আবারও বাড়লো পেঁয়াজের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বাজারে আবারও বেড়েছে পেঁয়াজ ও আদার দাম। এর সঙ্গে ডিমসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দামও ঊর্ধ্বমুখী থাকায় ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি অন্তত ১০ টাকা বেড়েছে। একই সময়ে আদার দামও কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায়।
দেশি পেঁয়াজ এখন বাজারে কেজিপ্রতি ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে চাহিদা বাড়ায় বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে।
তবে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে দাম ধীরে ধীরে বাড়ছে। বড় মগবাজারের এক খুচরা বিক্রেতা জানান, পাইকারি বাজারে প্রতিদিনই পেঁয়াজের দাম সামান্য করে বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।
এদিকে ডিমের বাজারেও অস্থিরতা চলছে। এক ডজন ডিমের দাম ১৩০–১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে এখন ১৫০ টাকায় পৌঁছেছে। কিছু এলাকায় তা ১৫৫ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে।
তবে মুরগির বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৭০ থেকে ১৮৫ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবজির বাজারেও স্বস্তি নেই। বেশিরভাগ সবজির দাম এখন কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। পেঁপে ৬০–৮০ টাকা, বেগুন ৯০–১২০ টাকা, আর ঢ্যাঁড়স, চিচিঙ্গা, ধুন্দল ও ঝিঙে ৮০–১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা ও বরবটি মতো কিছু সবজি ১০০–১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
নিত্যপণ্যের এই দাম বৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনযাত্রার খরচ আরও বেড়েছে। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, বাজারে নজরদারি না বাড়ালে ঈদের আগে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
একজন ক্রেতা জানান, “সরবরাহ ঘাটতি বা অন্য অজুহাতে দাম বাড়ানো এখন নিয়মিত বিষয় হয়ে গেছে। কঠোর মনিটরিং থাকলে এমন পরিস্থিতি হতো না।”
সিদ্দিকা/
