচনা ও স্থানীয় বিক্রেতার তথ্য মিলিয়ে নেওয়া ভালো।
সারকথা: Google Pixel 11 Pro শক্তিশালী ক্যামেরা ও সফটওয়্যার সুবিধাসম্পন্ন প্রিমিয়াম ফোন হলেও, বিকল্প মডেলগুলোতে কম দামে বড় ব্যাটারি, দ্রুত চার্জিং, বড় ডিসপ্লে কিংবা বাড়তি ফিচার পাওয়া যেতে পারে। বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত হবে নিজের বাজেট, ব্যবহারের ধরন এবং স্থানীয় ওয়ারেন্টি-সুবিধা বিবেচনা করে ফোন বেছে নেওয়া।
সোহাগ/
