ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

‘সত্যিই আমাদের লিডার আপনি’

২০১৪ অক্টোবর ২৯ ১৭:২৬:৩৪
‘সত্যিই আমাদের লিডার আপনি’

প্যাক বানানোর জন্য নয়। চরিত্রের জন্য। দিনের ব্যস্ততার পরও রাতে জিম করেন। তার সমসাময়িকরা যখন ব্যস্ত অন্য কাজে।

তখন তিনি জিম করেন। এ ব্যাপারে প্রসেনজিত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন :

প্রশ্ন : রোজ দু’ঘণ্টা৷ সারাদিন কাজে ব্যস্ত থাকলে, রাত ৯টায় ঢুকে পড়ছেন জিমে৷ হঠাৎ কী হলো বলুন তো?

উত্তর : শুধুমাত্র মেক-আপের সাহায্য নিচ্ছিলাম এতদিন৷ কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে মেক-আপের সঙ্গে ফিজিক্যাল লুকস-এর দিকে নজর দিলাম৷

প্রশ্ন : ফল পেলেন?

উত্তর : আমার বডি, চেস্ট, প্যাকস, আর্মস- ইট হ্যজ চেঞ্জড৷

প্রশ্ন : আপনি নাকি আর মাস ছ'য়েক পর সকলকে তাক লাগিয়ে দেবেন?

উত্তর : আমার সিক্স প্যাক হবে এমন কোনও দাবি নেই৷ কিন্তু ফিটনেস ট্রেনিং-এর মাধ্যমে যে চেহারা তৈরি করছি, সেটা ৫-৬ মাস পর অবশ্যই লোকের চোখে পড়বে৷

প্রশ্ন : অর্থাত্ এনকাউন্টার শ্যুটার প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায়ের যে ছবিতে শহরের দেওয়াল ভর্তি, তার চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে নিজেকে পুশ করতে শুরু করে দিয়েছেন আপনি?

উত্তর : হ্যাঁ৷

প্রশ্ন : শাটের্র বাটন খুললে কতগুলো প্যাক এই মুহূর্তে?

উত্তর : বানানোর কথাই ভাবছি না৷ যদি কখনও বক্সারের কোচের চরিত্র করি, তখন দেখব৷

প্রশ্ন : চরিত্র কেন? নিজের জন্যই তো বানাতে পারেন!

উত্তর : এমনি কেন করব? কাল বাদে পরশু সিক্স প্যাকস বানিয়ে আপনার কাগজে ছবি বের করার কোনও অভিপ্রায় আমার নেই! তারচেয়ে আমি দু'টো ভালো ছবি দেখব, দু'জন ভালো পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করব ছবি নিয়ে৷

প্রশ্ন : তার মানে যখন যেরকম চরিত্র আসছে, তা দেখে নিয়ে ফিজিক্যাল লুক চেঞ্জ৷

উত্তর : একদম৷ 'জাতিস্মর'-এ অ্যান্টনি করার পর যদি ছ' মাস সময় পেতাম কুশল হাজরা করার জন্য, তা হলে আমি নিশ্চিত আমায় কেউ চিনতেই পারত না! সেখানে আমায় চার সপ্তাহ সময় দিয়েছিল৷ তাতেই আমি ছ' কেজি ওজন কমিয়েছি৷ তারপর যখন ঠিক করলাম আমার আর অর্পিতার ছবি আর পরমব্রতর পরিচালনায় দু'টো ছবি করব, মাসল বিল্ট করা শুরু করলাম৷ তাও দু'টোতে তফাত আছে৷ 'লড়াই'-তে হালকা পাউচ বেরোলে ঠিকঠাক৷ 'ফোর্স'-এ আবার একদম টাইট চেহারা৷

প্রশ্ন : কিন্তু এই যে হ্যাপি নিউ ইয়ার-এ শাহরুখ খান, আবার প্যাক বানিয়ে প্রোমোশন পেয়ে গেলেন!

