নবম পে-স্কেলে বাড়ছে একাধিক বিশেষ ভাতা
নিজস্ব প্রতিবেদক: উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বাড়তি জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীদের জন্য স্বস্তির খবর আসছে নবম পে-স্কেলে। জাতীয় বেতন কমিশনের প্রাথমিক সুপারিশে বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা ও পেনশন কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি তিন ধাপে কার্যকর হতে পারে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বরাদ্দও রাখা হয়েছে। তবে পুরো পে-স্কেল বাস্তবায়নে আরও সময় লাগতে পারে এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরের আগে তা সম্পূর্ণ কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম।
নতুন কাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের সামাজিক ও পারিবারিক প্রয়োজন বিবেচনায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, বৈশাখী ভাতা বর্তমান মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
সন্তানদের শিক্ষা ব্যয় বিবেচনায় শিক্ষা ভাতাও বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে। বর্তমানে মাসিক ১ হাজার ৫০০ টাকা শিক্ষা ভাতা দেওয়া হলেও তা বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
পেনশনভোগীদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তিন ধাপে পেনশন বৃদ্ধির পরিকল্পনাও রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর এই পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবী ও অবসরপ্রাপ্ত লাখো মানুষের আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে।
জাতীয় বেতন কমিশনের পুনর্গঠিত কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সরকার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে বলে জানা গেছে।
সোহাগ/
