ঢাকা, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৫ আশ্বিন ১৪২৭

এইমাত্র পাওয়া : জেনেনিন আম্পানের সর্বশেষ অবস্থান, সংকেত ও সতর্কতা

২০২০ মে ২০ ১৭:০৯:৫৫
এইমাত্র পাওয়া : জেনেনিন আম্পানের সর্বশেষ অবস্থান, সংকেত ও সতর্কতা

আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় নতুন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে সুপার সাইক্লোন আম্পানের সর্বশেষ তথ্য। আম্পান বর্তমানে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় আম্পান আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার বিকেল তিনটার সময় ওই এলাকায় (২১.৫° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.১° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে।

এলাকার অবস্থান অনুযায়ী এটি;
চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৪২০ কি. মি. দক্ষিণপশ্চিমে,
কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৩০ কি. মি. দক্ষিণপশ্চিমে,
মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ২০০ কি. মি. দক্ষিণপশ্চিমে এবং
পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ২৫০ কি. মি. দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

আম্পান আরও উত্তর- উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে সাগর দ্বীপ এর পূর্বপাশ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কি. মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ১৮০ কি. মি. যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২০০ কি. মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকট সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

সতর্ক সংকেত:
মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১০ (দশ) নম্বর পুনঃ ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত পুনঃ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।


চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৯ (নয়) পুনঃ ৯ (নয়) নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৯ (নয়) নম্বর পুনঃ ৯ (নয়) নম্বর মহাবিপদ সংকেত এর আওতায় থাকবে।

ঘূর্ণিঝড় জনিত জলোচ্ছ্বাসের সতর্কতা:

ঘূর্ণিঝড় এবং দ্বিতীয় পক্ষের চাদের সময়ের শেষ দিনের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১০-১৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা:
ঘূর্ণিঝড় অতিক্রম কালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলা সমুহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমুহে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘন্টায় ১৪০-১৫০ কি. মি. বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

জেলেদের জন্য সতর্কতা:
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্ত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।


জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর