নতুন পে-স্কেলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে কবে
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পে-কমিশনের প্রস্তাবিত হারের তুলনায় বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ কিছুটা কম হতে পারে।
নতুন পে-স্কেল এক ধাপে নয়, বরং তিন ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী—
* প্রথম ধাপে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে মূল বেতনের প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি হতে পারে
* পরে পরবর্তী অর্থবছরগুলোতে ধাপে ধাপে বাকি অংশ যুক্ত করা হবে
* একই সঙ্গে ভাতাগুলোও পর্যায়ক্রমে সমন্বয় করা হবে
তবে এই বৃদ্ধির হিসাব ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কাঠামোর ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হতে পারে বলে জানা গেছে, যেখানে কমিশনের সুপারিশ ছিল ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির।
সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের পে-কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।
সেখানে বলা হয়, প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য অতিরিক্ত ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার মতো ব্যয় লাগতে পারে।
এই বিশাল আর্থিক চাপ সামলাতেই ধাপে ধাপে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
সূত্র অনুযায়ী, জুডিশিয়াল সার্ভিস এবং সশস্ত্র বাহিনীর জন্যও আলাদা বেতন কাঠামোর প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে।
সব প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে আগামী বাজেটেই নবম পে-স্কেলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে বড় অংশ কার্যকর করার পর ২০২৮–২৯ অর্থবছরের মধ্যে নতুন পে-স্কেলের পূর্ণ সুবিধা ও ভাতাগুলো পুরোপুরি চালু হতে পারে।
সোহাগ/
