| ঢাকা, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

Bajaj Pulsar N160 S বাংলাদেশে কবে আসবে, দাম ও মাইলেজ কত

লাইফ স্টাইল ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৬ নভেম্বর ০৬ ১২:০৪:১৯
Bajaj Pulsar N160 S বাংলাদেশে কবে আসবে, দাম ও মাইলেজ কত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৬০ সিসি স্পোর্টস বাইকের বাজারে নতুন আকর্ষণ তৈরি করেছে Bajaj Pulsar N160 S। আগের Pulsar N160-এর তুলনায় নতুন এই মডেলে যুক্ত হয়েছে ৪-ভালভ ইঞ্জিন, ইলেকট্রনিক থ্রটল প্রযুক্তি এবং একাধিক রাইডিং মোড। ভারতের বাজারে লঞ্চের পর থেকেই বাইকটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশি বাইকপ্রেমীদের মধ্যেও। এখন অনেকের প্রশ্ন, Bajaj Pulsar N160 S বাংলাদেশে কবে আসবে, দাম কত হতে পারে এবং এক লিটার জ্বালানিতে কত কিলোমিটার চলবে?

বাংলাদেশে কবে আসবে Bajaj Pulsar N160 S?

Bajaj Auto ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট ভারতের বাজারে Pulsar N160 S এবং N160 SS নামে দুটি নতুন ভ্যারিয়েন্ট উন্মোচন করে। তবে বাংলাদেশে এই নতুন S ভ্যারিয়েন্ট আনার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সময়সূচি প্রকাশ করেনি উত্তরা মোটরস, যা দেশে Bajaj মোটরসাইকেলের পরিবেশক।

বাংলাদেশে এরই মধ্যে Pulsar N160-এর বিভিন্ন সংস্করণ বাজারে এসেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে উত্তরা মোটরস N160 Single Seat সংস্করণও বাজারে আনে। তবে ভারতে লঞ্চ হওয়া নতুন N160 S একই বাইকের সাধারণ সংস্করণ নয়। এতে রয়েছে আলাদা ৪-ভালভ ইঞ্জিন ও উন্নত ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি।

তাই বাংলাদেশে বাইকটি আসতে পারে কি না, তা নিয়ে আগ্রহ থাকলেও নির্দিষ্ট লঞ্চের তারিখ জানার জন্য উত্তরা মোটরসের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করতে হবে।

বাংলাদেশে দাম কত হতে পারে?

ভারতে লঞ্চের সময় Bajaj Pulsar N160 S-এর এক্স-শোরুম দাম রাখা হয়েছিল ১ লাখ ৩৩ হাজার ৫১১ রুপি। অন্যদিকে আরও উন্নত N160 SS ভ্যারিয়েন্টের দাম ছিল ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৮৫ রুপি।

তবে ভারতের দাম সরাসরি বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তর করলেই বাংলাদেশের বাজারদর পাওয়া যায় না। আমদানি বা উৎপাদন খরচ, শুল্ক, কর, পরিবহন এবং পরিবেশকের মূল্য নির্ধারণের কারণে বাংলাদেশে দাম আলাদা হতে পারে।

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে Pulsar N160 S-এর আনুষ্ঠানিক দাম ঘোষণা করা হয়নি। ফলে নির্দিষ্ট কোনো দাম উল্লেখ করা ঠিক হবে না।

ইঞ্জিন ও পারফরম্যান্স

নতুন Pulsar N160 S-এর সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এর ইঞ্জিনে। এতে রয়েছে ১৬৪.৯ সিসির সিঙ্গেল-সিলিন্ডার, ৪-ভালভ, অয়েল-কুলড ইঞ্জিন। ইঞ্জিনটি সর্বোচ্চ ১৮.৫ PS শক্তি এবং ১৪.৪ Nm টর্ক উৎপন্ন করতে পারে।

বাইকে রয়েছে ৫-স্পিড গিয়ারবক্স। Bajaj-এর দাবি অনুযায়ী, নতুন ইঞ্জিনের সাহায্যে বাইকটি মাত্র ৪.৫ সেকেন্ডে ঘণ্টায় ০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতি তুলতে পারে।

মাইলেজ কত দেবে?

Bajaj Pulsar N160 S-এর মাইলেজ নিয়ে অনেকের আগ্রহ রয়েছে। ভারতের বাইকবিষয়ক তথ্যসূত্র ZigWheels-এ মডেলটির ARAI-দাবিকৃত মাইলেজ ৪৪ কিলোমিটার প্রতি লিটার উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে বাস্তবে মাইলেজ নির্ভর করবে চালানোর ধরন, যানজট, রাস্তার অবস্থা, বাইকের রক্ষণাবেক্ষণ এবং চালকের ওপর। বাংলাদেশে আসার পর স্থানীয় ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে প্রকৃত মাইলেজ সম্পর্কে আরও নির্ভরযোগ্য ধারণা পাওয়া যাবে।

কী কী ফিচার থাকছে?