উত্তর : বম্বের মতো এখানে দেড় বছর ধরে ছবি হলে, আমরাও অনেক ম্যাজিক দেখাতে পারি৷ ওটা সময়ের ব্যাপার৷ টলিউডের ইকোনমিতে ওটা ওয়ার্ক করে না৷ কোটির ব্যবসাটাও যেরকম খানদের জন্য ছেড়ে রাখলেই ভালো৷ এখানে মার্কেট এত ছোট৷ আগে সকলে মিলে সেটা বাড়ানোর চেষ্টা করা যাক!

প্রশ্ন : এক ছবি থেকে অন্য ছবি৷ ফিজিক্যাল চেঞ্জ৷ চাপটা নেন কীভাবে?

উত্তর : সেটা তো করতেই হবে৷ গৌতম ঘোষ-এর ছবিতে যেমন একদম অন্য লুক৷ আবার গডফাদার (কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়-এর 'মহাভারত', যেখানে ভীষ্ম-র ভূমিকায় তিনি)-এ ৩২ বছর থেকে ৮০ বছরের ফিজিক্যাল চেঞ্জ!

প্রশ্ন : সেই কারণেই বেসিক ফিটনেস বাড়াতে রোজ জিমে?

উত্তর : একদম তাই৷ ইন্ডাস্ট্রির জন্য৷ দর্শকের উপর দায়বদ্ধতা থেকে৷ আমার উপর অনেক টাকাও তো ঢালা হয়৷ তার বদলে কিছু দিতে হবে তো!

প্রশ্ন : অ্যাকশন ছবি নিয়ে বহুদিন পর বক্সঅফিসে ফিরছেন আপনি৷

উত্তর : রিয়েল অ্যাকশন৷ একদমই চারতলা থেকে ঝাঁপ দেওয়া নেই৷ তবে যখন শ্যুটিং করছি, ৫০-৬০ জন রিয়েল কম্যান্ডো ছিলেন৷ কিছুক্ষণ আমার সঙ্গে কাজ করার পর ওঁরা বললেন, 'স্যার আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে সত্যিই আপনি আমাদের টিমটাকে লিড করছেন৷' আসল ব্যাপার তো সেটাই, যে চরিত্রই করি, চেহারা, কথা বলা, অ্যাটিটিউড, সবেতেই যেন চরিত্রের সঙ্গে মিশে যেতে পারি৷

প্রশ্ন : প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায় তো খান না?

উত্তর : (হেসে) আই ইট৷ ভলিউম বিল্ড করছি বলে, প্রোটিন খেতেই হয়৷ বিট অফ সাপ্লিমেন্ট, এনার্জি বাড়াতে৷ দু' ঘণ্টা যখন জিম করছি, এরকম না যে খালি কার্ডিও করছি, আমি ভালোরকম ওয়েট ট্রেনিং করি৷ তাই প্রেটিন না খেলে ভলিউম বাড়বে না৷ কখনও দু'টো ডিমের সাদা অংশ৷ চিকেন৷ সাপলিমেন্ট৷ ভিটামিনস৷

প্রশ্ন : 'ভাইফোঁটা' নিতে গিয়ে?


উত্তর : প্যাক বানানোর জন্য নয়। চরিত্রের জন্য। দিনের ব্যস্ততার পরও রাতে জিম করেন। তাঁর সমসাময়িকরা যখন ব্যস্ত অন্য কাজে। কেন? প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায় সে কথাই বললেন ভাস্বতী ঘোষ-কে।

প্রশ্ন : রোজ দু' ঘণ্টা৷ সারাদিন কাজে ব্যস্ত থাকলে, রাত ন'টায় ঢুকে পড়ছেন জিমে৷ হঠাত্ কী হল বলুন তো?

উত্তর : শুধুমাত্র মেক-আপের সাহায্য নিচ্ছিলাম এতদিন৷ কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে মেক-আপের সঙ্গে ফিজিক্যাল লুকস-এর দিকে নজর দিলাম৷

প্রশ্ন : ফল পেলেন?

উত্তর : আমার বডি, চেস্ট, প্যাকস, আর্মস- ইট হ্যজ চেঞ্জড৷

প্রশ্ন : আপনি নাকি আর মাস ছ'য়েক পর সকলকে তাক লাগিয়ে দেবেন?

