ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭

সাকিব, তামিম, মুশফিকের অবসরের সময় জানানো হলো

২০২০ জুন ২৫ ১৩:০৬:২৩
সাকিব, তামিম, মুশফিকের অবসরের সময় জানানো হলো

সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ ক্রিকেটের বড় একচি গর্ব। বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার তিনি। অন্যদিকে তামিম ইকবাল দেশ সেরা ওপেনার এবং বর্তমান সময়ের বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তিনি। মুশফিকুর রহিম হলেন বাংলাদেশ জাতিয় দলের উইকেট রক্ষক ও ব্যাটসম্যান এবং খুবই পরিশ্রতি একজন ক্রিকেটার।

সাকিব আল হাসান খুব করেই চান এটি। অবসর নেওয়ার পর কোনো একদিন তামিম ইকবাল আর মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে বসে অতীত দিনগুলোর মধুর স্মৃতি চারণ করবেন। ভাববেন, দীর্ঘ পথচলায় তাঁরা কি কি করেছেন। জাতীয় দলে এক সঙ্গে কাটানোর দিনগুলো মনে করে তৃপ্তি পাবেন।

মজার ঘটনাগুলো মনে করে এক সঙ্গে হেসে উঠবেন হো হো করে। এমন দৃশ্যপট কল্পনা করেছেন সাকিব ক্রিকবাজে বিখ্যাত ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলের সঙ্গে ভিডিও আড্ডায়। হার্শা তাঁর বাংলাদেশের এই তিন তারকা ক্রিকেটারকে ‘ফ্যান্টাস্টিক ট্রায়ো’ বলে থাকেন। সাকিব তাঁর কথার সূত্র ধরেই দুই সতীর্থকে নিয়ে যেন কিছুটা আবেগাক্রান্ত। বললে নিজেদের দীর্ঘ পথচলার গল্পটা, ‘আমরা সেই অনূর্ধ্ব–১৫ দল থেকেই ওদের এক সঙ্গে আছি।এক সঙ্গে জাতীয় দলে খেলছি।

আশা করি এক সঙ্গে থাকব আরও বেশ কয়েকটা বছর। আমার মনে হয় আমাদের তিন জনের দারুণ সময়টা আসবে তখনই, যখন আমরা এক সঙ্গে অবসরে যাব। এক জায়গায় বসে একদিন স্মৃতিচারণ করব। বাংলাদেশের হয়ে আমরা কি কি করেছি, কেমন করেছি, সেগুলো নিয়ে কথা বলব।’

অবসর প্রসঙ্গ আনলেও দেশকে এই তিন ক্রিকেটারের এখনো অনেক কিছুই দেওয়ার বাকি। শব্দটি হার্শাকেও কেন যেন কিছুটা নাড়া দিয়ে গেল। তিনি বললেন, ‘সাকিব আপনি কি মনে করেন না, অবসরের কথাটা বলে আপনি গোটা বাংলাদেশে আশঙ্কার একটা চোরাস্রোত বইয়ে দিয়েছেন। মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ল। তিন তারকা অবসরে যাবেন একসঙ্গে—এটা তো ভাবাই যায় না!’ৎ

হার্শার কথাতে সাকিবও যেন বুঝতে পারলেন,’ফ্যান্টাস্টিক ট্রায়ো’র অবসর এখনো দূরের ব্যাপার। তাই তিনি ভবিষ্যৎ নিয়েই কথা বললেন, ‘আমরা আপাতত ২০২৩ বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবছি। এটা আমাদের তো বটেই, বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বকাপ।’

তিনজনের মধ্যে পারফরম্যান্স নিয়ে কী কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে? হার্শার প্রশ্নের উত্তরে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ব্যাপারটি একেবারে উড়িয়ে দেননি সাকিব। বললেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে অবশ্যই এবং সেটা দলের স্বার্থেই, ‘আমাদের মধ্যে যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সেটি খুবই স্বাস্থ্যকর। এবং সেটা দলেরো জন্যও ভালো। ধরুন, আমাদের মধ্যে কেউ একশ করল, অন্যের চিন্তা থাকে নিজের স্কোরটা ১২০ করতে। বাংলাদেশের হয়ে আমাদের পরিসংখ্যানও কাছাকাছি। এ ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সব দলেই থাকা উচিত।’

সাকিব, তামিম, মুশফিক—তিনজনই ক্রিকেটের তিন সংস্করণ মিলিয়েই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। এঁদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে তামিম ইকবালই। তাঁর সংগ্রহ ১৩ হাজার ৩৬৫। সাকিব আর মুশফিকের মধ্যে রানের পার্থক্য অবশ্য খুব বেশি নয়। মুশফিকের সংগ্রহ ১১ হাজার ৮৬৯ আর সাকিবের ১১ হাজার ৭৫২।


খেলাধুলা এর সর্বশেষ খবর

খেলাধুলা - এর সব খবর