ঢাকা, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২ পৌষ ১৪২৬

ট্রেন দুর্ঘটনায় দুইটি কারণকে দায়ী করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

২০১৯ নভেম্বর ১২ ১৭:৪৭:২৩
ট্রেন দুর্ঘটনায় দুইটি কারণকে দায়ী করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা ও সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেসের দুর্ঘ'টনার জন্য সাধারণত দুটি কারণকে দায়ী করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তারা মনে করছেন, দুর্ঘ'টনার পেছনে বড় যে দুটি কারণ থাকতে পারে তার একটি হচ্ছে হয় তৃণা নিশীথা এক্সপ্রেসকে সিগনাল দেয়া হয়নি বা পরে দেয়া হয়েছে।

অ'পরটি হচ্ছে, তূর্ণা নিশীথা এক্সপ্রেস ট্রেনের চালক হয়তো ঘুমিয়ে ছিলেন তাই সিগন্যাল দেখেননি। এই দুটির কোনো একটির কারণেই মন্দবাগ স্টেশনের কাছে উদয়নকে ধাক্কা দেয় তূর্ণা নিশীথা। তবে মন্দবাগ রেলস্টেশনের মাস্টার জাকির হোসেন চৌধুরী জানান, আউটার ও হোম সিগন্যালে লাল বাতি (সর্তক সংকেত) দেয়া ছিল।

কিন্তু তূর্ণা নিশীথার চালক সিগন্যাল অমান্য করে ঢুকে পড়াতেই এ দুর্ঘ'টনা ঘটে বলে দাবি করছেন তিনি। স্টেশনের আশপাশের প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের চালক সিগন্যাল (সংকেত) অমান্য করেন অথবা তাকে সিগন্যাল দেয়া হয়নি।

মন্দবাগ রেলস্টেশনে দাঁড়ানোর জন্য এই সিগন্যাল দেয়ার কথা। ওই সিগন্যালে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস প্রধান লেন থেকে ১ নম্বর লাইনে যেতে শুরু করে। ট্রেনটির ছয়টি বগি ১ নম্বর লাইনে উঠতে পেরেছিল। অন্য বগিগুলো প্রধান লেনে থাকা অবস্থায় তূর্ণা নিশীথা সিগন্যাল অমান্য করে। এতে তূর্ণা নিশীথার একাধিক বগি ওই ট্রেনের কয়েকটি বগির ওপর উঠে যায়। এতে উদয়নের তিনটি বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জে'লা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন জানান, ‘দুর্ঘ'টনায় ঘটনাস্থলেই আট জনের মৃ'ত্যু হয়। পরে বিভিন্ন হা*সপা*তালে বাকী'রা মা'রা যায়।

প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে তূর্ণা নিশীথা ট্রেনটি সিগন্যাল অমান্য করে লাইনে ঢুকে উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে ধাক্কা দিয়েছে। তবে প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে অ'তিরিক্ত জে'লা ম্যাজিস্ট্রেট মিতু ম'রিয়মকে প্রধান করে তিন সদস্যের ত'দন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) ভোররাত পৌনে ৩টার দিকে মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা আন্তনগর ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা ও সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সং'ঘর্ষ হয়।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃ'ত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। দুই ট্রেনের শতাধিক যাত্রী আ'হত হয়েছেন। নি'হতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেলেও বেশিরভাগেরই পরিচয় পাওয়া যায়নি।


জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর