ব্রেকিং নিউজ ; শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় ও অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে অবিশ্বাস্য মন্তব্য করলেন কংগ্রেস নেতা শশী থারুর
ছাত্র আন্দোলন ও সাধারণ বিপ্লবের কারণে পদত্যাগের পর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। ভারতে তার আশ্রয় নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে দুটি বক্তব্য ছিল। শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা ভারতে থাকবেন নাকি অন্য দেশে যাবেন সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বার্তা নেই। এমন পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয় নেওয়া এবং অন্তর্বর্তী সরকার সম্পর্কে খোলাখুলি কথা বলেছেন ভারতীয় কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার সদস্য শশী থারুর।
গত শনিবার (১০ আগস্ট) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বন্ধু, আমরা তাকে আশ্রয় দিয়েছি, এটা খুবই লজ্জাজনক আমরা তাকে আশ্রয় দিই না কিন্তু বাংলাদেশে গঠিত নতুন অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই, কারণ ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস সারা বিশ্বে সম্মানিত।
ভারতের এই বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এই সম্পর্কের মূল অঙ্গীকার হল বাংলাদেশী জনগণের মঙ্গল। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশী রাষ্ট্র, তারপর কোন বাংলাদেশী নেতা। আমরা ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশের জনগণের সাথে আছি। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আমরা সম্পর্ক বজায় রাখতে পেরেছি। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অবশ্যই সেই সম্পর্কের কোনো অবনতি হওয়ার কথা নয়।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে ভারতের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বব্যাপী একজন পরিচিত ব্যক্তি। আমিও তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি, অন্যান্য অনেক ভারতীয় নেতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাকে দেখেছেন। তিনি অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি। জামায়াতে ইসলামি বা পাকিস্তানি আইএসআই নয়, তিনি কিছুটা ওয়াশিংটনপন্থী। এই অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে আমাদের উদ্বেগ ছিল, পাকিস্তান এবং চীন ঘোলা পানিতে মাছ ধরার চেষ্টা করে কি না। আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতার অমানবিক ঘটনা প্রমাণ করে যে বাংলাদেশে চীনের শক্তিশালী প্রভাব রয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন বা ইউনূসের প্রাথমিক বিবৃতিতে এমন কিছুর ইঙ্গিত নেই। ইউনূস শান্তির কথা বলেছেন, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য শান্তির স্থিতিশীলতা আহ্বান জানিয়েছেন।
শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি শেখ হাসিনাকে সাহায্য না করতাম তাহলে এটা ভারতের জন্য কলঙ্কজনক হতো। আমরা যদি আমাদের বন্ধুর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতাম, তখন কেউ আমাদের বন্ধু হতে চাইতো না। আমি মনে করি, বর্তমান সরকার ও বিরোধী দলীয় সব ভারতীয় নেতাদের সঙ্গে শেখ হাসিনার সুসম্পর্ক ছিল, তিনি ভারতের বন্ধু এবং ভারত তার বন্ধু। যখন কোনো বন্ধু সমস্যায় পড়ে তখন আপনি তাদের সাহায্য করার জন্য দু'বার ভাববেন না। আপনি বন্ধুকে উদ্ধার করবেন নিরাপত্তা দেবেন। ভারত ঠিক এটিই করেছে এবং এটি করার জন্য আমি সরকারকে সাধুবাদ জানাই।’
কংগ্রেসের এই নেতা বলেন, ‘আমি মনে করি, ভারতীয় হিসেবে আমাদের অবশ্যই কিছু মূল্যবোধ আছে। ভারত সরকার শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সঠিক কাজ করেছে। কিন্তু তিনি কতক্ষণ থাকতে চান তা আমাদের উদ্বিগ্ন না হওয়াই ভালো। আপনি অতিথিকে ডেকে এনে কখন বাড়ি তিনি বাড়ি ফিরবেন তা জিজ্ঞেস করতে পারেন না।’
আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ
- ২৬ আগস্টের সরকারি ছুটি, যারা পাবেন না
- বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর; ২৪ আগস্ট ২০২৬
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট: ২৪ আগস্ট ২০২৬
- ৯০ মিনিটের খেলা শেষ; বার্সেলোনা বনাম এলচে
- ২৬ আগস্ট থেকে টানা ৪ দিনের ছুটি, কারা পাবেন না
- এসএসসি ২০২৭: পরীক্ষার তারিখ ও পূর্ণাঙ্গ রুটিন প্রকাশ
- পে স্কেলে পরিবর্তনের আভাস, অর্থায়ন নিয়ে চলছে হিসাব-নিকাশ
- সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে নবম পে-স্কেলের গেজেট
- আজকের স্বর্ণের বাজারদর; ২৫ আগস্ট ২০২৬
- ২০২৬ বাজাজ পালসার ১২৫: নতুন ইঞ্জিন ও মোনোশক সাসপেনশনে বড় আপডেট
- ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদে নতুন নির্দেশনা
- পে-স্কেলের সিদ্ধান্তে দেরি হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে: দেবপ্রিয়
- Pulsar 150 বনাম Apache RTR 160: দাম ও ফিচারে পার্থক্য
- মঙ্গলবার ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
