| ঢাকা, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

সংকটে সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশেও

জাতীয় ডেস্ক . বিনোদন৬৯.কম
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১১:১৮:৪৩
সংকটে সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশেও

নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সৌদি আরব। ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর হামলায় দেশটির বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আয়োজনেও। রিয়াদে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ সম্মেলন ‘ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ (এফআইআই) পিছিয়ে ২০২৭ সালে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে সৌদি আরবে মার্কিন কূটনৈতিক মিশনের জরুরি নয় এমন সরকারি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষায় সহায়তা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতি শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, বিনিয়োগ এবং প্রবাসী কর্মীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শ্রমবাজার এবং রেমিট্যান্সের বড় উৎস। দেশটিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ীভাবে খারাপ হলে প্রবাসী কর্মী, তাঁদের পরিবার এবং দেশের অর্থনীতিতে পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে।

সৌদি আরবে কী ঘটছে?

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার খবর প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। এর মধ্যে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং পূর্বাঞ্চলের দাম্মাম বিমানবন্দর ও শায়বাহ তেলক্ষেত্রের কাছে হামলার ঘটনা রয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২১ অক্টোবর দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় একজন নিহত ও আটজন আহত হন। একই দিনে শায়বাহ তেলক্ষেত্রের দিকে আসা একটি ড্রোন সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করার পর ধ্বংসাবশেষ পড়ে দুইজন নিহত হন। এসব ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

এর আগে রিয়াদের বিমানবন্দরেও প্রাণঘাতী হামলার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে প্রতিটি হামলার দায়, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট স্থাপনার ওপর প্রকৃত প্রভাব আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

বিনিয়োগ সম্মেলন পিছিয়ে যাওয়ায় কেন আলোচনা?

সৌদি আরবের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে তেলনির্ভর। তবে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন ২০৩০ পরিকল্পনার আওতায় পর্যটন, প্রযুক্তি, বিনোদন ও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‘ডাভোস ইন দ্য ডেজার্ট’ নামে পরিচিত এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী নেতা ও নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেন।

২০২৬ সালের ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর রিয়াদে সম্মেলনটির দশম আসর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আয়োজক প্রতিষ্ঠান ১৯ অক্টোবর জানায়, অনুষ্ঠানটি ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হবে। নতুন তারিখ পরে ঘোষণা করা হবে।

আয়োজকদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে সম্মেলন পিছিয়ে দেওয়ার নির্দিষ্ট কারণ হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী আয়োজনের মান ও পরিসর নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগকেও এই সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দীর্ঘস্থায়ী হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্ত, ব্যবসায়িক ভ্রমণ এবং বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। তবে সম্মেলন পিছিয়ে যাওয়াকে একাই সৌদি আরবের বিনিয়োগ খাতের সামগ্রিক অবস্থা নির্ধারণের ভিত্তি হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।

যুক্তরাষ্ট্র কি সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছে না?

সৌদি আরবের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তবে সাম্প্রতিক সংঘাতে ওয়াশিংটনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

রয়টার্সের ২১ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সৌদি আরবে মার্কিন কূটনৈতিক মিশনের জরুরি নয় এমন সরকারি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা এর পেছনে হুতি গোষ্ঠীর হামলা ও নিরাপত্তাঝুঁকির কথা উল্লেখ করেছেন।

এই পদক্ষেপকে সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যায়। তবে কূটনৈতিক কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে ওয়াশিংটন সৌদিকে সব ধরনের সামরিক সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য ২০ অক্টোবর ঘোষণা করেছে যে সৌদি আরবের শহর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষায় রয়্যাল এয়ার ফোর্সের টাইফুন যুদ্ধবিমান দিয়ে প্রতিরক্ষামূলক আকাশ অভিযান চালানো হবে। দেশটি জানিয়েছে, এই বিমানগুলো সৌদি আরবের আকাশসীমা রক্ষায় কাজ করবে, হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ পরিচালনা করবে না।

অর্থাৎ, সৌদি আরবের মিত্রদের সহায়তা থাকলেও সেই সহায়তার ধরন ও সীমা একেক দেশের ক্ষেত্রে আলাদা। সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়া এবং প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দেওয়া এক বিষয় নয়।

হুতি গোষ্ঠীর হামলা সৌদি আরবের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী এবং সৌদি আরবের বিরোধ দীর্ঘদিনের। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ২০১৫ সালে ইয়েমেনের যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেছিল। পরবর্তী সময়ে সংঘাত কমানোর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি শেষ হয়নি।

সাম্প্রতিক হামলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ হলো সৌদি আরবের বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা।

সৌদি আরব বিশ্বের অন্যতম বড় তেল উৎপাদক ও রপ্তানিকারক দেশ। দেশটির তেল উৎপাদন, পরিবহন ও রপ্তানি ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। এর প্রভাব তেলের দাম, পরিবহন ব্যয় এবং জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলোর অর্থনীতিতে পড়তে পারে।

তবে হামলার খবর প্রকাশিত হওয়া মানেই সৌদি আরবের তেল উৎপাদন বা রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে, এমন নয়। প্রকৃত প্রভাব বুঝতে উৎপাদন, রপ্তানি, বন্দরের কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক বাজারের তথ্য বিবেচনা করতে হবে।

বাংলাদেশের জন্য কেন উদ্বেগের বিষয়?

সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার প্রধান কারণ হলো প্রবাসী কর্মী ও তাঁদের পাঠানো অর্থ।

বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ২৪-এর ৬ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে প্রায় ১৬৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ওই সময়ে দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ১৯ দশমিক ২ শতাংশ এসেছে সৌদি আরব থেকে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, সৌদি আরবে ৩৫ লাখের বেশি বাংলাদেশি কাজ করেন। ফলে দেশটির নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক পরিবারের আর্থিক অবস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে কয়েকটি ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

প্রথমত, প্রবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা। বিমানবন্দর ও যাতায়াতব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটলে কর্মীদের চলাচল, ছুটিতে দেশে আসা কিংবা কাজে ফেরার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তবে সব বাংলাদেশি কর্মীর কাজ বন্ধ হয়ে যাবে বা দেশে ফিরতে হবে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো তথ্য নেই।

দ্বিতীয়ত, রেমিট্যান্স প্রবাহ। কর্মসংস্থান, যাতায়াত ও বেতন পরিশোধে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা তৈরি হলে কিছু পরিবারের দেশে পাঠানো অর্থ কমতে পারে। এর প্রভাব দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহেও পড়তে পারে।

তৃতীয়ত, জ্বালানি আমদানি। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা থাকে। এর প্রভাব বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা, পরিবহন ব্যয় এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিতে পড়তে পারে। তবে তেলের দাম কতটা বাড়বে, তা সরবরাহের প্রকৃত অবস্থা ও আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভর করবে।

চতুর্থত, নতুন কর্মী পাঠানো। নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়লে সৌদি আরবগামী কর্মীদের ভ্রমণ ও নিয়োগপ্রক্রিয়ায় সাময়িক জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও বিমান চলাচলের হালনাগাদ তথ্য অনুসরণ করা জরুরি।

সামনে কোন বিষয়গুলো নজরে রাখা প্রয়োজন?

পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা বোঝার জন্য কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।

  • সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় নতুন হামলা হচ্ছে কি না।

  • যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ মিত্র দেশগুলো প্রতিরক্ষামূলক সহায়তার পরিধি বাড়ায় কি না।

  • সৌদি আরব ও হুতি গোষ্ঠীর মধ্যে আলোচনার কোনো উদ্যোগ আসে কি না।

  • আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ও সরবরাহে কী পরিবর্তন হয়।

  • সৌদি আরবগামী বাংলাদেশি কর্মীদের বিমান চলাচল ও নিয়োগপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে কি না।

এসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করলে সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

সৌদি আরব ও হুতি গোষ্ঠীর সংঘাত এখন শুধু সামরিক নিরাপত্তার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ, তেল সরবরাহ, আঞ্চলিক কূটনীতি এবং প্রবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা।

বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সৌদি আরবে কর্মরত লাখো মানুষের নিরাপত্তা, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং জ্বালানি আমদানির ব্যয়। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে এসব খাতে ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে সম্ভাব্য ঝুঁকি আর বাস্তবে ঘটে যাওয়া ক্ষতির মধ্যে পার্থক্য রাখা জরুরি।

তাই পরিস্থিতি নিয়ে অতিরঞ্জিত দাবি বা অযাচাইকৃত খবরের পরিবর্তে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম, বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং সরকারি ভ্রমণ ও নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুসরণ করাই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।

সোহাগ/

আপনার জন্য নির্বাচিত নিউজ

ক্রিকেট

১৬ ডিসেম্বর হতে পারে আইপিএলের নিলাম, কোথায় হবে আয়োজন

১৬ ডিসেম্বর হতে পারে আইপিএলের নিলাম, কোথায় হবে আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ২০২৭ মৌসুমের মিনি নিলাম আগামী ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে ...

লিটন-মিরাজের শতরানের জুটিতে লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের লিড ৪৪৩

লিটন-মিরাজের শতরানের জুটিতে লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের লিড ৪৪৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন বাংলাদেশের লিটন দাস। ...

ফুটবল

রোনালদোর গোল ৯৮২

রোনালদোর গোল ৯৮২

নিজস্ব প্রতিবেদক: ক্যারিয়ারে ১ হাজার গোলের ঐতিহাসিক মাইলফলক ছোঁয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন ...

আর্জেন্টিনার কোচ থাকছেন স্কালোনিই, জানুন কত দিন

আর্জেন্টিনার কোচ থাকছেন স্কালোনিই, জানুন কত দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে চুক্তি নবায়নের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম। প্রাথমিকভাবে ...