বল সুইং না করলে যে বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করেন শামি
শূন্য থেকে বড় কিছু বেরিয়ে এসেছে কিনা তা বলা কঠিন। তবে হার্দিক পান্ডিয়ার ইনজুরি একদিকেইবুমেরাং হয়েছে। ইনজুরির কারণে একাদশে ঢোকে, আগুনের মতো বোলিং করছেন মহম্মদ শামি।
শামি, যিনি ব্যাকবেঞ্চে মরসুম শুরু করেছিলেন, ছয়টি ম্যাচ খেলে একটি মৌসুমে সর্বোচ্চ ২৩ উইকেট নিয়েছিলেন। তিন ম্যাচেই নামের পাশেই আছেন ফাইফার। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের সেরা ৫৭ রান করে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন।
শামি তার ধারাবাহিক বোলিংকে দায়ী করেছেন। স্টার স্পোর্টসকে তিনি বলেন, “অন্য কিছুর আগে উইকেট বোঝার চেষ্টা করেন। এরপর গুদামে মজুত অস্ত্রগুলো বের করে তারা। অনেকটা রোগীকে দেখা এবং ওষুধ খাওয়ানোর মতো।
শামি বলেছেন, ‘আমি আগে উইকেট ও এর আচরণ বোঝার চেষ্টা করি। সুইং করছে কিনা, সুইং না করলে স্টাম্প টু স্টাম্প বোলিংয়ের চেষ্টা করি। এমন জায়গায় বল ফেলার চেষ্টা করি যেন শট খেলতে গিয়ে ব্যাটার এজড (ব্যাটে ঠিক মত না লাগা) হন।’
