ঢাকা, বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

অপরাজিতা আঢ্যের বাড়িতে জমজমাট পিঠে পর্ব

২০২০ জানুয়ারি ১৪ ২৩:০২:৪০
অপরাজিতা আঢ্যের বাড়িতে জমজমাট পিঠে পর্ব

শীত কাল মনেই পেটপুজো। আর যদি হয় পৌষ সংক্রান্তির উৎসব তাহলে তো কথাই নেই। একসময় মা- ঠাকুমারা কোমড় বেঁধে নেমে পড়তেন পিঠে বানাতে। নতুন গুড় উঠতেই পিঠে বানানোর তোড়জোড়। তবে আজকের ব্যস্ত জীবনে তা ইতিহাস। মোটের ওপরে মিষ্টির দোকানই ভরসা। বিরল কয়েক জনের বাড়িতে এখনও পিঠে বানানো হয়। এরকমই একটি বিরল বাড়ি অপরাজিতা আঢ‍্যর।

অপরাজিতার বাড়িতে প্রতিটি উৎসবই পালন করা হয় বেশ বড় করে। বাদ যায় না পৌষ সংক্রান্তিও। বাপের বাড়ি থাকা কালীন সেখানেও দেখে এসেছেন এই উৎসবের চল। অপরাজিতার মা বানাতেন ডালের পিঠে, নারকেলের সেদ্ধ পিঠে, দুধপুলির মতো জিভে জল আনা সব পদ।

বিয়ে হওয়ার পর থেকেই এই বাড়িতেও দেখলেন একই রীতির পালন, তবে এই বাড়ির আকারটা একটু বড়। শাশুড়ি, ননদের সঙ্গে তিনি হাত লাগান পিঠে বানানোর কাজে। পোড়া পিঠে দিয়ে শুরু হয় পিঠে বানানো। মাটির সরার মধ্যে হয় এই পোড়া পিঠে। তারপর বানানো হয় সরু চাকনি, পাটিসাপটা, সেদ্ধ পিঠে, ডালের পিঠে, কড়াইশুঁটির পিঠে, দুধপুলি, সন্দেশের পিঠে আরো অনেক কিছু।

শ্যুটিং কাজের ব্যস্ততা যাই থাকুক না কেন অপরাজিতা পিঠে বানানোর কাজে হাত লাগান। মূলত শাশুড়ি মাই গোটা বিষয়টা করে থাকেন। তাঁর সঙ্গে থেকে টুকটাক কাজ করেন অপরাজিতা। এই বছর শাশুড়ি মায়ের চোখ অপারেশন হবে, তাই পিঠের মেনুতে কয়েকটা পদ বাদ দিতে হয়েছে। তবে যা রয়েছে, তা দেখলেও চোখ ধাঁধিয়ে যাবে।

এই সব পিঠে বাড়ির কারো খাবার আগে দেওয়া হয় বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করা মা লক্ষ্মীকে। নায়িকার কথায়, যে কোনও অন্নের পুজো হল মা অন্নপূর্ণার পুজো। তাই মাকে ভোগ দিয়ে তারপর সকলে তা খান। বাইরের কাউকে নিমন্ত্রণ করা হয় না ঠিক।

যৌথ পরিবার, বাড়িতেই অনেক লোক। হৈ হট্টগোল কিছু কম হয় না। আশপাশের বাড়িতেও দিয়ে আসা হয় এই সব পিঠে, পায়েস। এখনও পুরোনো দিনের এই রীতি পালন করে চলেছেন অপরাজিতা আঢ‍্য।


টালিউড এর সর্বশেষ খবর

টালিউড - এর সব খবর