আজকের স্বর্ণের বাজারদর, ৯ অক্টোবর ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন নির্ধারিত দরে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম কমেছে ১ হাজার ৬৯১ টাকা। এতে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। গত ৫ অক্টোবর থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের নির্ধারিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট ও সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও কমেছে। তবে স্বর্ণের দাম কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম।
দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম
বাজুসের নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম—
২২ ক্যারেট: ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা
২১ ক্যারেট: ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা
১৮ ক্যারেট: ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা
সনাতন পদ্ধতি: ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, আগে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। নতুন দরে এই মানের স্বর্ণের দাম কমেছে ১ হাজার ৬৯১ টাকা।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫৭৪ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে কমেছে ১ হাজার ৩৪১ টাকা। ফলে এই মানের স্বর্ণের নতুন দাম হয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা।
অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে কমেছে ৭৫৮ টাকা। এখন এই পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণ কিনতে খরচ হবে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা।
রুপার দাম অপরিবর্তিত
স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আনেনি বাজুস। সংগঠনটির নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি রুপার দাম—
২২ ক্যারেট: ৪ হাজার ৩১৬ টাকা
২১ ক্যারেট: ৪ হাজার ১৪১ টাকা
১৮ ক্যারেট: ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা
সনাতন পদ্ধতি: ২ হাজার ৬৮৩ টাকা
স্বর্ণের গয়না কেনার আগে যা জানা জরুরি
বাজুসের নির্দেশনা অনুযায়ী, গয়নার নকশা ও ধরনভেদে মজুরি নির্ধারণ করা হয়। এর সঙ্গে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের ওপর প্রযোজ্য ভ্যাট যুক্ত হয়। তাই গয়না কেনার সময় শুধু স্বর্ণ বা রুপার নির্ধারিত দাম নয়, মজুরি, ভ্যাট ও অন্যান্য প্রযোজ্য খরচসহ মোট কত টাকা দিতে হবে, তা আগে থেকেই জেনে নেওয়া উচিত।
পুরোনো স্বর্ণের গয়না বদল বা বিক্রির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দেওয়ার পর পুরোনো গয়না এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো স্বর্ণ বিক্রির ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। লেনদেনের আগে দোকান থেকে প্রযোজ্য হিসাব ও শর্ত নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো।
বাজুসের পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্ধারিত স্বর্ণ ও রুপার দাম কার্যকর থাকবে।
রাকিব/
