ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

‘পুরো গায়ে মাটি মেখে ৬ ঘণ্টা ফ্যানের নিচে ছিলাম’

২০১৮ ডিসেম্বর ২০ ১৯:২৭:৫৬
‘পুরো গায়ে মাটি মেখে ৬ ঘণ্টা ফ্যানের নিচে ছিলাম’

আশনা হাবিব ভাবনা। অভিনেত্রী ও মডেল। বাংলাভিশনে প্রচার হচ্ছে তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক 'সোনালি দিন'। রোকেয়া প্রাচী পরিচালিত এ নাটক ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে-

'সোনালি দিন' নাটকের 'জারা' চরিত্রটি নিয়ে দর্শকের প্রতিক্রিয়া কী?

একটি মেয়েকে ঘিরে নাটকের গল্প। জারা নামের ওই মেয়েটি নিউইয়র্ক প্রবাসী। বাংলাদেশে প্রথম এসেছে। পরে সে জেলায় ভ্রমণ করে। দেশের পরিবর্তন দেখে মুগ্ধ হয় মেয়েটি। সে তার বাবার স্ট্ক্রিপ্টে বাংলাদেশ নিয়ে সিনেমা বানাতে চায়। এখানে একজন সিনেমার পরিচালকের ভূমিকায় আমি অভিনয় করেছি। বেশ ভালো। মাতিয়া বানু শুকুর চিত্রনাট্যে সবসময় কাজ করে আনন্দ পাই। নাটকের গল্পটি মৌলিক। আর দর্শক মৌলিক গল্পের নাটক পছন্দ করেন। যারা এই নাটকটি দেখেছেন, সবাই বেশ প্রশংসা করছেন।

প্রতিটি নাটকে নিজেকে নতুন চরিত্রে তুলে ধরতে চান বলেই কি গল্প, চরিত্র নিয়ে আলাদা করে ভাবেন?

ভালো নাটক, টেলিছবির জন্য সবার আগে প্রয়োজন ভিন্ন ধাঁচের গল্প। সেই সঙ্গে চরিত্রে গভীরতা থাকা চাই। হাস্যরসাত্মক গল্পেও কোনো কোনো চরিত্র গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ জন্য যে কোনো কাজ করার আগে গল্প ও চরিত্র নিয়ে আলাদা করে ভাবি। সবসময় নিরীক্ষাধর্মী কাজ করতে চাই। অভিনয়ে নিজেকে ভাঙার জন্য এটা জরুরি। ক্যারিয়ারে যে কয়টি নাটক ও টেলিছবিতে অভিনয় করেছি, তার প্রতিটি গল্প ও চরিত্র ছিল ভিন্ন ধরনের। দর্শকের ভালো লাগার কথা ভেবেই এতটা বাছ-বিচার করে কাজ করা। এর কারণ একটাই, দিনশেষে দর্শক ভালো কাজের কথাই মনে রাখেন।

নাগরিক টিভির 'বাজলো ঝুমুর তারার নূপুর' রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়েছেন। অভিজ্ঞতা হলো কেমন?

যে কোনো প্রতিযোগিতাই চ্যালেঞ্জিং। হারজিতের মারপ্যাঁচ। আর সেটা যদি হয় দুই দেশের মধ্যে তাহলে তো আরও কঠিন কিছু! নাচ নিয়ে লড়াই করেছি অনেক। আশা করছি, জমজমাট লড়াইটা টিভি পর্দায় সবাই উপভোগ করছেন। লড়াইয়ে কে হারবে-জিতবে সেটা বড় কথা নয়। যে-ই জিতুক বাংলাই জিতবে। এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের শিল্পীদের মধ্যে একটা বন্ধন তৈরি হয়ে গেছে। এটা অনেক বড় পাওয়া। প্রতিযোগিতার জন্য অনেক কষ্ট করেছি। 'আল্লাহ মেঘ দে' গানের সঙ্গে নেচেছিলাম। এ জন্য আমাকে পুরো গায়ে মাটি মেখে ৬ ঘণ্টা ফ্যানের নিচে বসে শুকাতে হয়েছিল। অনেক কষ্ট স্বীকার করছি কিন্তু অনেক সুখ-স্মৃতিও তৈরি হয়েছে। রিহার্সেলের দিনগুলোর কথা মনে পড়ে সবসময়ই। কত সুন্দর সময় কাটিয়েছি। আর শিখেছি অনেক কিছু। সবকিছু মিলিয়ে মিস করছি স্টেজকে।

শুনেছি উপন্যাস লিখছেন। এর কী খবর?

হ্যাঁ, এ নিয়ে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে। যদিও এর নাম ঠিক করিনি এখনও। ১৬ থেকে ২২ বছরের একটি মেয়ের জীবন নিয়ে এ উপন্যাসের কাহিনী এগিয়ে গেছে।


সাক্ষাৎকার এর সর্বশেষ খবর

সাক্ষাৎকার - এর সব খবর