| ঢাকা, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২

কেয়ামতের দিন মানুষ নিজের ৩ পাশে যা দেখবে

ধর্ম ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৫ সেপ্টেম্বর ১৬ ১১:১০:৩৫
কেয়ামতের দিন মানুষ নিজের ৩ পাশে যা দেখবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: কেয়ামত একটি অবধারিত সত্য। সেদিন মহাবিশ্বের সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে এবং মানুষের আমল অনুযায়ী বিচার হবে। হাদিসে কেয়ামতের সেই ভয়াবহ দিনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে মানুষ নিজেকে তিন দিক থেকে দেখবে।

যে ভয়াবহতা অপেক্ষা করছে

কোরআনে বলা হয়েছে, "কেয়ামত অকস্মাৎ তাদের কাছে এসে পড়ুক। বস্তুত কেয়ামতের লক্ষণসমূহ তো এসেই পড়েছে।" (সূরা মুহাম্মদ: ১৮)। সেদিন সূর্য মানুষের খুব কাছে চলে আসবে এবং ঘামের বন্যায় মানুষ হাবুডুবু খাবে। বান্দাদের আমল মাপার জন্য দাঁড়িপাল্লা স্থাপন করা হবে। যাদের নেকির পাল্লা ভারী হবে, তারাই সফল হবেন। আর যাদের পাল্লা হালকা হবে, তাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম।

আল্লাহ বলেন, "প্রত্যেক মানুষের ভাল-মন্দ কাজের আমলনামা আমি তার গলায় ঝুলিয়ে দিবো এবং কেয়ামতের দিন তার জন্য বের করবো একটি কিতাব, যাকে সে খোলা আকারে পাবে। বলা হবে, পড়ো নিজের আমলনামা নিজেই। আজ নিজের হিসাব করার জন্য তুমি নিজেই যথেষ্ট।" (সূরা বানী ইসরাঈল: ১৩-১৪)।

নবীজি (সা.) কেয়ামতের আকস্মিকতা সম্পর্কে বলেন, "এক ব্যক্তি দুধ দোহন করে ঘরে নিয়ে বসবে, কিন্তু তা পান করতে পারবে না; এক ব্যক্তি লোকমা তুলবে, কিন্তু তা মুখে দিতে পারবে না—এমন অবস্থায় কেয়ামত কায়েম হবে।" (বুখারি: ৬৫০৬)।

তিন দিকে যা দেখতে পাবে মানুষ

আদী ইবন হাতিম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কেয়ামতের দিন প্রত্যেক ব্যক্তির সঙ্গে তার রব সরাসরি কথা বলবেন, কোনো অনুবাদক থাকবে না। তখন সে তার ডান পাশে তাকিয়ে দেখবে যা সে আগে করে পাঠিয়েছে (অর্থাৎ তার ভালো আমল)। এরপর সে বাম দিকে তাকাবে, সেখানেও সে যা আগে করেছে (অর্থাৎ তার খারাপ আমল) তা-ই দেখতে পাবে। আর যখন সে সামনের দিকে তাকাবে, তখন কেবল জাহান্নামকেই দেখতে পাবে।

এই হাদিস থেকেই নবীজি (সা.) বলেছেন, "একটি খেজুরের সামান্য অংশ দান করেও তোমাদের যে ব্যক্তি নিজেকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করতে পারে, সে যেন তা করে।" (ইবনু মাজাহ: ১৮৫)।

নেকীর পাল্লা ভারী করার একটি সহজ আমল

নেকীর পাল্লা ভারী করার একটি সহজ আমল সম্পর্কে এক হাদিসে ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে। একদিন রাসুল (সা.) উম্মুল মুমিনিন জুয়াইরিয়া (রা.)-এর ঘর থেকে বের হন। তিনি তখন নামাজের স্থানে ছিলেন। রাসুল (সা.) বলেন, "আমি তোমার স্থান থেকে গিয়ে চারটি বাক্য তিনবার পড়েছি। এই সময়ে তুমি যা পড়েছ তার সঙ্গে ওইসব বাক্যের ওজন করা হলে, তা-ই ভারী হবে।" দোয়াটি হলো:

সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি আদাদা খালকিহি, ওয়ারিদা নাফসিহি, ওয়াজিনাতা আরশিহি, ওয়ামিদাদা কালিমাতিহি।

আরও পড়ুন- পৃথিবীর কেন্দ্র উল্টো দিকে ঘুরছে, পশ্চিমে সূর্যোদয়ের জোরালো বার্তা

আরও পড়ুন- কেন তেলাপিয়া মাছকে জান্নাতি বলা হয়

অর্থ: আমি আল্লাহ তাআলার পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করছি, তার সৃষ্টির সংখ্যা সমপরিমাণ, মহান সত্ত্বার সন্তুষ্টির পরিমাণ, তার আরশের ওজন পরিমাণ এবং তার বাক্যগুলোর কালির পরিমাণ।

আশা/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

যে কারণে জিম্বাবুয়েও এখন আসতে চায় না!

যে কারণে জিম্বাবুয়েও এখন আসতে চায় না!

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের ক্রিকেট এখন এক কঠিন ক্রান্তিকাল পার করছে। নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে ...

নিপাহ আতঙ্ক ভারতে বিশ্বকাপ অনিশ্চয়তা: যা জানালো বিসিসিআই

নিপাহ আতঙ্ক ভারতে বিশ্বকাপ অনিশ্চয়তা: যা জানালো বিসিসিআই

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে পর্দা উঠতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। তবে ...

ফুটবল

একটু পর ভুটানের বিপক্ষে লড়বে বাংলাদেশ; (Live) দেখুন এখানে

একটু পর ভুটানের বিপক্ষে লড়বে বাংলাদেশ; (Live) দেখুন এখানে

নিজস্ব প্রতিবেদক:ভুটানেরপোখরা রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে আজ দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ এবং ভুটান অনূর্ধ্ব-১৯ ...

ভিলারিয়াল বনাম বার্সেলোনা: (Live) দেখুন এখানে

ভিলারিয়াল বনাম বার্সেলোনা: (Live) দেখুন এখানে

নিজস্ব প্রতিবেদক: লা লিগার শিরোপা লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি হয়েছে টেবিলের শীর্ষ দুই দল ভিলারিয়াল ও ...