উত্তর : আমার সিক্স প্যাক হবে এমন কোনও দাবি নেই৷ কিন্তু ফিটনেস ট্রেনিং-এর মাধ্যমে যে চেহারা তৈরি করছি, সেটা ৫-৬ মাস পর অবশ্যই লোকের চোখে পড়বে৷

প্রশ্ন : অর্থাত্ এনকাউন্টার শ্যুটার প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায়ের যে ছবিতে শহরের দেওয়াল ভর্তি, তার চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে নিজেকে পুশ করতে শুরু করে দিয়েছেন আপনি?

উত্তর : হ্যাঁ৷

প্রশ্ন : শাটের্র বাটন খুললে কতগুলো প্যাক এই মুহূর্তে?

উত্তর : বানানোর কথাই ভাবছি না৷ যদি কখনও বক্সারের কোচের চরিত্র করি, তখন দেখব৷

প্রশ্ন : চরিত্র কেন? নিজের জন্যই তো বানাতে পারেন!

উত্তর : এমনি কেন করব? কাল বাদে পরশু সিক্স প্যাকস বানিয়ে আপনার কাগজে ছবি বের করার কোনও অভিপ্রায় আমার নেই! তারচেয়ে আমি দু'টো ভালো ছবি দেখব, দু'জন ভালো পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করব ছবি নিয়ে৷

প্রশ্ন : তার মানে যখন যেরকম চরিত্র আসছে, তা দেখে নিয়ে ফিজিক্যাল লুক চেঞ্জ৷

উত্তর : একদম৷ 'জাতিস্মর'-এ অ্যান্টনি করার পর যদি ছ' মাস সময় পেতাম কুশল হাজরা করার জন্য, তা হলে আমি নিশ্চিত আমায় কেউ চিনতেই পারত না! সেখানে আমায় চার সপ্তাহ সময় দিয়েছিল৷ তাতেই আমি ছ' কেজি ওজন কমিয়েছি৷ তারপর যখন ঠিক করলাম আমার আর অর্পিতার ছবি আর পরমব্রতর পরিচালনায় দু'টো ছবি করব, মাসল বিল্ট করা শুরু করলাম৷ তাও দু'টোতে তফাত আছে৷ 'লড়াই'-তে হালকা পাউচ বেরোলে ঠিকঠাক৷ 'ফোর্স'-এ আবার একদম টাইট চেহারা৷

প্রশ্ন : কিন্তু এই যে হ্যাপি নিউ ইয়ার-এ শাহরুখ খান, আবার প্যাক বানিয়ে প্রোমোশন পেয়ে গেলেন!

উত্তর : বম্বের মতো এখানে দেড় বছর ধরে ছবি হলে, আমরাও অনেক ম্যাজিক দেখাতে পারি৷ ওটা সময়ের ব্যাপার৷ টলিউডের ইকোনমিতে ওটা ওয়ার্ক করে না৷ কোটির ব্যবসাটাও যেরকম খানদের জন্য ছেড়ে রাখলেই ভালো৷ এখানে মার্কেট এত ছোট৷ আগে সকলে মিলে সেটা বাড়ানোর চেষ্টা করা যাক!

প্রশ্ন : এক ছবি থেকে অন্য ছবি৷ ফিজিক্যাল চেঞ্জ৷ চাপটা নেন কীভাবে?

উত্তর : সেটা তো করতেই হবে৷ গৌতম ঘোষ-এর ছবিতে যেমন একদম অন্য লুক৷ আবার গডফাদার (কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়-এর 'মহাভারত', যেখানে ভীষ্ম-র ভূমিকায় তিনি)-এ ৩২ বছর থেকে ৮০ বছরের ফিজিক্যাল চেঞ্জ!

প্রশ্ন : সেই কারণেই বেসিক ফিটনেস বাড়াতে রোজ জিমে?

উত্তর : একদম তাই৷ ইন্ডাস্ট্রির জন্য৷ দর্শকের উপর দায়বদ্ধতা থেকে৷ আমার উপর অনেক টাকাও তো ঢালা হয়৷ তার বদলে কিছু দিতে হবে তো!

