| ঢাকা, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩, ১৭ চৈত্র ১৪২৯

বিশ্লেষণ: রাহুলের রানখরা কাটার নেপথ্য রহস্য

২০২৩ মার্চ ১৮ ১১:০১:১৩
বিশ্লেষণ: রাহুলের রানখরা কাটার নেপথ্য রহস্য

লোকেশ রাহুল তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে অন্যতম প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাকে দলের বাইরে রাখার কথা চলছে অফ ফর্মের কারণে। প্রথম দুই টেস্টে রান না পাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ টেস্ট সিরিজের একাদশ থেকে বাদ পড়েন তিনি। রান নিয়ে সমালোচিত এই ব্যাটসম্যান ওয়ানডে সিরিজে ভারতকে এগিয়ে দিয়েছেন। রাহুলের অপরাজিত ৭৫ রানের সুবাদে স্বাগতিক দল প্রথম ওয়ানডেতে অজিদের ৫ উইকেট হারিয়েছে।

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে দুই দল। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে অনেক উইকেট হারিয়ে ৩৫.৪ ওভারে ১৮৮ রানে অলআউট হয়ে যায় আজিরা। জবাবে হার্দিক পান্ডিয়ার নেতৃত্বাধীন দল ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান করে জয়ী হয়। কিন্তু ইনিংসে তখনও ৬১ বল বাকি ছিল।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ট্র্যাভিস হেডের উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। মাত্র ৫ রানে তাকে বোল্ড করেন মোহাম্মদ সিরাজ। ধাক্কা নিতে অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথের সঙ্গে যোগ দেন আরেক ওপেনার মার্শ। তারা প্রতি ওভারে ছয়ের বেশি হারে রান করতে থাকে। সেখানে আক্রমণাত্মক ভূমিকায় ছিলেন মার্শ। টি-টোয়েন্টিতে তার বিস্ফোরক ইনিংসের পরও অস্ট্রেলিয়ার শক্ত ভিত রয়ে যায়নি। তবে স্মিথের বিদায়ে ৬৩ বলে ৭২ রানের জুটি ভেঙে যায়। উইকেটের পেছনে হার্দিক পান্ডিয়াকে ক্যাচ দিয়ে বল কাটলেন তিনি।

এরপর মার্শ হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন ৫১ বলে। এরপর তার ব্যাট ওঠে জোয়ার। ফলে ১৭তম ওভারেই অজিদের সংগ্রহ স্পর্শ করে তিন অঙ্ক। তরতর করে রান বাড়াতে বাড়াতে সেঞ্চুরির আভাস দেন মার্শ। তবে তার তাণ্ডবের অবসান ঘটিয়ে ভারতকে জরুরি ব্রেক থ্রু দেন জাদেজা। ৬৫ বলে ৮১ রান করে থামেন মার্শ। তিনি ১০ চারের সঙ্গে মারেন ৫ চার। নির্বিষ এক ডেলিভারিতে আউটসাইড এজ হয়ে শর্ট থার্ড ম্যানে মার্শ ধরা পড়েন। ১২৯ রানে তৃতীয় উইকেটের পতনের পরই অস্ট্রেলিয়ার পথ হারানো শুরু।

মার্শের সঙ্গে ৪৩ বলে ৫২ রানের জুটির পর মারনাস লাবুশানে ফেরেন থিতু হওয়ার আগে। জস ইংলিস ও ক্যামেরন গ্রিনকে আগে বাড়তে দেননি শামি। নিজের পরপর দুই ওভারে দুজনেরই স্টাম্প উপড়ে নেন তিনি। তাদের ৩০ রানের জুটি ভাঙলে হুড়মুড়িয়ে অলআউট হয়ে যায় সফরকারীরা। ১৯ রানে পড়ে তাদের শেষ ৬ উইকেট।

প্রথম ইনিংসে গতির ঝড় তুলেন শামি ও সিরাজ। ভারতের হয়ে শামি ও সিরাজ ৩টি, জাদেজা ২টি এবং পান্ডিয়া ও কুলদীপ একটি করে উইকেট নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে টপাটপ ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে রাহুল দ্রাবিড়ের শিষ্যরা। ব্যক্তিগত ৩ রানে ইশান কিশান, ৪ রানে বিরাট কোহলি ও শূন্য রানে সূর্যকুমার যাদব প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ওপেনার শুভমান গিল ২০ ও অধিনায়ক পান্ডিয়া করেন ২৫ রান। ৮৩ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর রাহুল ও জাদেজা মিলে ১০৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে তোলেন। তাতেই জয় পেয়ে যায় স্বাগতিক শিবির। শেষ পর্যন্ত ৯২ বলে ৭ চার ও এক ছয়ে রাহুল করেন ৭৫ রান। ৬৯ বলে ৫ চারে ৪৫ রান করেন জাদেজা।

অজি বোলারদের মধ্যে মিচেল স্টার্ক ৩টি এবং স্টয়নিস নেন ২টি উইকেট।

পাঠকের মতামত:

ক্রিকেট এর সর্বশেষ খবর

ক্রিকেট - এর সব খবর



রে