| ঢাকা, শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯

যত বেশি বাউন্ডারি, জেতার সম্ভাবনা তত বেশি: সিডন্স

২০২২ জুন ৩০ ১৭:২৩:৫০
যত বেশি বাউন্ডারি, জেতার সম্ভাবনা তত বেশি: সিডন্স

হ্যালির ধুমকেতুর মত যেন টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশী টপ অর্ডার ব্যাটারদের ধারবাহিকতা। কালেভদ্রে তাদের ব্যাটে বড় রানে দেখা মেলে। এর বড় কারণ ধৈর্যের অভাব। যেটা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একজন ব্যাটারের না থাকলেও খুব বেশি ক্ষতি নেই। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটে টেস্ট আর টি-টোয়েন্টির রোড

ম্যাপে বড় কোনো পার্থক্য নেই। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ব্যাটারদের উন্নতি করার একটা পথ বাতলে দিয়েছে জেমি সিডন্স। তিনি বলেছেন, ছক্কা না মারতে পারলেও অন্তত চার মারতে হবে, এক-দুই নিয়ে কখনো টি-টোয়েন্টি জেতা যাবে না।

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সাফল্যের হার খুবই কম। যেখানে বড় দায় ব্যাটারদের। বাউন্ডারি মারায় বেশ পিছিয়ে তারা। মাত্র বিশ ওভারের খেলায় উইকেটে সেট হওয়ার খুব বেশি সময় পাওয়া যায় না, উইকেটে গিয়ে শুরু থেকেই শট খেলতে হয়।

তাছাড়া বাংলাদেশের ব্যাটারদের আরও একটি বড় সমস্য হচ্ছে, বেশি বেশি ডট বল খেলা। এই সমস্যা থেকেও বের হয়ে আসা জরুরী। স্কোর বোর্ডে বড় রান না তুলতে পারলে বোলারদের কিছুই করার থাকে না। যেখানে বরাবরই পিছিয়ে বাংলাদেশ। সিডন্স বলছেন, প্রতিপক্ষকে অন্তত মাঝারি মানের লক্ষ্য দিতে পারলেও বাকি কাজটা বোলাররা করতে পারবে।

সিডন্স বলেন, 'টি-টোয়েন্টি জিততে হলে চার ছক্কা লাগবেই, যত বেশি বাউন্ডারি; জেতার সম্ভাবনা তত বেশি, সাথে এক-দুই। তবে মাথায় রাখা জরুরী, এক-দুই নিয়ে বিশ ওভারের ম্যাচ জেতা যাবে না। ডটবল যতো কম খেলা যায় ততো ভালো। যথেষ্ট ছক্কা মারা যদি সম্ভব নাও হয়, চার মারতে হবে। টি-টোয়েন্টিতে অনেক বড় স্কোরের বদলে আমাদের দরকার মোটামুটি ভালো রান। কারণ বোলিং যথেষ্ট ভালো। মোটামুটি ভালো রান স্কোরবোর্ডে থাকলে, বাকি কাজটা বোলাররা করে দিতে পারবে।'

বাংলাদেশের ব্যাটাররা শারীরিকভাবেই পাওয়ার হিটিংয়ের জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। যেখানে তাদের কোনো দায় নেই। তবে দক্ষতা আর টাইমিং দিয়েও বড় শট খেলা যায়। যার বড় উদাহরণ হতে পারেন ভারতের হার্দিক পান্ডিয়া। বাংলাদেশের ব্যাটারদের নিয়ে এই জায়গায়ই কাজ করতে চান জেমি সিডন্স।

ব্যাটিং কোচ বলেন, 'পাওয়ার হিটিং শেখানোর জন্য আমিই যথেষ্ট। কিন্তু এখানে (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) আসার পর মোটে পাঁচটা সেশন কাজ করতে পেরেছি, ম্যাচের আগে পরে; আর ম্যাচের প্রস্তুতির সময় পাওয়ার হিটিং স্কিল নিয়ে কাজ করতে গেলে ব্যাটাররা সেটা নিতে পারবে না। হয়তো নতুন টেকনিক শেখাতে হবে অথবা টেকনিকে বদল আনতে হবে, এই কাজগুলো খেলা চলাকালীন করলে ওদের সমস্যা হবে। বড় শট খেলার দক্ষতা বাড়াতে পর্যাপ্ত ট্রেনিং প্রয়োজন, রাতারাতি পাওয়ার হিটার বানানো যায় না। সময় লাগে।'

পাঠকের মতামত:

ক্রিকেট এর সর্বশেষ খবর

ক্রিকেট - এর সব খবর



রে