ঢাকা, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

'50 Shades Of Grey' শুধুই কি যৌনতা?

২০১৪ জুলাই ২৮ ১২:৪৪:৫০
'50 Shades Of Grey' শুধুই কি যৌনতা?

সম্প্রতি ব্রিটিশ লেখিকা ই এল জেমস উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে তৈরি হলিউড ছবি 'ফিফটি শেডস অফ গ্রে'-র ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে।

যা দেখে ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার ঢেউ উঠেছে। কেউ দেখে চোখ কুঁচকেছেন, কেউ বা বিষ্ফোরিত নয়নে এক প্রকার গিলেছেন সেটি। অনেকটা নানা মুণির নানা মতের মতো অবস্থা। তবে একটা ব্যাপারে সবাই সমান, কেউ এটিকে উপেক্ষা করতে পারেননি।


কেন এই ছবিটি নিয়ে এত হইচই?
এটা জানতে ২ বছর ফিরে যেতে হবে। ২০১১ সালে ২৫ মে যখন লেখাটি বই আকারে বাজারে এল, তার আগেই তা পাঠক-পাঠিকাদের সঙ্গে এর পরিচয় হয়েছে। প্রথমে ই এল জেমস এটি নিজের উদ্যোগে ই-বুক আকারে ইন্টারনেটে প্রকাশ করেন। পরে পাঠকদের চাহিদায় তা বই আকারে প্রকাশ পায়।





বিশেষত মহিলাদের মধ্যে বইটি খুবই জনপ্রিয় হয়। প্রশ্ন ওঠে কেন? কারণ, এটি বোধহয় একমাত্র উপন্যাস, যা একজন মহিলার জবানিতে বলা হয়েছে। আভিজাত্যের সঙ্গে প্রেম ও একজন কলেজ ছাত্রীর যৌন ইচ্ছাকে লেখনির মাধ্যমে জীবন্ত করে তোলা হয়েছে। প্রকাশিত হওয়ার পরে ১০ কোটির বেশি কপি বিক্রি হয়েছে বইটি। এ বই নিয়ে আলোড়ন তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক। ২০১২-তে এর আরও দু'টি ভাগ প্রকাশিত হয়। তবে তা প্রথম বইটির মতো এত জনপ্রিয়তা লাভ করেনি।



বইতে যৌনতাকে এত বিস্তারিত ও 'গ্লোরিফাই' করা হয়েছে, যা ছবিটির মুক্তি পাওয়ার আগেই যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করেছে। ট্রেলার মুক্তির পর তা তো অন্য মাত্রাই যোগ করেছে। ছবিটির প্রযোজক দানা ব্রুনেত্তি জানিয়েছেন, 'ছবিটির দু'টি ভার্শান রিলিজ করা হবে। কারণ, অনেকেই হয়তো বইটির হুবহু নকল সিনেমায় দেখার 'সাহস' রাখতে পারবেন না। যাঁরা পারবেন, তাঁদের জন্য দ্বিতীয় ভার্শানটি রইল।' এর মধ্যেই ছবিটি অনেক দেশের সেন্সর বোর্ডের কর্তাদের ঘুম কেড়েছে। তাঁরাও ভাবছনে, ছবিটি 'আনকাট' অবস্থায় মুক্তি দেওয়া ঠিক হবে কি না!

উপরে