Pulsar N160 S-এ শুধু ইঞ্জিনের উন্নতি নয়, যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু আধুনিক প্রযুক্তি। এর উল্লেখযোগ্য ফিচারগুলো হলো—

  • ১৬৪.৯ সিসি ৪-ভালভ অয়েল-কুলড ইঞ্জিন

  • ইলেকট্রনিক থ্রটল বা Ride-by-Wire প্রযুক্তি

  • চারটি রাইডিং মোড: Road, Rain, Sport ও Off-road

  • Crawl Technology

  • কালার এলসিডি ইনস্ট্রুমেন্ট ডিসপ্লে

  • LED লাইটিং

  • ৫-স্পিড গিয়ারবক্স

  • ১৪ লিটারের ফুয়েল ট্যাংক

  • টিউবলেস টায়ার

এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, ৫ ইঞ্চি TFT ডিসপ্লে ও Google Maps মিররিং সুবিধা মূলত N160 SS ভ্যারিয়েন্টে রয়েছে। N160 S এবং N160 SS-এর ফিচার এক নয়।

ব্রেক, সাসপেনশন ও নিরাপত্তা

বাইকটির ব্রেকিং ও নিরাপত্তাব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। N160 S-এর ভ্যারিয়েন্টভেদে ব্রেক ও সামনের সাসপেনশনে পার্থক্য রয়েছে। উন্নত সংস্করণে বড় ডিস্ক ব্রেক এবং USD ফ্রন্ট ফর্ক পাওয়া যায়।

এ ছাড়া ইলেকট্রনিক থ্রটল প্রযুক্তির মাধ্যমে রাইডিং মোড পরিবর্তনের সুবিধা রয়েছে। অন্যদিকে ট্র্যাকশন কন্ট্রোল সুবিধাটি N160 SS-এর জন্য উল্লেখ করা হয়েছে। তাই কেনার আগে নির্দিষ্ট ভ্যারিয়েন্টের ফিচার তালিকা দেখে নেওয়া প্রয়োজন।

Bajaj Pulsar N160 S-এর গুরুত্বপূর্ণ স্পেসিফিকেশন

বিষয়তথ্য
মডেল Bajaj Pulsar N160 S
ইঞ্জিন ১৬৪.৯ সিসি
ইঞ্জিনের ধরন সিঙ্গেল সিলিন্ডার, ৪-ভালভ, অয়েল-কুলড
সর্বোচ্চ শক্তি ১৮.৫ PS
সর্বোচ্চ টর্ক ১৪.৪ Nm
গিয়ার ৫-স্পিড
রাইডিং মোড ৪টি
ফুয়েল ট্যাংক ১৪ লিটার
দাবি করা মাইলেজ ৪৪ কিমি/লিটার
সর্বোচ্চ গতি প্রায় ১১৪ কিমি/ঘণ্টা
ওজন প্রায় ১৫১ কেজি
ভারতে লঞ্চ ৭ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশে লঞ্চ আনুষ্ঠানিক তারিখ ঘোষণা হয়নি

নতুন Bajaj Pulsar N160 S মূলত তাদের জন্য আকর্ষণীয় হতে পারে, যারা ১৬০ সিসি সেগমেন্টে বেশি শক্তিশালী ইঞ্জিনের পাশাপাশি আধুনিক রাইডিং প্রযুক্তি চান। ৪-ভালভ ইঞ্জিন, চারটি রাইডিং মোড এবং ইলেকট্রনিক থ্রটল বাইকটিকে আগের N160 থেকে আলাদা করেছে।

তবে বাংলাদেশি ক্রেতাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এর সম্ভাব্য দাম ও স্থানীয় বাজারে আসার সময়। উত্তরা মোটরস আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত লঞ্চের তারিখ, দাম কিংবা বাংলাদেশে পাওয়া যাবে এমন ফিচার নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তাই আগ্রহী ক্রেতাদের আপাতত পরিবেশকের ঘোষণার দিকে নজর রাখা উচিত।

আশা/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন সাদমান, বড় দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশ

স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন সাদমান, বড় দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনের সকালটা বাংলাদেশের জন্য একদিকে যেমন স্বস্তির, অন্যদিকে তেমনই দুশ্চিন্তার। ...

বিগ ব্যাশে প্রথমবার মুস্তাফিজ

বিগ ব্যাশে প্রথমবার মুস্তাফিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) প্রথমবারের মতো খেলতে যাচ্ছেন ...

ফুটবল

৯০ মিনিটের খেলা শেষ; বাংলাদেশ-ভুটান ম্যাচ, জানুন ফলাফল

৯০ মিনিটের খেলা শেষ; বাংলাদেশ-ভুটান ম্যাচ, জানুন ফলাফল

স্পোর্টস ডেস্ক: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে পূর্ণ ৩ ...

ভুটানকে হারিয়ে গ্রুপ ‘এ’-এর শীর্ষে বাংলাদেশ

ভুটানকে হারিয়ে গ্রুপ ‘এ’-এর শীর্ষে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ পর্বে ভুটানের বিপক্ষে ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয়ের পর পয়েন্ট টেবিলের ...