প্রশ্ন : অ্যাকশন ছবি নিয়ে বহুদিন পর বক্সঅফিসে ফিরছেন আপনি৷

উত্তর : রিয়েল অ্যাকশন৷ একদমই চারতলা থেকে ঝাঁপ দেওয়া নেই৷ তবে যখন শ্যুটিং করছি, ৫০-৬০ জন রিয়েল কম্যান্ডো ছিলেন৷ কিছুক্ষণ আমার সঙ্গে কাজ করার পর ওঁরা বললেন, 'স্যার আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে সত্যিই আপনি আমাদের টিমটাকে লিড করছেন৷' আসল ব্যাপার তো সেটাই, যে চরিত্রই করি, চেহারা, কথা বলা, অ্যাটিটিউড, সবেতেই যেন চরিত্রের সঙ্গে মিশে যেতে পারি৷

প্রশ্ন : প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায় তো খান না?

উত্তর : (হেসে) আই ইট৷ ভলিউম বিল্ড করছি বলে, প্রোটিন খেতেই হয়৷ বিট অফ সাপ্লিমেন্ট, এনার্জি বাড়াতে৷ দু' ঘণ্টা যখন জিম করছি, এরকম না যে খালি কার্ডিও করছি, আমি ভালোরকম ওয়েট ট্রেনিং করি৷ তাই প্রেটিন না খেলে ভলিউম বাড়বে না৷ কখনও দু'টো ডিমের সাদা অংশ৷ চিকেন৷ সাপলিমেন্ট৷ ভিটামিনস৷

প্রশ্ন : 'ভাইফোঁটা' নিতে গিয়ে?

উত্তর : আমি বাড়ির সকলকে বলেই দিই, একটা শর্তেই আমি যাব, আমার জন্য কেউ রান্না করবে না৷ তোমরা খাও, আপত্তি নেই৷ আমি এক চামচ পায়েস খেলাম৷ আর মাকু (বোন পল্লবী চট্টোপাধ্যায়) জানে আমি সিঙ্গারা খেতে ভীষণ ভালোবাসি৷ সেটা এনেছিল, তাই খেলাম৷ একটা সিঙ্গারা৷

প্রশ্ন : ভাত-ডাল-ভাজা-তরকারি-মাছ-মাংস-চাটনি-মিষ্টি! এই প্ল্যাটারটা খেয়েছেন এ বছর?

উত্তর : (অনেক ভেবে) মনে পড়ছে না৷ আপনি তো জানেনই, আমার নিয়ম ভাঙা মানে শুধু পুজো৷ পুজোয় ভোগ খাই৷ মানে খিচুড়ি, চাটনি, পাঁচমিশেলি, সেটা একটু খাওয়ার সুযোগ হয়৷
প্রশ্ন : কিন্তু টেনশন তো হয়ই? ফ্রাস্ট্রেশনে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার সুযোগও নেই!

উত্তর : আমার জীবনে আরও কোনও চ্যালেঞ্জ নেই৷ সত্যি বলছি, আমি কিন্তু এক্সপেক্ট করছি না, এই ছবি সুপার ডুপার হিট হবে৷ আমি চাই বাচ্চারা বাবা-মা'র সঙ্গে ছবিটা দেখুক৷ দেখলে দু' পক্ষেরই একে-অন্যের ওপর রেসপেক্ট বাড়বে৷

আর চাই দর্শক এই ছবি মাল্টিপ্লেক্সে নাকি সিঙ্গল স্ক্রিনে দেখবে, সেটা তাঁরাই ঠিক করুন! আমরা বলার কেউ নই কোনটা মাল্টিপ্লেক্স ছবি আর কোনটা নয়৷ মুম্বইয়ের কোটির হিসেবের কোনও ইনফ্লুয়েন্সও আমি চাই না৷ তবে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এমন একটা জায়গা তৈরি করে দিয়ে যেতে চাই, যেখানে সে বলবে, 'আমি একটা ছবি করে ৫ কোটি টাকা নিচ্ছি৷'

টালিউড এর সর্বশেষ খবর

টালিউড - এর সব খবর

উপরে