ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

যেভাবে কনডম তৈরী করা হয় (ভিডিও সহ)

২০১৫ মে ৩০ ১৪:২৮:১৮
যেভাবে কনডম তৈরী করা হয় (ভিডিও সহ)

কনডম প্রধানত যৌনসংগমকালে ব্যবহৃত এক প্রকার জন্মনিরোধক বস্তু। এটি মূলত গর্ভাধান ও গনোরিয়া, সিফিলিজ ও এইচআইভি-এর মতো যৌনরোগের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এটি পুরুষদের উত্থিত পুরুষাঙ্গে পরানো হয়। রেতঃস্খলনের পর কনডম যৌনসঙ্গীর শরীরে বীর্য প্রবেশে বাধা দেয়। কনডম জলাভেদ্য, স্থিতিস্থাপক ও টেঁকসই বলে একে অন্যান্য কাজেও লাগানো যায়। বীর্যহীনতা চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য কনডমের মধ্যে করে বীর্য সংগ্রহ করা হয়। জলাভেদ্য মাইক্রোফোন তৈরি ও রাইফেলের ব্যারেল নোংরা পচা বস্তু দ্বারা বুজে যাওয়া আটকাতেও কনডম ব্যবহৃত হয়।

কিন্তু আমাদের অনেকেরই অজানা কিভাবে তৈরী হয় একটি কনডম, কি তার কাঁচামাল।

কনডম তৈরী হয় ল্যাটেক্স নামক প্রাকৃতিক রবার থেকে, রবার থেকে তৈরী হয় বলে পশ্চিমা বিশ্বে কনডম অনেক সময় শুধুমাত্র রবার বলেও সম্মোধন করা হয়। প্রাকৃতিক রবার ল্যাটেক্স অবশ্যই রবার গাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন দেশ পুরো পৃথিবীতে সরবারহ করে এই ল্যাটেক্স রবার। রবার গাছের বাকল থেকে দুগ্ধ জাতীয় কষই হল ল্যাটেক্স বরার। পরবর্তীতে এই দুগ্ধজাতীয় কষ কিছু রাসায়নিক প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে তৈরী করা হয় কনডমের কাঁচামাল।

কনডম তৈরীতে প্রথম যে ধাপটি করা হয়, তা হল ডপিং প্রসেস বা ডুবানো ধাপ, এই ধাপে কনডমের আকারের কাঁচের সাঁচ খুব আস্তে আস্তে প্রক্রিয়াজাত ল্যাটেক্স রবারের মধ্যে ডুবানো হয়, অতি আস্তে আস্তে ডুবানো হয়, কারন রবারের আস্তরন সবজায়গায় সমান ভাবে পড়ে, এরপর কাঁচের সাঁচের উপর শুকানো হয় বরার গুলো। নিরাপত্তার জন্য এই একই প্রক্রিয়া দুইবার অনুসরণ করা হয়।

এরপর যে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ রয়েছে তা হল প্রতিটি কনডমের মাথায় রিং তৈরী করা, আর এরপর কনডমের ইলাস্টিসিটি বাড়ানোর জন্য ভলকানোজাইসেশন করা হয়, এরপর ড্রায়ারের মধ্যে শুকানো হয় কনডম গুলো, এসময়ই কনডমগুলোকে ইচ্ছা অনুযায়ী রং দেওয়া হয়। এরপর কনডমগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে মান নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে চলে যায় প্যাকেটিং প্রসেসে।


ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

লাইফ স্টাইল এর সর্বশেষ খবর

লাইফ স্টাইল - এর সব খবর

উপরে