ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৮, ১০ বৈশাখ ১৪২৫

সামনে নির্বাচন খালেদাকে ছাড়বেই না ২০ দল!

২০১৮ জানুয়ারি ১১ ০০:২৯:৪৮
সামনে নির্বাচন খালেদাকে ছাড়বেই না ২০ দল!

সামনেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে কি না তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ না নিলে ২০ দলের বাকি শরীক দলগুলোও এ নির্বাচনে অংশ নেবে না।সম্প্রতি বেসরকারি একটি টেলিভিশনের টক-শোতে এসে এমন কথাই জানালেন এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রেদওয়ান আহমেদ।

উপস্থাপক তার কাছে প্রশ্ন রাখেন, বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচন না করলে ২০ দল নির্বাচন করবে কি না? জবাবে রেদওয়ান আহমেদ বলেন, ‘অংশগ্রহণ করবে না বলেই এখন পর্যন্ত আমাদের সিদ্ধান্ত।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের জোটের সবচেয়ে বড় সংগঠন বিএনপি। অথচ জোটের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অবান্তর অভিযোগ আনা হয়েছে। যিনি তিনবারের প্রধানমন্ত্রী তার বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা অপব্যবহারের মামলা আসলেই একটা হাস্যকর বিষয়।’

রেদওয়ান আহমেদ বলেন, ‘একজন নিরপরাধ মানুষতে মামলা দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে অথচ বাংলাদেশে হাজার-হাজার কোটি টাকা লুট হচ্ছে। একমাত্র বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ৫হাজার কোটি টাকা লুট করেছে। মহিউদ্দিন খান আলমগীর সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলেন, তাকে একটি ব্যাংক দেয়া হয়েছে। অথচ মূলধন খেয়ে ফেলেছে, ৫০০ কোটি টাকা নিয়ে গেছে। এভাবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে লুট হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘লক্ষ হাজার কোটি টাকা ভুল বিনিয়োগ হয়েছে, যা ফেরত পাওয়ার সামান্য সুযোগ নেই।’

দশম জাতীয় নির্বাচনে না যাওয়ার প্রসঙ্গ এনে তিনি বলেন, ‘ঐ সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ভুল আমি বলব না। নির্বাচনের আগে আমরা আন্দোলন করেছি। কিন্তু অনেকেই আন্দোলনের বিষয়ে মিথ্যা অভিযোগ করে। প্রধানমন্ত্রীর অফিসের সামনে গাড়ি পোড়ানোর মামলা দায়ের করা হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ারসহ অনেক সিনিয়র নেতাকে। কিন্তু তারাতো ওখানে যায়নি। এরকম বহু জায়গাতে বহু কিছু হয়েছে। তারা নিজেরাই মামলার সৃষ্টি করে অনেককে আসামী করেছে, জেল খাটিয়েছে।’

জামায়াতের সাথে বিএনপির থাকা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এ উপমহাদেশে জোটের রাজনীতি চলছে। মত এবং আদর্শের ঐক্যজোটই হল বড় বিষয়। যেমন আওয়ামী লীগের যে আদর্শ বা গঠনতন্ত্র তা কমিউনিস্টদের সাথে মিল নেই। কিন্তু তারপরেও বাম রাজনীতির দখলে মোটামুটি আওয়ামী লীগ। ভারতের কট্টোর বিজিপি দলের সাথে অনেক ডানপন্থী দলের সম্পর্ক আছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার নানাভাবে চেষ্টা করছে যাতে জামায়াতে ইসলাম বিএনপি জোট থেকে সরে যায়। ইতোমধ্যে ইসলামিক ঐক্যজোট, খেলাফতসহ অন্যান্য অনেক রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে তারা তাদের পক্ষে নিয়ে গেছে। আর এখন আওয়ামী লীগ অনেক জোরেসরে চেষ্টা করছে জামায়াতে ইসলামীকে বিএনপি থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় কি না। কারণ জামায়াতের অনেক ভোট ব্যাংক আছে।’


রাজনীতি এর সর্বশেষ খবর

রাজনীতি - এর সব খবর