ঢাকা, বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬

গল্পে আসছে নতুন মোড়, কী হবে ‘কৃষ্ণকলি’-র ভবিষ্যৎ

২০১৯ জুন ১০ ২২:৫৪:৫২
গল্পে আসছে নতুন মোড়, কী হবে ‘কৃষ্ণকলি’-র ভবিষ্যৎ

ধারাবাহিক ‘কৃষ্ণকলি’ শুরু হয়েছিল গত বছর ১৮ জুন। প্রথম সপ্তাহ থেকেই টিআরপি তালিকার সেরা দশে জায়গা করে নেয় এই ধারাবাহিক। তার পরের সময়টি সত্য়িই বাংলা টেলিজগতে একটি দৃষ্টান্ত। ‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’-কে সরিয়ে বিগত ৮ মাস ধরে ১৫+ আরবান টিআরপি তালিকার শীর্ষে রয়েছে ‘কৃষ্ণকলি’।

এবার সামনে রয়েছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ– কীভাবে ধরে রাখা যায় শীর্ষস্থান? কারণ ক্রমশই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এগিয়ে আসছে জি বাংলা-র অন্য একটি ধারাবাহিক– ‘ত্রিনয়নী’। তাই এবার গল্পে প্রয়োজন একটি বড় ক্রাইসিস। ১০ জুন থেকে আসছে গল্পে সেই নতুন মোড়, বিশেষ রুদ্ধশ্বাস পর্ব।

এতদিন দর্শক দেখেছেন যে শ্যামা তার সাঙ্গীতিক জীবনটি লুকিয়েছে তার শাশুড়ির থেকে। অবশেষে পরিবারের সকলের কাছে এই সত্যটি সামনে এসে গিয়েছে। বড়সড় ঝড় উঠেছে, শাশুড়ি-বৌমার মধ্যে যে সম্পর্কটা অনেকটা ভাল হয়ে উঠেছিল, সেই সম্পর্কে চিড় তো ধরবে বটেই, পাশাপাশি পরিবারের থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে শ্য়ামা, এমনটাই দেখা গিয়েছে প্রোমোতে।

সত্য়িই কি পরিবারের থেকে আলাদা হয়ে যেতে হবে নিখিল-শ্য়ামাকে? দর্শকের মনে সেই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে। পরিচালক বা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কেউই বলে দিতে চান না ঠিক কী হতে চলেছে। সেই সাসপেন্সটুকু বজায় রেখেই পরিচালক বিজয় মাজি জানালেন যে আগামী এপিসোডগুলি আরও বেশি জমজমাট হতে চলেছে।

”একজন কালো মেয়ের জীবনসংগ্রামের গল্প তাই দর্শকের এত ভাল লাগে। ‘কৃষ্ণকলি’ এতটা সফল তার কারণ দর্শক খুব ভালভাবে এই গল্পের সঙ্গে রিলেট করতে পারেন”, জানালেন পরিচালক, পাশাপাশি ভূয়সী প্রশংসা করলেন কৃষ্ণকলি-অভিনেত্রী তিয়াসা রায়ের, ”ও তো একেবারেই নতুন। প্রথম যখন এসেছিল তখন একেবারেই কিছু জানত না। কিন্তু ওর একটা গুণ রয়েছে। খুব দ্রুত শিখে নিতে পারে। খুব ভাল কাজ করছে।”

ধারাবাহিকের এই প্রভূত সাফল্যের পরে বিনয়ী পরিচালকের আশা, দর্শকের ভালবাসা থাকলে আরও চার বছর চলবে ‘কৃষ্ণকলি’। তবে ঠিক কী হতে চলেছে এই সপ্তাহে, সে সম্পর্কে কিছুতেই কিছু জানাতে চাননি তিনি। সম্ভবত সত্য়িই শ্য়ামা-নিখিল এবার আলাদা সংসার পাততে চলেছে। যদি তাই হয়, তবে দর্শকের মধ্যে ধারাবাহিক দেখার উৎসাহ আরও বাড়বে।

পাশাপাশি নতুন সংসার মানেই নতুন কিছু চরিত্রের প্রবেশ ঘটতে পারে। কিন্তু এই আলাদা হয়ে যাওয়ার ব্য়াপারটিও বেশিদিন চলবে না বলেই ধারণা। কারণ দর্শক একান্নবর্তী পরিবারের ভাঙন দেখতে পছন্দ করেন না।
কৃষ্ণকলি
আর সেটাই বেশিরভাগ বাংলা ধারাবাহিকের ইউএসপি হয়ে ওঠে। তবে সেই ফেরা কতদিনের এবং কীভাবে, সেই নিয়েও তো এক ধরনের কৌতূহল থাকবেই। সব মিলিয়ে আরও একটু জমজমাট হতে চলেছে ‘কৃষ্ণকলি’, সেই আভাসই মিলছে।


নাটক এর সর্বশেষ খবর

নাটক - এর সব খবর