| ঢাকা, বুধবার, ৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯

“ওদের চারটি, আমাদের একটিও নেই” ম্যাচ হারার মূল কারন জানালেন তামিম

২০২২ আগস্ট ০৮ ১১:০৪:৪২
“ওদের চারটি, আমাদের একটিও নেই” ম্যাচ হারার মূল কারন জানালেন তামিম

ওদের চার, আমাদের কেউ না: তামিম ওয়ানডেতে উড়ন্ত বাংলাদেশকে ধাক্কা দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। গত ৯ বছরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কোনো সিরিজ হারেনি বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত হেরেছে। হারারেতে স্বাগতিকরা টানা দুই ম্যাচ জিতেছে যেন একই অবস্থা। একইভাবে দুই জয়, দুই ম্যাচেই জয়ের নায়ক সিকান্দার রাজা। দুই দশক অপরাজিত থাকার পর রাজা হিসেবে মাঠ ছাড়েন তিনি।

রাজা একা নন, ইনোসেন্ট কাইয়া এবং রেজিস চাকাবা দ্বারা শতবর্ষ পূরণ হচ্ছে। প্রথম ম্যাচে রাজা-কাইয়ার ১৯২ রানের জুটি দ্বিতীয় ম্যাচে রাজা-চাকাবার ২০১ রানের জুটি পরে। দুজনেই জিম্বাবুয়ের রেকর্ড জুটি। এই দুই ম্যাচকে বলা যেতে পারে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের সোনালী দিন ফেরার বিস্ময়কর রসদ।

কেন হারলো বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের জয়টা মানা গেলেও দ্বিতীয় জয়টা মানতে পারছেন না অধিনায়ক তামিম ইকবাল। দুই দলের পার্থক্যের জায়গাটা কোথায় সেটিও বের করেছেন টাইগার অধিনায়ক।

ম্যাচ শেষে তামিম বলেছেন, ‘আমার মনে হয় পার্থক্যটা এখানে, ওদের চারটি (সেঞ্চুরি), আমাদের নেই। এটাই বড় পার্থক্য।’

তামিম ইকবালের ব্যাটে ইনিংসের শুরুটা ছিল দারুণ। একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে একের পর এক বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে তুলে নেন অর্ধশতক। যদিও এর বেশি লম্বা করতে পারেননি ইনিংস।

তামিমের বিদায়ের পর বদলে যায় দৃশ্যপট। যদিও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ৮০ আর আফিফ হোসেনের ৪১ রানের ইনিংসে ২৯১ রানের লড়াই করার পুঁজি পায়।

তামিম বলেন, ‘ভালো একটা স্কোর গড়েছিলাম। শুরুটা ভালো হয়েছিল, কিন্তু চালিয়ে যেতে পারেনি। ছোটখাটো একটা ধসের পর মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ ভালো করেছিল। ২৯১ রানও ভালো স্কোরই ছিল, আমার বোলিংয়ে লড়াই করার মতো কিছু পেয়েছিলাম।’

অবশ্য দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর আফসোস ২০ রানের। তার মতে আর কুড়িটা রান করলে ম্যাচের চিত্র হতো ভিন্ন।

‘জিম্বাবুয়েকে কৃতিত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে রাজাকে। দুটি দারুণ ইনিংস চাপের মুখে। গতকাল হয়তো ২০ রান কম করেছি। আজও ২০ রানের মতো কম করেছি। আর বিকালে এমন স্কোর ডিফেন্ড করা খুবই কঠিন। তবে কোনো অজুহাত দিতে চাই না।’

ডমিঙ্গো অবশ্য ব্যর্থতার দায় পুরোপুরি ব্যাটারদের দিতে চাইছেন না। বোলিংয়েও ছন্নছাড়া ছিল বোলিংও। ডমিঙ্গো মনে করেন, বোলাররা চাপ নিতে পারেননি।

‘দুটি ম্যাচেই ৬০/৩, ৪০/৪ ছিল। ছেলেরা চাপের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেনি। বেশি আলগা বল করে ফেলেছে, ভুল ফিল্ডিংয়ে বল করেছে। ভুল অপশন বেছে নিয়েছে। তারা চেষ্টা করছে অনেক, তবে ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পারছে না। এটিই সবচেয়ে হতাশাজনক। ভালো দল আপনাকে শাস্তি দেবেই।’

তবে সব ছাপিয়ে তামিমের চাওয়া শেষ ম্যাচে জয়। কেন না, এই ম্যাচগুলো ওয়ানডে সুপার লিগের অংশ না হওয়ায় হাঁফ ছেড়ে বাঁচা গেলেও মান রক্ষার জন্য লড়বে বাংলাদেশ।

‘আমাদের আসলে আরও ভালো খেলতে হবে। সেরাটা খেলতে হবে। এখন পর্যন্ত সেরাটা খেলিনি। এ কারণেই এ পরিস্থিতিতে পড়েছি আমরা।’

পাঠকের মতামত:

ক্রিকেট এর সর্বশেষ খবর

ক্রিকেট - এর সব খবর



রে