শবে মেরাজ কবে; নামাজ ও ফজিলত
নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে হিজরি ১৪৪৭ সনের রজব মাস শুরু হয়েছে। সেই গণনা অনুযায়ী, ২৬ রজব দিবাগত রাত অর্থাৎ ১৬ জানুয়ারি রাতে শবে মেরাজ পালিত হবে।
একনজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
১. তারিখ: ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ (শুক্রবার)।
২. সময়: শুক্রবার দিবাগত রাত (ইবাদতের রাত)।
৩. হিজরি তারিখ: ২৭ রজব, ১৪৪৭ হিজরি।
বিশেষ নোট: সাধারণত শবে মেরাজের পরের দিন (১৭ জানুয়ারি, শনিবার) অনেকে নফল রোজা রাখেন।
শবে মেরাজ ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মহিমান্বিত একটি রাত। এই রাতে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মহান আল্লাহর বিশেষ আমন্ত্রণে ঊর্ধ্বাকাশে গমন করেছিলেন এবং আল্লাহর দিদার লাভ করেছিলেন। এই রাতের ফজিলত ও ইবাদতের নিয়ম সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
শবে মেরাজের ফজিলত
১. নামাজের উপহার: এই রাতেই উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়।
২. সরাসরি সাক্ষাৎ: আল্লাহ তাআলা এই রাতে তাঁর প্রিয় নবীকে সরাসরি জান্নাত, জাহান্নাম এবং আরশে আজিম পরিদর্শন করান।
৩. ক্ষমা লাভ: হাদিস শরিফ অনুযায়ী, এই রাতে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের দোয়া কবুল করেন এবং অনেককে ক্ষমা করে দেন। বিশেষ করে যারা শিরক থেকে মুক্ত থাকে।
৪. বরকতময় রাত: রজব মাস আল্লাহর মাস হিসেবে পরিচিত এবং এই মাসের ২৭তম রাতটি আল্লাহর বিশেষ রহমতে পরিপূর্ণ থাকে।
শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম
শবে মেরাজের জন্য নির্দিষ্ট কোনো নিয়মের নামাজ কোরআন বা হাদিসে সরাসরি বর্ণিত নেই। তবে এই রাতে ইবাদত করা সওয়াবের কাজ। আপনি নফল নামাজের সাধারণ নিয়মেই এই নামাজ পড়তে পারেন।
১. নামাজের সময়: এশার নামাজের পর থেকে ফজর হওয়ার আগ পর্যন্ত যেকোনো সময় এই নফল নামাজ পড়া যায়। রাতের শেষ তৃতীয়াংশে পড়া সবচেয়ে উত্তম।
২. কত রাকাত: নফল নামাজ ২ রাকাত করে যত ইচ্ছা পড়া যায়। সাধারণত অনেকেই ১২ রাকাত বা তার বেশি পড়ে থাকেন।
৩. নামাজের নিয়ত: "আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য শবে মেরাজের ২ রাকাত নফল নামাজ পড়ার নিয়ত করছি। আল্লাহু আকবার।" (নিয়ত মনে মনে করলেও হয়)।
৪. পড়ার নিয়ম: অন্য সব সাধারণ নামাজের মতোই প্রতি রাকাতে সুরা ফাতিহার সাথে যেকোনো একটি সুরা মিলিয়ে এই নামাজ পড়তে হয়।
অন্যান্য আমলসমূহ
১. জিকির ও তাসবিহ: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার এবং বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা।
২. তওবা ও এস্তেগফার: নিজের গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করা এবং ক্ষমা চাওয়া।
৩. কুরআন তেলাওয়াত: এই রাতে পবিত্র কুরআন মাজিদ অর্থসহ পাঠ করা অনেক সওয়াবের কাজ।
৪. দোয়া করা: নিজের জন্য, পরিবারের জন্য এবং পুরো মুসলিম উম্মাহর জন্য খাস দিলে দোয়া করা।
৫. রোজা রাখা: ২৭ রজব (অর্থাৎ মেরাজের রাতের পরের দিন) নফল রোজা রাখা অনেক সওয়াবের কাজ। অনেকের মতে, এই মাসের নফল রোজা অন্য মাসের চেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ।
পরিশেষে, ইসলামে ইবাদতের কোনো নির্দিষ্ট ধরাবাঁধা সংখ্যা নেই। আপনি আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী যতটুকু সম্ভব একাগ্রতার সাথে আল্লাহর ইবাদত করার চেষ্টা করবেন।
আশা/
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে অর্থ উপদেষ্টার নতুন বার্তা: প্রস্তুতি চূড়ান্ত
- পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে বড় ঘোষণা সরকারি চাকরিজীবীদের
- পে স্কেল বাস্তবায়ন কবে, যা জানাল বিএনপি
- ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর হচ্ছে মহার্ঘ ভাতা; বাড়ছে ৪ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত
- দেশে পৌঁছেছে ৪ লাখ ২২ হাজার প্রবাসীর ভোট; জানুন ফলাফল
- আজকের সোনার বাজারদর: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- যে সময় প্রকাশ হবে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা
- বাংলাদেশে আজ ১৮, ২১, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম
- পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন ঘোষণা
- আজকের সোনার বাজারদর: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- দেশের বাজারে আজকের স্বর্ণের দাম
- বাংলাদেশের বিশ্বকাপ নিয়ে আইসিসির নতুন সিদ্ধান্ত, যা জানা গেল
- আবারও স্বর্ণের দামে বড় লাফ, এক ভরি কত হল
- মাঘের শেষে শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
